হলিউড পাহাড় টেকনাফ কক্সবাজার এক অপূর্ব সৌন্দর্যের লীলাভূমি ভ্রমণ গাইড

 আমরা আজকের আর্টিকেলে হলিউড পাহাড়, টেকনাফ কক্সবাজার: এক অপূর্ব সৌন্দর্যের লীলাভূমি ভ্রমণ গাইড সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব। নিচে মনোযোগ সহকারে পড়ে জেনে নিতে পারেন।

হলিউড-পাহাড়-টেকনাফ

হলিউড পাহাড় টেকনাফের নতুন ও আকর্ষণীয় পর্যটন স্পট।  পাহাড় ও সমুদ্রের  মিলন স্থল যা অপূর্ব সৌন্দর্যের লীলাভূমির দৃশ্য তৈরি করে পর্যটকদের কাছে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।

পেজ সূচিপত্রঃহলিউড পাহাড় , টেকনাফ কক্সবাজার:এক অপূর্ব সৌন্দর্যের লীলাভূমি   ভ্রমণ গাইড  সম্পর্কে জানুন

হলিউড পাহাড় টেকনাফ 

হলিউড পাহাড় টেকনাফ উপজেলার কক্সবাজার জেলার, এক পাশে মিয়ানমারের সীমান্ত সংলগ্ন এলাকা অন্য পাশে শাহপরী দ্বীপের মাঝামাঝি পাহাড়ি অঞ্চলে অবস্থিত। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে আনুমানিক ২৫০ থেকে ৩০০ ফিট উচ্চতায় এই পাহাড়ের অবস্থান। হলিউড পাহাড়ের উচ্চতা খুব বেশি না হওয়ার কারণে, চারপাশের খোলা প্রাকৃতিক দৃশ্য দর্শনার্থীদের কাছে বিশেষভাবে আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে।

হলিউড পাহাড় টেকনাফের একদিকে নীল বঙ্গোপসাগরের বিশাল বিস্তৃত নীল জলরাশি, অন্যদিকে নাফ নদী ও মায়ানমারের সীমান্ত ছোট ছোট পাহাড়কে করেছে সারিবদ্ধতা। এই পাহাড়ের চতুর্পাশ সবুজ বনায়ন ও ঝোপঝাড়, পাহাড় থেকে সূর্যাস্তের উপভোগ করার দৃশ্যটি অসাধারণ রোমাঞ্চকর ও মনোমুগ্ধকর। যার সৌন্দর্যের লীলাভূমে প্রতিটি পর্যটকদের কাছে সারাজীবন স্মরণীয় হয়ে থাকবে। এ কারণে জায়গাটিকে অনেকে প্রাকৃতিক ভিউ পয়েন্ট হিসেবে ডেকে থাকে।

হলিউড পাহাড় নামকরণের কারণ

হলিউড পাহাড়ের নামকরণের  পেছনে কিছু স্থানীয় মানুষ ও পর্যটকদের বিশেষ ভূমিকা আছে। এটি কোন সরকারি বা ঐতিহাসিক নাম নয়। এই পাহাড়ের নামকরণের পিছনে কিছু যৌত্তিক তথ্য তুলে ধরা হলো।

হলিউড পাহাড়ের প্রকৃতি সিনেমার দৃশ্যের মতো অপূর্ব সুন্দর পরিবেশ । এই পাহাড়ের চূড়া থেকে নীল বঙ্গোপসাগর ও নাফ নদী খোলা আকাশ এবং সবুজ পাহাড়ি প্রকৃতি এতটাই সুন্দর যে , অনেকে কাছে হলিউড সিনেমার লোকেশনের মত মনে হয়।

হলিউড পাহাড় ছবি এবং ভিউ পয়েন্টের জনপ্রিয়তা। এই পাহাড়ে দাঁড়িয়ে অনেক ভ্রমণ ব্লগ ইউটিউবার শর্ট রিল ফটোশুট করে থাকেন। পাহাড়ের উপর দাঁড়িয়ে তোলা ভিডিওগুলো দেখতে সিনেমার মতো লাগে, এজন্য বর্তমান প্রজন্ম এই জায়গাটির  হলিউড পাহাড় নাম দিয়েছে।

সূর্যাস্তের সিনেমাটিক ভিউ হলিউড পাহাড়ের মূল আকর্ষণ হল সূর্যাস্তের সময় ভিউ ।এ সময় আলো ছায়ার খেলা সমুদ্রের রং পরিবর্তন করে পাহাড়ের সবুজ বনায়ন সমুদ্রের গভীরে ধীরে ধীরে সূর্য অস্তমিত হওয়া। অপূর্ব সুন্দর্যের লীলাভূমি তৈরি করে, পর্যটকদের কাছে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকার মত দৃশ্য, দেখতে মনে হয় যেন ক্লাইম্যাক্স সিনেমার মতো। এজন্য এ নামের হলিউড পাহাড়ের ভূমিকা বিশেষভাবে খ্যাত অর্জন করেছে।

হলিউড পাহাড়ে যা দেখবেন

টেকনাফের হলিউড পাহাড়ে প্রকৃতি আপনাকে বহুরূপে মুগ্ধ করবে এ পাহাড়ের রূপের সৌন্দর্য নিচে পরিষ্কারভাবে বিস্তারিত তুলে ধরা হলো জেনে নিতে পারেন।

সাগরের বিশাল বিস্তার

হলিউড পাহাড়ের চূড়া থেকে বিশাল নীল সমুদ্র যেখানে আকাশ এবং পানি মিলন রেখা তৈরি যেন এক নিখোঁজ ছবির ফ্রেমে বাধা আছে। সেই সাথে প্রকৃতির নিয়মে সমুদ্রের বুকে ভেসে আসা ঢেউ শীতল স্পর্শ মনের গহীনে আনন্দের ছোঁয়া দিয়ে যায়। যা অন্যরকম অনুভূতি অনুভব করা যায়।যা মুখে বলে বোঝানো যাবে না।

আরো পড়ুনঃ চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়া 

সূর্যাস্তের অপূর্ব সৌন্দর্য

হলিউড পাহাড়ের মূল আকর্ষণ সূর্যাস্তের অস্থির সৌন্দর্যের লীলাভূমি বিকেলের দিকে এই পাহাড়ে উঠলে দেখা যায় । বিরাট আকাশে সূর্যের রং পাল্টিয়ে ধীরে ধীরে গভীর সমুদ্র হারিয়ে যাওয়ার দৃশ্য। এ সময়ের প্রতিটি মুহূর্তই অসম্ভব মানের সৌন্দর্য উপভোগ করা হয়।

নাফ নদীর সৌন্দর্য বিস্তার

পাহাড়ের গুরুত্বপূর্ণ সৌন্দর্যের মধ্যে অন্যতম সৌন্দর্য এক পাশ দিয়ে প্রবাহিত নাফ নদী।যার মায়ানমারের নিকটবর্তী হলিউড পাহাড় থেকে দূরবর্তী এই অঞ্চল স্পষ্টভাবে মায়ানমারের ওপেন ভিউ দেখা যায় । পাহাড়গুলো ওপারে বিশাল আরাকান রাজ্য, টেকনাফ মায়ানমারের মাঝ দিয়ে বয়ে গেছে নাফ নদী। এই নদী বাংলাদেশ এবং মায়ানমারের সীমানা নির্ধারণ করে। এই পাহাড় থেকে দেখা মিলবে রাখাইন জনগোষ্ঠীর জীবন যাপন পাহাড়ের আশপাশ দিয়ে দেখা যায় । তাদের ঘর বাড়িগুলো স্থানীয় মানুষের সহজ সরল জীবনধারা যা ভ্রমনকে আরও সার্থক করে তোলে।

পাহাড়ি পথ ও ট্রেইল

হলিউড পাহাড়ে হালকা ট্রাকিং  করে উপরের দিকে উঠতে হবে। সরু পাহাড়ি পথ বেয়ে মাটির ট্রেইল যেসব পর্যটকগণ অ্যাডভ্যাঞ্চার ভালোবাসেন তাদের জন্য দারুন এক অভিজ্ঞতার। দুই পাশে সবুজ গাছালি ঝোপঝাড়  নদী ও সমুদ্রের শীতল স্পর্শের বাতাসে কোন ক্লান্তি মনে হবে না, শুধুই আনন্দ উপভোগ করার মতো অনুভূতি তৈরি হবে।

হলিউড-পাহাড়-টেকনাফ

ফটোশুটের সেরা স্থান

হলিউড পাহাড়ে আকর্ষণের অন্যতম কারণ হলো ফটোশুট ভিডিও ব্লগিং ইত্যাদি। বর্তমান প্রজন্ম এই জায়গাটিকে এতটাই পছন্দ করে, তাদের ড্রোন শটগুলো পরিষ্কারভাবে নিতে পারে। যা অন্য কোথাও এমন সুস্পষ্টভাবে পিক পাওয়া যায়না। প্রাকৃতিক ফটোগ্রাফি সবগুলোই দারুন মানের হয়ে থাকে। পরিষ্কার নীলাভ আকাশ সমুদ্রের গর্জন পাখিদের ডাক অন্যপাশে প্রকৃতির নীরবতা সব মিলিয়ে বাড়তি আনন্দ দর্শনার্থীরা পেয়ে থাকে।

আরো দেখুনঃ কক্সবাজার চকরিয়া উপজেলার ইউনিয়ন কয়টি (১৮ টি ইউনিয়ন তালিকা সহ সম্পন্ন তথ্য)

হলিউড পাহাড়ে যাওয়ার সেরা সময় কখন

হলিউড পাহাড়ে যাওয়ার সেরা সময় হল নভেম্বর থেকে মার্চ মাস। এ সময়  পুরো সৌন্দর্য উপভোগ করা যায় ।এ সময় সবচেয়ে উপযুক্ত হওয়ার কারণ হলো আবহাওয়া শুষ্ক ও ঠান্ডা থাকে। আকাশ পরিষ্কার থাকে, ও তাদের জীবন যাপন স্পষ্ট ভাবে দেখা যায় ।টেকিং এর জন্য খুবই আরামদায়ক। বর্ষাকালে ভ্রমণ না করায় ভালো, এ সময় রাস্তা ঘাট পিচ্ছিল থাকে, আবহাওয়া বৈরী হয় । ভিউ পয়েন্টগুলো মেঘে ঢাকা থাকে। 

আপনি যদি শীতকালে হলিউড পাহাড়ে যেতে চান, তাহলে সকাল ছয়টা থেকে সকাল আটটার মধ্যে সেখানে পৌঁছে যাবেন। এই সময় পরিবেশ নীরব থাকে, পরিষ্কার আবহাওয়া দুরের পাহাড় গুলো ভালো দেখা যায়। গরম কম থাকে।

এবং বিকালে চারটা থেকে ছয়টার মধ্যে পৌঁছে যাবেন। আকাশ পরিষ্কার থাকে, পাখির ডাক উপভোগ করা যায়, সূর্যাস্তের আলোয় ভিউ সবচেয়ে সুন্দর দেখায়।

হলিউড পাহাড়ে কিভাবে যাবেন 

হলিউড পাহাড় যাওয়ার জন্য সবচাইতে সহজ রুট হল আকাশ পথ । ঢাকা থেকে সরাসরি বিমান পথে কক্সবাজার বিমানবন্দর যেতে হবে। এখান থেকে মাইক্রো কিংবা সিএনজিতে দুই থেকে তিন ঘন্টা সময় নিয়ে টেকনাফ পৌঁছে যাবেন।

ঢাকা থেকে কক্সবাজারের বিমানের ভাড়া ৪ হাজার থেকে ছয় হাজার টাকা সুপার সেভার মাঝারি ভাড়া ৬০০০ থেকে ৮ হাজার টাকা

বিজনেস প্রিমিয়ার ক্লাস ৭০০০ থেকে ১০ হাজার টাকা

যেতে সময় লাগে ১ ঘন্টা ২০ মিনিট।

সড়ক পথ

এছাড়াও আপনার চাইলে সড়ক পথে যেতে পারেন ঢাকা থেকে সরাসরি কক্সবাজার রুটে অনেকগুলো বাস চলাচল করে তার মধ্যে

সৌদিয়া পরিবহন

শ্যামলী পরিবহন

গ্রীন লাইন পরিবহন

হানিফ পরিবহন

সেন্টমার্টিন পরিবহন

ঢাকা থেকে কক্সবাজার পৌঁছাতে মোট ১২ ঘন্টা থেকে ১৪ ঘন্টা সময় লাগে কক্সবাজার থেকে টেকনাফ যেতে দুই থেকে তিন ঘন্টা সময় লাগে।

বাসে ভাড়া লাগে নন এসি ১০০০ থেকে ১২০০ টাকা এবং এসি বাসের ভাড়া ১২০০ থেকে ১৮০০ টাকা লাগজারী সুপার স্লিপার ২০০০ থেকে ২৫০০ টাকা পর্যন্ত ভাড়া হয়ে থাকে।

কক্সবাজার বাস টার্মিনারে নেমে উখিয়াতে যাওয়ার পরে, সেখান থেকে টেকনাফ যেতে হবে। আপনাকে সিএনজি বা অটো রিস্কা চড়ে হলিউড পাহাড়ের নিচে নামিয়ে দেবে। এখান থেকে ট্রেইল  শুরু হবে ১৫ থেকে ২০ মিনিটের পাহাড়ি রাস্তা। আপনি চাইলে গাইড নিয়েও যেতে পারেন।

আরো পড়ুনঃ মিলনছড়ি ভিউ পয়েন্ট বান্দরবান: পাহাড় ও মেঘের নৈসর্গিক সৌন্দর্যের মিলনস্থল 

সহজ রুট ঢাকা-কক্সবাজার-টেকনাফ-উখিয়া-হলিউড-পাহাড়

হলিউড পাহাড়ে টেকনাফের কোথায় থাকবেন

হলিউড পাহাড়ের আশেপাশে সরাসরি কোন থাকার রিসোর্ট বা হোটেল নেই তাই টেকনাফ কিংবা কক্সবাজার শহরে থাকতে পারেন টেকনাফে থাকার জন্য কিছু জায়গা হোটেল আছে সেখানে থাকতে পারেন।

টেকনাফে ভালো মানের গেস্ট হাউস রয়েছে, আবার হোটেলে রয়েছে , সেখানে থাকতে পারেন ।এবং লোকাল বডিং হাউজও আছে সেখানে থাকতে পারবেন । অন্যান্য জায়গা চাইতে তুলনামূলক ঘর ভাড়ার খরচ কম হবে ।

লোকাল গেস্ট হাউস এক হাজার থেকে দুই হাজার টাকার মধ্যে পাবেন।

মাঝারি মানের হোটেল বা রিসোর্ট দুই হাজার থেকে ৪৫০০ টাকার মধ্যে হবে

মাঝারি হোটেল গুলো হল হোটেল নীল টন এসি এবং নন এসি উভয়ই রুম পাওয়া যায়

মিল্ক রিসোর্ট ২০০০ থেকে ৪ হাজার টাকার মধ্যে পাবেন ভালোমানের সুবিধা

ভালো মানের হোটেল নিতে হলে ৪০০০থেকে ৮ হাজার টাকা পর্যন্ত ভাড়া লাগবে টেকনাফ উপকূলে থাকার সুব্যবস্থা আছে ।

হলিউড পাহাড় ভ্রমণে কোথায় খাবেন 

হলিউড পাহাড় ভ্রমণের পর খাওয়ার জন্য টেকনাফে কিছু খাবার হোটেল আছে , সেখানেও খেতে পারেন। টেকনাফ শহরে ১৫ থেকে ২০ মিনিট পরপর টেকনাফের গাড়ি পাওয়া যায় । এখানে সি বিচ রেস্টুরেন্ট নামে খাবারের হোটেল আছে । আবার বুলু হিল ক্যাফে চা কফি হালকা খাবার স্যান্ডউইচ খাবার পাওয়া যায়। এছাড়া টেকনাফ বাজারে প্রচুর পরিমাণে ছোটখাটো খাবারের হোটেল আছে এসব হোটেলে খেয়ে নিতে পারেন। এসব হোটেলে পাওয়া যায়,

ভাত

মাছ

মুরগি

মাংস

ডাল

সবজি তরকারি

আলুর ভর্তা ও ভাজি পাওয়া যায়

ছাড়া এখানে হোমেস্ট রিসোর্ট আছে সেখানেও খেতে পারেন বাঙ্গালী খাবার সি ফুড মেনু দেওয়া থাকে পছন্দমত খাবার খেতে পারেন

বিচ ভিউ রেস্টুরেন্ট এ ২০০ থেকে ৪০০ টাকায় দুপুরে খাবার হয়ে যায় লোকাল হোটেলে ১৫০ থেকে ৩০০ টাকার ভিতরে খাবার হয়ে যায়

ফাস্টফুডের ভিতর ১০০ থেকে ১৫০ টাকার মধ্যে খাওয়া হয়ে যায়

সফট ড্রিংক ২৫ থেকে ৬০ টাকার ভিতরে

হলিউড পাহাড় ভ্রমণে সঙ্গে যা নিবেন

হলিউড পাহাড় ট্যুরে গিয়ে যেসব জিনিস সঙ্গে না নিলেই নয় তার একটি তালিকা তুলে ধরা হলো

জলপানি অন্তত এক থেকে দুই লিটার প্রতি মানুষের জন্য

হালকা খাবার চকলেট বাদাম স্যান্ডউইচ ফুড।

ক্যাপ টুপি রোদ থেকে  রক্ষার জন্য

সানস্ক্রিন লোশন

ব্যাকপ্যাক

মোবাইলের পাওয়ার ব্যাংক

রেনকোট

ক্যামেরা বা স্মার্টফোন

আরামদায়ক জুতা

হালকা জামাকাপড়

মশা নিরোধক স্প্রে

হ্যান্ড স্যানিটাইজার

জিপিএস ফোনে সেট করা 

নগদ টাকা

হলিউড পাহাড়ের আশেপাশে দর্শনীয় স্থান

প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও পাহাড়

হলিউড পাহাড়ের চূড়া ভ্রমণ

টেকনাফ সমুদ্রঃসৈকত ২০ থেকে ৩০ মিনিটের রাস্তা সাদা নরম বালির ছোঁয়া মায়ানমারের সীমান্ত পর্যন্ত মনোরম দৃশ্য উপভোগ করা

নাফ নদী পয়েন্টঃনৌকা ভ্রমণের জন্য প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগে নাফ নদী পয়েন্ট বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য

কক্সবাজার পাহাড়ি এলাকা ট্রাকিং

সাঙ্গুয়া বনাঞ্চল

লাউসা পাহাড়

পাহাড়ি ঝরনা ও পুল

স্থানীয় উষ্ণগ্রাম 

ফটোগ্রাফি স্টপ

সানসেট পয়েন্ট ।

হলিউড-পাহাড়-টেকনাফ


সম্ভাব্য প্রশ্ন উত্তর পর্ব

হলিউড পাহাড় সম্পর্কে কিছু প্রশ্ন উত্তর পর্ব তুলে ধরা  হলো প্রয়োজনের জেনে নিতে পারেন যা ভ্রমণের জন্য বিশেষ ভূমিকা পালন করবে

প্রশ্নঃ হলিউড পাহাড় কোথায় অবস্থিত

উত্তরঃ টেকনাফ উপজেলার কক্সবাজার জেলার দক্ষিণ প্রান্তে অবস্থিত

প্রশ্নঃপাহাড়ে যাওয়ার সেরা সময় কখন

উত্তরঃশীতকাল নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি মাস

প্রশ্নঃপাহাড়ে কিভাবে যাবেন

উত্তরঃটেকনাফ শহর থেকে রিক্সা ও সিএনজি করে হলিউড পাহাড় যাওয়া যায় বিকল্প হিসেবে প্রাইভেট কারে করে সহজে পৌঁছানো যায় এখান থেকে টেকিং করে পাহাড়ে পৌঁছাতে হয়।

প্রশ্নঃপাহাড়ে থাকার ব্যবস্থা কি হবে

উত্তরঃসরাসরি পাহাড়ের বড় হোটেল নেই আশেপাশের টেকনাফ শহরে থাকতে পারেন

প্রশ্নঃপাহাড়ে কি কি খাবার পাবেন

উত্তরঃপাহাড়ে বড় রেস্টুরেন্ট নেই তবে হালকা নাস্তা করার জন্য খাবার সঙ্গে নিয়ে যেতে হবে

প্রশ্নঃপাহাড়ে নিরাপত্তা কেমন

 উত্তরঃট্রেইল সাধারণত নিরাপদ তবে বর্ষাকালে গেলে সতর্কতার সাথে চলাফেরা করতে হবে

প্রশ্নঃসঙ্গে কি কি নেওয়া দরকার

উত্তরঃপানি হালকা খাবার সানগ্লাস সানস্ক্রিন মোবাইল পাওয়ার ব্যাংক হালকা জামাকাপড় আরাম দেখ জুতা ইত্যাদি

প্রশ্নঃজনপ্রতি কত খরচ হতে পারে

উত্তরঃটেকনাফ থেকে জনপদে থাকা খাওয়া টোটাল খরচ হতে পারে ১৫০০ টাকা লোকাল বাজেটে।

আরো দেখুনঃ মানিকগঞ্জ জেলার সেরা পাঁচটি দর্শনীয় স্থান ও ভ্রমণ গাইড

উপসংহার

আজকের আর্টিকেলে আমরা হলিউড পাহাড় টেকনাফ যাওয়ার উপায় সম্পর্কে সম্পূর্ণ সঠিক তথ্য দিয়ে আলোচনা করেছি । আশা করছি বুঝতে পেরেছেন। এর পরও যারা বিভিন্ন প্রশ্নের সম্মুখীন হবেন , তারা আমাদের কমেন্ট বক্সে জানিয়ে দিবেন। আমরা প্রশ্নের উত্তর দিয়ে উপকৃত হব।

হলিউড পাহাড় আর্টিকেলটি , যদি আপনাদের কাছে পছন্দ হয়ে থাকে। তাহলে আপনাদের আত্মীয়-স্বজনের নিকট শেয়ার করে দিবেন ।নতুন আর্টিকেল পাওয়ার জন্য  আমাদের ওয়েবসাইট দিয়ে ফলো দিয়ে রাখবেন ।এতখন আমাদের সঙ্গে থাকার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। আপনাদের শারীরিক সুস্থতা কামনা করে , আজকের মত এখানে শেষ করছি ধন্যবাদ। খোদা হাফেজ।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

আপনি সফল ব্লগে নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url