জার্মানি ভিসা আবেদন নিয়ম: প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যোগ্যতা এবং খরচ সমূহ

আপনি কি? জার্মানি ভিসা আবেদন ফরম পূরণ নিয়ম এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যোগ্যতার ও খরচ সম্পর্কে জানতে চাচ্ছেন, তাহলে আর্টিকেলটি শেষ পর্যন্ত পড়ুন।

জার্মানি-ভিসার-আবেদন

ইউরোপের বৃহত্তম কান্ট্রি জার্মানি। এদেশে মানুষের স্টাডি করা, কিংবা জব করা স্বপ্নের মত। কারণ ইউরোপের অন্যান্য দেশে তুলনায় জার্মানির ইউরো ডলার অনেক মান বেশি। এবং বেতন ও বেশি। 

পেজ সূচিপত্রঃ জার্মানি ভিসা আবেদনের নিয়ম: প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যোগ্যতা এবং খরচ সমূহ সম্পর্কে জানতে পড়ুন।

জার্মানি ভিসা আবেদনের নিয়ম

জার্মানি ইউরোপ কান্ট্রি একটি ধনী রাষ্ট্র। আপনি কি জার্মানি ভিসা আবেদনের নিয়ম সহ যাবতীয় তথ্য সম্পর্কে জানতে চাচ্ছেন। তাহলে আপনি সঠিক জায়গায় এসেছেন। আপনারা যারা সরকারি ভিসা প্রসেসিং  নিজে কাজ করতে চাচ্ছেন। তাদের মধ্যে এই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে কিভাবে ভিসা প্রসেসিং করব, ভিসা প্রসেসিং করতে কত টাকা খরচ হবে। এবং কি কি প্রয়োজনীয় কাগজপত্র লাগবে।
 
জার্মানি উচ্চ শিক্ষা চাকরি ব্যবসা কিংবা ভ্রমণে বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ রাষ্ট্র। তাই ভিসা আবেদনের জন্য সঠিক ধারণা থাকা জরুরী। সঠিকভাবে আবেদন করতে পারলে। ভিসা পাওয়ার সম্ভাবনা অনেকাংশে বেড়ে যায়। সময় নষ্ট ও বাড়তি খরচ অনেকটাই কমে যায়।

জার্মানির ভিসা আবেদনের ধরণ অনুযায়ী কিছু পার্থক্য হতে পারে। যেমন যাবতীয় ডকুমেন্টস সহ সহজ ও নির্ভুল আবেদন ফি প্রসেসিং এর সময় গুরুত্বপূর্ণ সর্তকতা এবং ভিসা অনুমোদনের সম্ভাবনা বাড়ানোর কার্যক্রম ক্ষমতার দ্বিগুণ বেড়ে যায়। এগুলো ভিসা প্রসেসিং আবেদনের প্রথম ধাপ।

জার্মানি-ভিসার-আবেদন


জার্মানির এম্বাসি ঢাকাতে রয়েছে অনলাইনের মাধ্যমে প্রথমে আপনাকে একটি অ্যাপার্টমেন্ট লেটার নিয়ে নিতে হবে । লেটার নিয়ে নেয়ার পরে আপনি 8 থেকে 12 সপ্তাহ পর্যন্ত সময় পাবেন অর্থাৎ দুই থেকে তিন মাস সময় পাওয়া যাবে , বিভিন্ন রকমের কাগজপত্র জমা দেওয়ার জন্য আর এই সময়ই যথেষ্ট , এবং https://dhaka.diplo.de/bd-enওয়েবসাইটে সেটা জমা দিবেন।এই ওয়েবসাইট থেকে এপয়েন্টমেন্ট লেটার নিয়ে নিবেন।

আরো পড়ুনঃলিথুনিয়া যেতে কত টাকা লাগে জানুন 

যেভাবে অনলাইনে অ্যাপার্টমেন্ট লেটার পাওয়া যায় 

প্রথমে আপনি এই ওয়েবসাইটের প্রবেশ করবেন। তারপরে সার্ভিস নামের অপশন আছে, এ অপশনে গিয়ে ক্লিক করবেন। ক্লিক করার পরে মেক এ অ্যাপার্টমেন্ট এখানে ক্লিক করবেন।  এখানে গিয়ে বুকিং সিস্টেম লেখা থাকবে। লেখা থাকার উপরে হেয়ারিং অপশন নামে একটি অপশন থাকবে। এখানে ক্লিক করবেন। এখানে ক্লিক করার পরে একদম নিচে চলে আসবেন। কন্টিনিউ নামে একটি অপশন দেখতে পাবেন। এই অপশনে ক্লিক করবেন। তারপরে আবারো নিচে আসতে হবে।

এরপর দেখতে পাবেন লেখা আছে নিউ এপয়েন্টমেন্ট, এ নিউ এপার্টমেন্টে ক্লিক করুন। আপনাকে কিছু ডিটেলস তথ্য পূরণ করে জমা দিতে হবে। তখন একেবারে আপনার ইমেইল রেডি হবে। এরপরে ইমেইল এর মাধ্যমে আপনাকে জানিয়ে দেয়া হবে। আজ থেকে কোন তারিখে কোন দিনে কত সপ্তাহের মধ্যে সমস্ত কাগজপত্র জোগাড় করে, এখানে জমা দিতে হবে।

অ্যাপার্টমেন্ট নেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

জার্মানি ভিসা আবেদনের নিয়মে, যে সমস্ত কাগজপত্র লাগবে। প্রথম অ্যাপয়েন্টমেন্ট পাওয়ার জন্য যে কাগজপত্র প্রয়োজন হয়। সে কাগজগুলো হলো

স্টুডেন্ট ভিসার জন্য ভর্তি অফার লেটার

চাকরিজীবীদের জন্য বৈধ জব অফার লেটার

এবং টুরিস্ট এর জন্য ট্রাভেল রেকর্ড থাকা অবশ্যক।

এ সমস্ত কাগজপত্র জমা দেয়ার পরে। আপনাকে একটি ডেট দেওয়া হবে। এপয়েন্টমেন্ট লেটারের জন্য। এটি হাতে পাওয়ার প্রায় আট থেকে বারো সপ্তাহ বা তিন মাসের মধ্যে যে সমস্ত কাগজপত্র জমা দিতে হবে, সেগুলো হল।

আরো পড়ুনঃবাংলাদেশ থেকে ভারত যেতে কত টাকা লাগে জানুন

জার্মানি ভিসার আবেদনে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

জার্মানি ভিসা আবেদনের যে যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সমূহ লাগবে সেগুলোর বিবরণী দেওয়া হল

  1. দুই কপি ভিসা অ্যাপ্লিকেশন ফর্ম
  2. দুই কপি ছবি ৩৫ বাই ৪৫
  3. মূল পাসপোর্ট
  4. পাসপোর্ট এর প্রথম দুই পাতার ফটোকপি
  5. কভার লেটার
  6. সিভি 
  7. ভাষা দক্ষতার সার্টিফিকেট  ielts স্কোর
  8. শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট
  9. ব্লক একাউন্টে টাকা রাখার প্রুফ 
  10. স্বাস্থ্য বীমার কাগজ
  11. ভিসা ফি জমা দিতে হবে

বাংলাদেশ থেকে জার্মানির যাওয়ার খরচ সমূহ

জার্মানিতে ভিসার আবেদন ফরম আছে। এই আপনি যে এক বছর থাকবেন জার্মানিতে এক বছরের যে খরচ আসে। সে খরচ অনুযায়ী আপনার ব্যাংকিং একাউন্টে টাকা বা ইউরো জমা রাখতে হবে।বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী, ব্লকড অ্যাকাউন্টে সম্পূর্ণ বছরের জন্য মোট ১১,৯০৪ ইউরো জমা রাখতে হয়। বাংলাদেশি টাকায় বর্তমান এক্সচেঞ্জ রেট অনুযায়ী এটি প্রায় ১৪ থেকে ১৬ লক্ষ টাকার কাছাকাছি হতে পারে। এটি জার্মানির একটি ব্লকড একাউন্টে জমা রাখতে হবে। আপনি ব্লগে কোথায় পাবেন। সেটা আমি বলে দিচ্ছি। জার্মানির ব্লকড অ্যাকাউন্ট আছে। আপনি ওখানে করতে পারেন। এটি একটি নিরাপত্তা সাইট। বাংলাদেশের প্রায়ই মানুষের এখানে টাকা রাখে। সাইট গুলো হল
  1. expatrio
  2. fintiba
  3. coracle
  4. deutsche bank
আপনি যেকোনো আন্তর্জাতিক কোম্পানি গুলোতে ইউরো ব্লকড জমা রাখতে পারেন। আন্তর্জাতিক মানের অনলাইন কোম্পানি গুলো সম্পূর্ণ নিরাপদ। আপনি যে  ব্লকড এ টাকা জমা রাখছেন।  আপনাকে এখান থেকে ডকুমেন্ট দেয়া হবে। আপনার ডকুমেন্টস প্রমাণ হিসেবে নিজ দায়িত্বে সযত্নে রাখতে হবে। আপনাকে হেলথ ইন্সুরেন্স ষাট ইউরো থেকে ১২০ ইউরো পর্যন্ত দেওয়া হবে, ডকুমেন্টস হিসাবে জমা রাখতে হবে।

 জার্মানির ভিসা ফি কত

জার্মানির ভিসা আবেদনের নিয়ম কানুন অনুযায়ী যে সমস্ত কাগজপত্র লাগবে, সেগুলো সম্পর্কে উপরে জেনেছি, আপনাকে এখন ভিসা ফি জমা দিতে হবে। জার্মানির ভিসা ফি ৭৫ ইউরো।  ঢাকায় জার্মান কনস্যুলেট বা ভিএফএস (VFS Global)-এ আবেদন করার সময় এটি বাংলাদেশি টাকায় (BDT) সমপরিমাণ ক্যাশ ব্যাংকিং চ্যানেলে পরিশোধ করতে হয়।

এরপরে ডকুমেন্টস ভেরিফিকেশন ফি ২৮ হাজার টাকা (BDT)

ভিএফএস চার্জপ্রায় ২,৬০০ থেকে ৩,০০০ টাকা লাগে।

অনুবাদ ও নোটারি খরচ ৩,০০০ থেকে ৬,০০০ টাকা খরচ হতে পারে।

হেলথ ইন্স্যুরেন্স ও ব্লকড অ্যাকাউন্ট অপেনিং ফি:বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ১৫,০০০ থেকে ২৫,০০০ টাকা বা তার বেশি খরচ হতে পারে।

ব্লকড অ্যাকাউন্ট প্রায় ১১৯ থেকে ১৫৯ ইউরো দিতে হয়, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৬,০০০ থেকে ২২,০০০ টাকা।

বিমান টিকিট বর্তমান বাজারদর অনুযায়ী প্রায় ৭০,০০০ থেকে ১,০০,০০০ টাকা বা তার বেশি লাগতে পারে।
জার্মানি-ভিসার-আবেদন



অনলাইনের মাধ্যমে আবেদনের সমস্ত কাজ করা

একটি জিনিস বলে রাখা ভালো, যে গত সেপ্টেম্বর মাস থেকে আপনার অনলাইনে ঢাকা এম্বাসিতে অনলাইন এপ্লিকেশন রাখতেন। এখন ওয়েবসাইট চালু করা হয়েছে । আপনি এখান থেকে সম্পূর্ণ কাজ ও তথ্য পূরণ করতে পারবেন। আপনি সম্পূর্ণ প্রসেস পূরণ করার পরে ফ্লাই করতে পারবেন।

জার্মানি যেতে কত বছর বয়স লাগে

জার্মানি এম্বাসি অনুযায়ী  বাংলাদেশী নাগরিকের সর্বনিম্ন ১৮ বছর হতে হবে। আপনার বয়স এর নিচে হলে, গ্রহণযোগ্য হবেন না। পারিবারিকভাবে গেলে যেতে পারবেন। তাছাড়া স্টুডেন্ট কিংবা জব অফারে গেলে ১৮ বছরের নিচে হলে হবে না।

জার্মানি ভিসার দাম কত হয়

  1. জার্মানি ভিসা আনুমানিকভাবে পাঁচ থেকে ছয় লক্ষ টাকা লাগে ওয়ার্ক পারমিট ভিসা
  2. থেকে চার লক্ষ টাকা লাগে কোম্পানির ভিসায়।
  3. তিন লক্ষ পঞ্চাশ হাজার থেকে চার লক্ষ টাকা লাগে ড্রাইভিং ভিসায়
  4. টুরিস্ট ভিসার জন্য ২ লক্ষ ৫০ হাজার থেকে তিন লক্ষ টাকা লাগে
  5. আর স্টুডেন্ট ভিসার জন্য বিষয় খরচ হবে ২ লক্ষ থেকে ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা
    জার্মানির নিম্নতম বেতন কত

    জার্মানি ভিসা আবেদনের আপনার সর্বনিম্ন বেতনের কথা উল্লেখ করা থাকে না। তবে আপনাকে জানতে হবে, সর্বনিম্ন বেতন জার্মানি কতো। আপনি যে কোন কাজের জন্য ৪০০০০ থেকে ৫০০০০ হাজার টাকা পাবেন। এরপরে আপনি ওভারটাইম করলে ৬০ থেকে ৭০ হাজার টাকা পাবেন।

    আর যারা দক্ষতার সাথে অভিজ্ঞতা নিয়ে বা স্টুডেন্ট ভিসায় যাবে। তারা সপ্তাহে ২০ ঘন্টা লেখাপড়া চলাকালীন কাজ করতে পারবে যা জার্মানির ৯৫০ থেকে ১০০০ ইউরো বাংলাদেশি টাকার মান অনুযায়ী ১ লাখ ২০ হাজার থেকে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা হয়।

    বাংলাদেশ থেকে জার্মানির বিমান ভাড়া কত হয়

    বাংলাদেশ থেকে জার্মানির বিমান ভাড়া সর্বনিম্ন যেটা হয় ৮০ হাজার টাকা এবং সময় সাপেক্ষে এক লক্ষ টাকা হয়ে থাকে কিভাবে যারা জার্মানিতে যাওয়ার ওদের আগ্রহে থাকেন তাদের এ বিষয়ে জেনে রাখা খুবই ভালো।

    বাংলাদেশ থেকে জার্মানির দূরত্ব কত

    বাংলাদেশ থেকে জার্মানির দূরত্ব অনেক বেশি তবে জার্মানি যাওয়ার জন্য, অনেক সময় বিমানে বসে থাকতে হবে। যার মাঝে দুটি দেশ ও দুটি মহাদেশ অবস্থিত। তাই এর দূরত্ব অনেক বেশি। বাংলাদেশ থেকে জার্মানির দূরত্ব ৭২৭৮ কিলোমিটার।

    জার্মানির ভিসার আবেদন ফরমের ছবি

    জার্মানের ভিসা আবেদন ফরমেট নিয়ম কানুনের বিষয় সম্পর্কে আমরা অনেকেই জানিনা। তাই  সুবিধার জন্য একটি অ্যাপ্লিকেশন ফর্ম এর ছবি দেখিয়ে দিলাম। যেন আপনারা বুঝতে পারেন।

    জার্মানির-এ্যাপ্লিকেন-ভিসা-ফরম




    জার্মানি যাওয়ার সুবিধা সমূহ

    জার্মানি ভিসা আবেদনে যে সমস্ত সুবিধা গুলো রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম হলো।
    1. অনলাইনের মাধ্যমে সম্পূর্ণ কাজ সমাধান করা যায়
    2.  এ দেশের বেতন ভাতা অন্যান্য দেশে তুলনায় অনেক বেশি
    3. জার্মানিতে দক্ষ ও শিক্ষিতদের বেতন অন্যান্যদের চাইতে অনেক বেশি
    4. স্টুডেন্টদের জন্য বেতন অনেক বেশি
    5. এদেশে কাজের সময় আট ঘণ্টার বেশি নয়
    6. এদেশে আপনি স্বাধীনতা অনুযায়ী চলাফেরা করতে পারবেন
    7. সঠিক পন্থায় বেতন উঠাতে পারবেন এবং পাঠাতেও পারবেন
    8. আপনি এদেশে নাগরিকত্ব লাভ করতে পারবেন
    9. পুনরায় আপনি সেখান থেকে ভিসার মেয়াদ বাড়িয়ে নিতে পারবেন
    10. ব্লগ একাউন্টে টাকা রাখার সম্পূর্ণভাবে নিরাপদ থাকে

    অসুবিধা সমূহ

    1. জার্মানি বাংলাদেশ থেকে অনেক দূরে অবস্থিত তাই সুসম্পর্ক অনেকটাই কম
    2. এখানে টাকার মান বেশি এজন্য সুদক্ষ হওয়ার সত্বেও কাজে যেতে পারেনা বাংলাদেশের শ্রমিক
    3. এদেশের মানুষের ভাষা শিক্ষা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়ে।

    উপসংহার

    জার্মানি ভিসা আবেদনের নিয়ম সম্পর্কে আমরা যেগুলো জানলাম। যারা বাংলাদেশ থেকে জার্মানি যেতে চাচ্ছেন , তাদের জন্য এই আর্টিকেলটি অনেক বড় সুবিধা দিতে পারে। এই আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে পড়লে, জার্মানি ভিসার যাবতীয় তথ্য, এবং কত টাকা লাগবে, এবং কিভাবে যাবেন , সম্পূর্ণ আপডেট তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। এরপরও যদি আপনাদের কোন প্রশ্ন থেকে থাকে তাহলে আমাদেরকে কমেন্ট বক্সে জানাবেন। আমরা আপনাদের প্রশ্নের উত্তর দিয়ে উপকৃত হব।

    জার্মানি ভিসা আবেদন ফর্ম পূরণ করতে চান। তারা এই আর্টিকেল  পড়ে সম্পূর্ণ ফর্ম পূরণ করতে পারবেন। আশা করছি। আপনি আবেদন লেটার পাওয়ার পরে  ফ্লাই করে চলে যাবেন। স্বপ্নের দেশ ইউরোপীয় কান্ট্রি জার্মানিতে। সফলতার বার্তা নিয়ে আসেন এটাই আমাদের লক্ষ। এরকম সফল আর্টিকেল পেতে আমাদের ওয়েবসাইটটি ফলো দিয়ে শেয়ার করে দিবেন। আর প্রতিদিন একবার হলেও আমাদের ওয়েবসাইটে ভিজিট করবেন। আজকের মত এ পর্যন্ত শেষ করছি। আল্লাহ হাফেজ। 

    এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

    পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
    এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
    মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

    আপনি সফল ব্লগে নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

    comment url