Google এডসেন্স থেকে কত টাকা আয় করা যায়

 আপনি কি? গুগল এডসেন্স থেকে কত টাকা আয় করা যায়, এবং আয় করার উপায় ও অ্যাকাউন্ট তৈরির নিয়ম সম্পর্কে জানতে চাচ্ছেন, তাহলে আর্টিকেলটি শেষ পর্যন্ত মনোযোগ সহকারে পড়ুন।

Google-এডসেন্স-থেকে-কত-টাকা-আয়-করা-যায়
গুগল এডসেন্স থেকে কত টাকা আয় হয় ।এবং গুগল এডসেন্স কি ।সত্যিই কি প্যাসিভ ইনকাম করা সম্ভব। এবং google এডসেন্স থেকে কিভাবে ইনকাম করা যায়। আজকের আর্টিকেলে এই নিয়ে থাকছে, বিস্তারিত আলোচনা।

পেজ সূচিপত্রঃ Google এডসেন্স থেকে কত টাকা আয় করা যায় জানুন।

Google এডসেন্স থেকে আয়

Google এডসেন্স থেকে কত টাকা আয় করা যায়। এটা সঠিকভাবে বলা একদম মুশকিল। এর সহজ উত্তর হল নির্দিষ্ট কোন পরিমান নেই। একজন প্রকাশকের আয় নির্ভর করে ওয়েবসাইটের আসা ভিজিটের সংখ্যা ভিজিটরের দেশ কন্টেনের বিষয় বিজ্ঞাপনের চাহিদা এবং পাঠকের সম্পৃক্ততার উপর ভিত্তি করে। যারা নতুন ব্লগার তারা শুধু প্রচুর আর্টিকেল প্রকাশ করে থাকে। এবং মনে করে অনেক বেশি আয় হবে। সত্যি কি তাই। সত্য হলো এটাই  বাস্তবে উচ্চমানের কনটেন্ট ও অর্গানিক ট্রাফিক আনা। যেসব ওয়েবসাইটে সার্চ ইঞ্জিন বেশি হয়। এবং নিয়মিত ভিজিটর আসে আর পাঠক দীর্ঘ সময় অবস্থান করে, youtube এর ভিতর ভিডিও দেখবে।

Google এডসেন্স থেকে কত টাকা আয় হয়। আপনার ওয়েব সাইটে যত ভিজিটর নিয়ে আসতে পারবেন, তত পরিমাণে ইমপ্রেস বাড়বে এবং ক্লিকও বাড়বে। সেসব সাইডে সাধারণত বিজ্ঞাপনের পারফরম্যান্স ভালো হয়। এসব ওয়েবসাইট থেকে ভালো মানের একটা অ্যামাউন্ট আশা করা যায়। গুগল এডসেন্স থেকে কত টাকা আয় করা যায়। এটা কন্টেন্টের উপর নির্ভর করে। প্রযুক্তিগত ফিন্যান্স স্বাস্থ্য শিক্ষা সফটওয়্যার এবং ব্যবসা সম্পর্কে অনেক বিষয় বিজ্ঞাপন দাতাদের আগ্রহ বেশি থাকায় এসব ক্ষেত্রে সিপিসি অন্যান্য কন্টেনের তুলনায় বেশি থাকে, শুধু আয়ের হিসাব না করে। আপনি যদি নির্ভুল ও স্বাস্থ্যসম্মত তথ্য দিতে পারেন। সেটাই অগ্রাধিকার পাবে।
 
আয় বাড়ানোর কার্যকারী উপায় গুলোর মধ্যে নিয়মিত মানসম্মত আর্টিকেল প্রকাশ করা আর্টিকেলটি মোবাইল ফ্রেন্ডলি হতে হবে দ্রুতগতির ওয়েবসাইট ব্যবহার করতে হবে। এসিও অনুসরণ করে কন্টেন তৈরি করতে হবে গুগলের নীতিমালা মেনে চলতে হবে। অবৈধ ক্লিক কৃত্রিম ট্রাফিক ও সীমালংঘন করলে ওয়েবসাইট টিন ঝুঁকির মধ্যে পড়বে। এক কথায় বলা যায়, এখান থেকে আয়ের কোন হিসাব রাখতে পারবেন না। কোন মাসে হাজার হাজার ডলার ইনকাম করতে পারবেন। মূল কথা সফলতা উৎকৃষ্টতার মূল চাবিকাঠি হলো ধৈর্য। এসইও কৌশল এবং দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার মাধ্যমে সফলতা অর্জন সম্ভব।

আপনি যদি ভাল কোয়ালিটির কনটেন্ট ও ভিডিও এডিটিং তৈরি করতে পারেন তাহলে ট্রাফিক এবং ইন্টারেস্ট ক্লিক বাড়বে সিটি আর বাড়বে হলে কোয়ালিটি ফুল ট্রাফিক আসবে মানে হচ্ছে,

 ট্রাফিকরা যত বেশি ইন্টারেস্ট এবং ক্লিক ও বেশি, এর সাথে সিটিয়ার বাড়বে। আপনার ইনকাম বাড়ানোর জন্য হাই কোয়ালিটির ট্রাফিক নিয়ে আসতে হবে। এবং ভালো কোয়ালিটির ভিডিও বা কনটেন্ট প্রেজেন্ট করতে হবে। ওয়েবসাইটে সিপিসি সাথে ক্লিকের মাধ্যমে বেশি ডলার ইনকাম করা যায়। এখন আপনাকে ভালোভাবে কন্টেন উপস্থাপনা করতে হবে, এর মাধ্যমে কত টাকা আই ইনকাম করা হয়। তার কোন নির্দিষ্ট সীমা নেই। 

গুগল এডসেন্স কি

গুগল এডসেন্স হলো প্যাসিভ ইনকামের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। বাংলায় আর্টিকেল লিখে এবং ভিডিও এডিটিং করে, এড দেখানোর মাধ্যমে, গুগল যে আয় ইনকাম করে দেয় ,সেটাই হচ্ছে গুগল এডসেন্স। মাসে কি পরিমাণ ইনকাম হয়। কোয়ালিটি ফুল কন্টেন্ট হলে দশ ডলার থেকে শুরু করে হাজার হাজার টাকা ইনকাম করতে পারবেন। নিচে সম্ভাব্য একটি google এডসেন্স আয়ের তালিকা তুলে ধরা হলো চলুন জেনে নেওয়া যাক,                   

ক্রমিক নাম্বার ছোট ব্লগ মাজারি ব্লগ বড় ব্লগ
০১ ১ হাজার ভিউ ৫০ হাজার ভিউ এক লাখ প্লাস ভিউ
০২ ৫ থেকে ১৫ ডলার ২৫ থেকে ৮০ ডলার ১০০ থেকে ৩০০ ডলার
০৩ ইউএসএ ট্রাক্টিক ৫০ থেকে ২০০ ডলার ২৫০ থেকে ১০০০ ডলার ১০০০ থেকে ৪ হাজার ডলার

গুগল এডসেন্স এর কার্যক্রম কি

গুগল এডসেন্স থেকে কত টাকা আয় হয়। এসব প্রশ্ন অনেকেরই মনের ভিতর আসে। আর কিভাবে গুগল এডসেন্সে টাকা ইনকাম করা যায় ,সে বিষয়ে এখন বলব। google এডসেন্স হলো অনলাইনে একটি এডভাইসড পরিষেবা সেবা ।সেবাটি গুগল কোম্পানিদের কাছ থেকে নিয়ে  আর্টিকেল রাইটিং এবংভিডিও এডিটিং এর মাধ্যমে প্রচার-প্রচারণাই করা হয়। এ কাজে যে ইনকাম হয় ,ইনকামের কিছু অংশ কেটে নিয়ে প্রায় ২০% গুগল নিবে এবং আশি পার্সেন্ট কনটেন্ট ক্রিয়েটরএবং ভিডিও এডিটিং এর যারা কাজ করেন তাদেরকে দিবেন। আর এ ইনকাম কে প্যাসিভ ইনকাম বলা হয়। এটাই গুগল এডসেন্সের প্রধান কার্যক্রম, যা গুগল অ্যাডসেন্স নামে পরিচিত।

আরো পড়ুনঃডিপোজিট ছাড়া ইনকাম করার ২০টি অ্যাপস

গুগল এডসেন্সের সুবিধা সমূহ

Google এডসেন্সের নানা রকমের সুবিধা আছে। নিম্নে সুবিধাগুলো বর্ণনা করা হলো।

সহজ ভাবে ব্যবহার

Google এডসেন্সের সুবিধা যেগুলো আছে, তার মধ্যে গুগল এডসেন্সের ব্যবহার করা। খুবই সহজ পদ্ধতি। ওয়েবসাইটের কোডের মধ্যে এডসেন্সের একটি কোড বসিয়ে দিলে এটার এড সহজেই চালু হয়ে যাবে। এবং এখান থেকেই ইনকাম শুরু হয়ে যাবে।

বিজ্ঞাপন সহজ ভাবে পাওয়ার লক্ষ্যে

 ওয়েব সাইটের কন্টেন্টের সাথে মিলিয়ে ওই বিজ্ঞাপন গুগল দিয়ে থাকে। যেসব বিজ্ঞাপন গুলো দেওয়া হয় সেগুলো হল টেক্স বিজ্ঞাপন ভিডিও বিজ্ঞাপন এবং ডিসপ্লে বিজ্ঞাপন। এবং এই বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে গুগল আই ইনকাম করে থাকে। এগুলোর দ্বারা গুগল এডসেন্সের বিজ্ঞাপন দিয়ে থাকে।

সমন্বয় বিজ্ঞাপন প্রদর্শন

ওয়েবসাইটে সাথে এডসেন্সের যে মিল আছে। সেভাবে সমন্বয় বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করে google এডসেন্স এড দেখিয়ে ইনকাম করে থাকে। যে কনটেন্ট আর্টিকেল লেখা হয়, সে আর্টিকেল অনুযায়ী বিজ্ঞাপন প্রক্রিয়া ওয়েবসাইটে দেখানো হয়। এটাই হচ্ছে সমন্বয় বিজ্ঞাপন প্রদর্শন।

Google-এডসেন্স-থেকে-কত-টাকা-আয়-করা-যায়

বিশ্বাসের সাথে পেমেন্টের ব্যবস্থা

বিশ্বাসের সাথে পেমেন্টের ব্যবস্থা আছে। এই গুগল এডসেন্সের এর প্রথম কারণ হলো, google যে কোম্পানি থেকে এডটি নিয়ে থাকে। এ  পেমেন্ট গুগল অগ্রিম পেয়ে থাকে এজন্য কনটেন্ট ক্রিয়েটার দের বিশ্বাসের সাথে পেমেন্ট করে থাকে। এটি হচ্ছে গুগল এডসেন্সের অন্যতম সুব্যবস্থা , যা ক্রেটারদের আরো বেশি বেশি কনটেন্ট লিখতে ভিডিও এডিটিং করতে উৎসাহ প্রদান করবে।

রিপোর্ট প্রদানের প্রক্রিয়া গুগল এডসেন্সের

ওয়েবসাইটের বা ভিডিও এডিটিং এর মনিটাইজেশনের যে সমস্ত রিপোর্টগুলো আছে। এবং সিটিআর ক্লিক কম্প্রেসার এসবের যে রিপোর্টগুলো আছে। এগুলো কনটেন্ট রাইটারদের এবং ভিডিও এডিটরদের আরো কাজের গতি বাড়িয়ে দেয়। এজন্য  রিপোর্টগুলো গুগল এডসেন্স দিয়ে থাকে। যাতে করে আরো জোর গতিতে কাজ করিয়ে আয় ইনকামের গতি বৃদ্ধি হয়।

কি পরিমান ইনকাম গুগল এডসেন্সের হয়

গুগল এডসেন্সের প্রতি বছরে ১০ লক্ষ করে ভিডিও এডিটিং থেকে শুরু করে কন্টেন রাইটিং এবং ভয়েস রেকর্ডিং এ কাজ করে থাকে। এখান থেকে প্রায় কোটি কোটি টাকা ইনকাম করে অনলাইনের মাধ্যমে । এর সাথে গুগল ২০% হারে ইনকাম করে থাকে এটাই হচ্ছে গুগল এডসেন্সের ইনকামের সোর্স।

আরো পড়ুনঃ ফাইবারে কোন কাজের চাহিদা বেশি এ সম্পর্কে জেনে নিন

গুগল একাউন্ট খোলার পদ্ধতি

সঠিক এবং আসল তথ্য প্রদান

গুগলে এডসেন্স পাওয়ার জন্য আপনাকে সম্পূর্ণভাবে সঠিক তথ্য প্রদান করতে হবে।এর সাথে আসল তথ্য দিতে হবে এবং তথ্যগুলো স্থায়ী ঠিকানায় হতে হবে।

সঠিক জিমেইল প্রদান করা

আপনি যে জিমেইল দিয়ে একাউন্ট ক্রিয়েট করেছেন। একই জিমেইলে গুগল এডসেন্স পাওয়ার জন্য  ব্যবহার করতে হবে। একই জিমেইল মোবাইল এবং ডেস্কটপ বা ল্যাপটপে সেটআপ দিয়ে রাখতে হবে ।

সাইন আপ করতে হবে

যে জিমেইল দিয়ে আপনার গুগলে প্রবেশ করেন,সেম একই জিমেইল দিয়ে আপনাকে একাউন্ট ক্রিয়েট করতে হবে সেটা হোক আপনার ভিডিও এডিটিং বা কন্টেন রাইটিং ।এর পরে আপনাকে সাইন আপ করতে হবে।যার মাধ্যমে আপনি অ্যাকাউন্ট খুলতে পারবেন ।

টু স্টেপ ভেরিফিকেশন নাম্বার

টু ভেরিফিকেশন নাম্বার দিয়ে গুগলের লক কে আনলক করতে হবে। এবং আইডি দিয়ে গুগলে জিমেইল সাইন ইন করতে হবে ।

একাউন্টের প্রকারভেদ

একাউন্টের প্রকারভেতের মধ্যে বলা যায় যে, নিজের একটা অ্যাকাউন্ট এবং কোম্পানির একটি অ্যাকাউন্ট। তবে দুই অ্যাকাউন্টে নিজের এনআইডি কার্ড ব্যবহার করতে হবে।

ব্যক্তিগত একাউন্ট

গুগল এডসেন্স থেকে কত টাকা আয় হয়। এ বিষয়ে যে অ্যাকাউন্ট খোলা লাগে সেটা ব্যক্তিগত একাউন্ট হলে ভাল হয়। তা নাহলে আপনার পরবর্তীতে বিভিন্ন রকমের সমস্যা করতে পারেন।

স্থায়ী ঠিকানা

গুগল এডসেন্স ক্রিয়েটর যারা হবেন তাদের অবশ্যই স্থায়ী ঠিকানা দেওয়া বাধ্যতামূলক। নয়তো google এডসেন্সের জন্য বিভিন্ন রকমের সমস্যা করতে পারেন। পরবর্তীতে অ্যাকাউন্ট বাতিল হয়ে যেতে পারে ।

লিংক অ্যাড করা

গুগল এডসেন্স ভেরিফিকেশন একাউন্ট খুলতে হলে, আপনাকে যে লিংক দেওয়া হবে। সেই লিংটি অবশ্যই গুগল অ্যাডের সাথে সংযোগ করে দিতে হবে।

টাইম জোন ঠিক রাখা

Google এডসেন্সের এড দেখানোর জন্য তার আগে আপনাকে অ্যাকাউন্ট খুলে টাইম জনের সাথে মিলিয়ে রাখতে হবে। এতে করে বাংলাদেশের টাইমের সাথে  অন্য দেশের টাইম মিলিয়ে, যদি এডসেন্সের একাউন্ট খুলেন। তাহলে পরবর্তীতে আপনার অ্যাকাউন্ট র‍্যাংকিংয়ে ভালো পজিশনে থাকবে।

গুগল এডসেন্স পেমেন্ট এর নিয়ম

এপিসি অর্থাৎ ইঞ্জিন পার ক্লিক আর সিপিসি অর্থ হল cost পার ক্লিক ৬৮ পার্সেন্ট প্রায় ।পাবলিক কন্টেন্ট পাবলিস্ট করার ক্ষেত্রে আপনাকে রেগুলার হতে হবে ।এক্ষেত্রে আপনার ক্লিক বাড়বে এখান থেকে আপনার আয় ইনকাম বাড়বে।
যখনই আপনার সিটিআর ইমপ্রেস ক্লিক বাড়বে এর সাথে সাথে google এডসেন্স পাওয়া জন্য পানির মতো সহজ হয়ে যাবে ।এখান থেকে আপনার ইনকামের রাস্তা শুরু হবে সেটা হোক কন্টেন অথবা ভিডিও এডিটিং এর মাধ্যমে ।

Google-এডসেন্স-থেকে-কত-টাকা-আয়-করা-যায়

প্রশ্নোত্তর পর্ব

এডসেন্সের পেমেন্ট কিভাবে পাব

  • এডসেন্সের পেমেন্ট পাওয়ার জন্য আপনাকে ব্যাংক একাউন্টের ওয়েব টেনেসফার এর মাধ্যমে পেমেন্ট সম্পূর্ণ করতে হবে
  • এডসেন্স পেমেন্টের কোন ব্যাংক উল্লেখিত ভাবে ভালো
  • অ্যাডসেন্স পেমেন্ট এর জন্য উল্লেখিত ব্যাংকগুলো হচ্ছে
  • ডাচ বাংলা ব্যাংক
  •  ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড
  • ইনস্টান ব্যাংক
  • সিটি ব্যাংক এবং 
  • প্রাইম ব্যাংক লিমিটেড 

এই ব্যাংকের মাধ্যমে ডুয়েল কারেন্সি কার্ডে পেমেন্ট নিতে পারেন

উপসংহার

গুগল এডসেন্স থেকে কত টাকা আয় হয়। এ বিষয়ে আমরা উপরের কনটেন্ট থেকে জানতে পেরেছি যে, একজন ব্যক্তি অনলাইন ইনকামের মাধ্যমে সঠিক ভাবে তার নিজস্ব কার্যক্রম চালিয়ে যায় ।তাহলে ঐ ব্যক্তি মাসে প্রায় লক্ষাধিক টাকা আয় করতে সক্ষম হবে ।আর আমরা যারা নতুন তারা এই আর্টিকেল পড়ে বসে না থেকে ইনকাম করে সংসার এবং নিজেকে স্বাবলম্বী করে গড়ে তুলি ।

অবশেষে বলা যায় যে গুগল এডসেন্স থেকে কত টাকা আয় হয়। এটা কেউই কখনোই সঠিকভাবে বলতে পারবে না, বলাও মুশকিল হবে ,কারণ যার যত কনটেন্ট এবং ভিডিও এডিটিং ভালো তার ভিজিটর বেশি আসবে। আমাদের ওয়েবসাইটে নতুন ও তথ্যবহুল আর্টিকেল প্রকাশ করা হয়। এমন সুন্দর আর্টিকেল পেতে এই ওয়েবসাইটে প্রতিদিন একবার হলেও ভিজিট করুন। আজকের আর কথা নয়, আপনাদের সুস্বাস্থ্য কামনা করে, দীর্ঘ ক্যারিয়ার গড়ার প্রত্যাশা রেখে, এখানেই শেষ করছি। আল্লাহ হাফেজ।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

আপনি সফল ব্লগে নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url