বাতব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়ার ২০টি ঘরোয়া উপায় ও লক্ষণ
আপনি কি? বাত ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়ার কিছু ঘরোয়া উপায় খুঁজছেন। এটি একটি অস্থি সন্ধির গুরুত্বর সমস্যা। দ্রুত মুক্তি পাওয়ায় যা করণীয়, এক নজরে জানুন।
বাতব্যথা একটি প্রদাহ জনিত ব্যথা রোগ। এ ব্যথার বিভিন্ন কারণ আছে। তারমধ্যে দুইটি প্রকার ব্যথার উপসর্গ মানুষের দেহে বসবাস করে। বাতব্যথা মুক্তি লাভের উপায় সম্পর্কে আর্টিকেল পড়ুন।
পেজ সূচিপত্রঃ বাতব্যাথা থেকে মুক্তি পাওয়ার ঘরোয়া উপায় এবং এর লক্ষণ সম্পর্কে জানতে পড়ুন।
- বাত ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়ার ঘরোয়া উপায়
- বাত ব্যথা কি
- বাত ব্যথার প্রকারভেদ
- জলজ ব্যয়ামের মাধ্যমে বাত ব্যথার মুক্তি
- বাতব্যথা থেকে মুক্তির জন্য ওজনের ব্যবস্থাপনা
- তাপ ও ঠান্ডা চিকিৎসায় বাতের ব্যথার মুক্তির উপায়
- বাত ব্যথা মুক্তির জন্য যোগব্যায়াম এর উপকারিতা
- বাত ব্যথায় তাই চি র ভূমিকা
- বাত ব্যথায় ওমেগা -৩ ফ্যাটি অ্যাসিড এর কার্যক্রম ক্ষমতা
- বাতব্যথা থেকে মুক্তির জন্য আকুপাংচার ব্যবহার
- সাময়িক চিকিৎসায় বাত ব্যথার মুক্তি উপায়
- বাতব্যথা থেকে মুক্তির জন্য মাইন্ড ফুলনেস মেডিটেশন
- বাতব্যথা চিকিৎসায় মেসেজ থেরাপি ঘরোয়া উপায়
- বাত ব্যথা থেকে মুক্তির জন্য প্রগতিশীল পেশি শিথিলী করন
- বাত ব্যথা থেকে মুক্তির জন্য হলুদের ভূমিকা
- বাত ব্যথার জন্য গরম পোশাক ব্যবহার
- বাত ব্যথা মুক্তির জন্য ভিটামিন ডি এর কার্যক্ষমতা
- বাত ব্যথায় গ্রিন টি এর ভূমিকা
- বাত ব্যথার মুক্তির জন্য সাইটাস জাতীয় ফল
- ভিটামিন সি খেতে হবে
- বাত ব্যথা থেকে মুক্তির জন্য নিশিন্দা পাতার ভুমিকা
- বাত ব্যথায় নিষিদ্ধ খাবার সমূহ
বাত ব্যথা থেকে মুক্তি
বাত ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়ার ঘরোয়া উপায় এর মধ্যে যে সমস্ত উপায় গুলো আছে। তার মধ্যে অন্যতম হলো সুষম খাবার,এ বং শারীরিক পরিশ্রম নিয়মমাফিক ব্যায়াম, ফুলে যাওয়া স্থানে গরম এবং ঠাণ্ডার সেক দেওয়া। মারিংগা আছার খাওয়া ওমেগো থ্রি খাবার খাওয়া ওজন কমানো। এছাড়াও প্রকৃতির সাথে মিশে থাকা কিছু উপায় আছে। যে গাছ-গাছরা বাতব্যথা থেকে মুক্তি মিলে। গাছ আমাদের পরিবেশকে যেমন রক্ষা করে তেমনি আমাদের বিভিন্ন অসুখ সারিয়ে থাকে ভেষজ ওষুধ হিসাবে। বাতব্যথায় ঘরোয়া উপায়ে গাছের চিকিৎসা কথা বলা হলো। এছাড়া অবশ্য আপনাকে অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
আরো পড়ুনঃআদার উপকারিতা ও খাওয়ার নিয়ম জানুন
বাত ব্যথা কি
বাত ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য আপনাকে প্রথমে জানতে হবে বাত ব্যথার কি। এবং কিভাবে এটি দেহের মধ্যে বংশবিস্তার করে। বাতব্যথা হল একপ্রকার জয়েন্টের এবং সমস্ত শরীরের মেরুদন্ডের ব্যথা। এটাই মূলত বাত ব্যথার প্রধান কারণ হিসেবে ধরা যায়। বাত ব্যাথার কি কি প্রকরণ আছে, সে সম্পর্কে বলা হলো।
বাত ব্যথার প্রকারভেদ
বাতব্যথা প্রকৃতপক্ষে অনেক প্রকারের হয়। শিশু থেকে বৃদ্ধ সকল বয়সেরই বাতব্যথা হয়। এ ব্যথা উপশমের প্রক্রিয়াগুলো আছে, এ সম্পর্কে চলুন জেনে নেওয়া যাক।
বাত ব্যথা মূলত দুই প্রকার
- জয়েন্টে ব্যথা করা বা অস্টিও আর্থারাইটিস
- মেরুদন্ডে ব্যথা করা বা রিমিটয়েড আর্থারাইটিস
বাত ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়ার ঘরোয়া উপায় কি কি এ বিষয়ে বর্ণনা করা হলো
জলজ ব্যয়ামের মাধ্যমে বাত ব্যথার মুক্তি
বাত ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়ার ঘরোয়া উপায়ের মধ্যে অন্যতম হলো। জলজ ব্যায়ামের মাধ্যমে শরীরের ব্যথা উপশম করা। জলীয় পানির মাধ্যমে ফোলা জায়গায় হালকা গরম পানি সিদ্ধ করে ফোলা স্থানে সেধ দিলে ব্যথা থেকে আরাম পাওয়া যায়। এ প্রক্রিয়ায় বাত ব্যথার প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তোলা যায়।
এছাড়াও তীব্র ব্যাথাতে একটি কাপড় নিয়ে গরম পানিতে ভিজিয়ে সেদ দিলে ব্যথা কমে যাবে। বয়স্কদের জন্য জয়েন্টে ব্যথা বা অস্টিও আর্থারাইটিস এই রোগে ভুগছেন তারা অধিকাংশই সুবিধা পেয়েছে। ২০১৫ সালে এই গবেষণাটি চালানো হয়, প্রতি সপ্তাহে দিনে তিনবার করে ৪০ থেকে ৬০ মিনিট এ জলজ ব্যায়াম করলে ব্যথা থেকে মুক্তি পাবেন।
বাতব্যথা থেকে মুক্তির জন্য ওজনের ব্যবস্থাপনা
বাতব্যাথা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য ওজনের ব্যবস্থাপনা করা অবশ্যই জরুরি ।ওজনের কারণে জয়েন্টে স্ট্রেসের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। শরীরের ওজন পাউন্ট ৩ হয়ে থাকলে আর্থারাইটিস এর কারণে ফোলা অবস্থায় ছয় পাউন্ড ওজনের চাপ দেয়। এক্ষেত্রে ব্যথা দ্বিগুণ হয়ে যায়। আর এ ব্যথা দ্বিগুণ হওয়ার কারণে আপনার জয়েন্টের ক্ষয় শুরু হয়। এজন্য শারিরিক পরিশ্রম করে ওজন কমিয়ে জয়েন্টে চাপ কমাতে হবে। এক্ষেত্রে ঘরোয়া উপায়ে বাত ব্যথা থেকে মুক্তি মিলবে।
আরো পড়ুনঃকাঁচা আমলকি খাওয়ার নিয়ম ও ২০টি উপকারিতা কি কি
তাপ ও ঠান্ডা চিকিৎসায় বাতের ব্যথার মুক্তির উপায়
বাত ব্যথা মুক্তির জন্য যোগব্যায়াম এর উপকারিতা
থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য ঘরোয়া উপায়ে আরেকটি সহজ উপায় হচ্ছে যোগ ব্যায়াম করা, আইঙ্গার যোগব্যায়াম। এটি মূলত শরীরকে ভারি থেকে কমিয়ে নির্দিষ্ট পরিমাণে ওজনে নিয়ে আসে। দৈনন্দিন জীবনে যদি নিয়মমাফিক এই যোগ ব্যায়াম করা যায়। আর্থারাইটিস এর থেকে উপশম পাওয়ার ভালো ফলাফল আছে।
বিজ্ঞানীদের গবেষণা মতে ছয় সপ্তাহে জন্য দুইটি এক থেকে দেড় ঘন্টা যোগ ক্লাস এর মধ্যে যারা অংশগ্রহণ করেছে। তারা উল্লেখযোগ্য প্রমাণ দিয়েছে, যে জীবন যাত্রার মান ভালো রাখার জন্য দীর্ঘস্থায়ী ব্যথার মোকাবেলার ক্ষমতা রাখে।
বাত ব্যথায় তাই চির ভূমিকা
ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য তাই চি ভূমিকা অপরিসীম এর মানে হচ্ছে প্রভাবিত ভাবে ব্যায়াম করা। যা নমনীয়তার সাথে করতে হবে। বেশি শক্ত হওয়ার কারণে ভারসাম্য ঠিক থাকে না মৃদু নড়াচড়া কে অন্তর্গত করে ফেলে এজন্য বারো সপ্তাহের মধ্যে অস্টিও আর্থরাইটিস আক্রান্ত ব্যক্তিদেরকে শারীরিক কার্যক্ষমতা বাড়িয়ে তুলতে সাহায্য করে। এই শারীরিক ব্যায়ামের মাধ্যমে যেটাকে আমরা তাই চি বলে বলছি। এটা একটা শারীরিক ব্যায়ামের মধ্যে পড়ে যা বাদব্যথা জন্য উপশমের কার্যকারিতা ভূমিকা রেখে আসছে।
বাত ব্যথায় ওমেগা -৩ ফ্যাটি অ্যাসিড এর কার্যক্রম ক্ষমতা
বাতব্যাথা থেকে মুক্তি মিলবে ও মেগা -৩ তে। এগুলি বাতব্যাথা থেকে ঘরোয়া উপায়ে মাধ্যমে মুক্তি মিলাবে এই প্রতিকার প্রকরণ গুলি কোন এক গবেষণায় জানা গেছে যে, এতটাই কাজ করে যা শরীরের প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। এবং ইমিউন সিস্টেম নিয়ন্ত্রণ রাখতে নিয়ন্ত্রণ ভূমিকা পালন করে।
যদিও এটি (আর এ)RA উপসর্গগুলোকে উন্নত করে বা উজ্জীবিত করে। এটা নিশ্চিত করার জন্য বিজ্ঞানের ভাষায় ভালো প্রতিকার দিয়ে থাকে। ওমেগা ৩ এসিড হল এক জাতীয় পুষ্টিকর খাবারকে বুঝায়। সেগুলো হল বীজ সামুদ্রিক মাছ ব্রকলি টোনা সার্ডিন স্যামন বাদাম ইত্যাদিকে বুঝিয়ে থাকে।
বাতব্যথা থেকে মুক্তির জন্য আকুপাংচার ব্যবহার
বাত ব্যথার মুক্তি মেলবে আকুপাং চায়। আকুপাংসা একটি নতুন ধরনের নাম আমাদের কাছে মনে হচ্ছে কিন্তু এটি চীনাদের কাছে অতি সহজ পদ্ধতি দাঁত ব্যথা দূরীকরণে আকুপাংচার ব্যবহার হচ্ছে, শুকনো সূচ ব্যবহার করার মাধ্যমে শরীরের শক্তিকে উজ্জীবিত করে।
গবেষণার মাধ্যমে দেখা যায় যে, অথোরাইটিস প্রদাহের কারণে, যুক্ত রাসায়নিক মাত্রা কমানোর জন্য ব্যবহার করা হয়। অর্থাৎ দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা যে সমস্ত জায়গায় আছে। সেই জায়গার রক্ত বের করলে আরাম পায়।
আরো পড়ুনঃগর্ভাবস্থায় দুধ খাওয়ার উপকারিতার কি সহজেই দশটি নিয়ম সম্পর্কে জানুন
সাময়িক চিকিৎসায় বাত ব্যথার মুক্তি উপায়
বাত ব্যথা থেকে মুক্তির জন্য ঘর ও উপায়ের যে সিস্টেম রয়েছে তার মধ্যে সাময়িক চিকিৎসায় হল। অন্যতম টপিকল ক্রিম এবং জেল বাতের ব্যথার জন্য স্থায়ীভাবে উপশম প্রদান করে থাকে। এই ক্রিমগুলোতে অনেক পরিমাণে ক্যাপাস সাইট সিন থাকে। যা মরিচ গুলোকে গরম করে সতেজ তোলে।
গবেষণায় দেখা যায় যে ক্যাপাসাই সেন ব্যথা কমাতে সাহায্য করতে পারে। যাইহোক পোড়া এড়াতে এবং হিটিং প্যাডের সাথে এ পণ্যগুলো ব্যবহার করতে পারেন। এটা ব্যবহার করার মাধ্যমে ব্যথা থেকে মুক্তি মিলবে।
বাতব্যাতা থেকে মুক্তির জন্য মাইন্ড ফুলনেস মেডিটেশন
এমবিএস আর প্রোগ্রাম হল ব্যথা এবং স্ট্রেস পরিচালনার জন্য মনঃশীলতা ব্যবহার করে থাকে। রিউমাটয়েড আর্থারাইটিস আরে শহরে একান্ন জন অংশগ্রহণকারীকে একত্রে চালানো হয়। এ গবেষণায় দেখা যায় ৪ সপ্তাহ বেশি এমবি এসআর প্রোগ্রামে করার মাধ্যমে জানা যায়। যে সকালের দিকে শক্ত হওয়া কমল এবং ফোলা জয়েন গুলি সংখ্যা বাতের ব্যথার লক্ষণ সমূহ কম আছে। ছয় মাস পরে হওয়ার সাথে সাথে রিপোর্ট করার মাধ্যমে এটি জানা যায়।
বাতব্যথা চিকিৎসায় মেসেজ থেরাপি ঘরোয়া উপায়
বাতব্যথা চিকিৎসা মেসেজ থেরাপি সেটা যদি ঘরোয়া উপায়ে দেওয়া হয়। তাহলে জয়েনট গুলির ব্যথা প্রসমিত হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে জানা যায় যে, মেসেজ করার কারণে হরমোনের করটি সল এবং ব্যথা সাথে নিউরো ট্রান্সমিটার পি পদার্থ কমে পায়।
২০১৩ সালের সমীক্ষা চালিয়ে দেখা যায় যে, চার সপ্তাহের জন্য সপ্তাহে একবার করে প্রয়োগ করা হয়। মাঝারি চাপ দিয়ে মেসেজ করার জন্য সেই অঙ্গে আরে গুলি আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য কম ব্যথা অনুভূতি হয়। এর ফলে শক্তিশালী অঙ্গগুলো গতির প্রভাব বিস্তার করে।
বাত ব্যথা থেকে মুক্তির জন্য প্রগতিশীল পেশি শিথিলী করন
বাত বা জয়েন্ট ও পেশির ব্যথা থেকে আরাম পেতে এবং শরীরের টানটান ভাব কমাতে 'প্রগতিশীল পেশি শিথিলকরণ' (Progressive Muscle Relaxation বা PMR) একটি অত্যন্ত কার্যকরী এবং বিজ্ঞানসম্মত পদ্ধতি। নির্দিষ্ট কোনো অঙ্গের পেশি ৫-৭ সেকেন্ডের জন্য শক্ত বা সংকুচিত করুন এবং এই সময় স্বাভাবিকভাবে শ্বাস নিন এবার ছেড়ে দিন, এরপর হঠাৎ করে পেশিগুলো পুরোপুরি ঢিলে করে দিন এবং দীর্ঘ দীর্ঘশ্বাসের সাথে সমস্ত চাপ ছেড়ে দিন। এই শিথিল অবস্থার অনুভূতি ১০-১৫ সেকেন্ড উপভোগ করুন। এই অনুশীলনটি করলে বাত ব্যথার পেশির যে টান বা শক্ত হওয়ার কমাতে সাহায্য করে থাকে।
বাত ব্যথা থেকে মুক্তির জন্য হলুদ এর ভূমিকা
বাতব্যাতা থেকে মুক্তির আরেকটি ঘরোয়া উপায় হচ্ছে হলুদ আমরা তরকারির সাথে বিভিন্ন রকমের মসলা খেয়ে থাকি এই মসলাগুলো বাতের ব্যাথা তো ভালো কাজ করে যে বাত ব্যথার প্রদাহ গুলো বৃদ্ধি পায় এই মসলা উপকরণীয় গুলোর মাধ্যমে সেগুলো আবার থামিয়ে দেওয়া হয়
অনেক গবেষণায় দেখা গেছে যে এই প্রোটিন গুলা ব্লক করে দেওয়া প্রদাহ সৃষ্টি করে, এবং কিছু ননস্টোরেয়েডাল আন্টি ইনফ্লামেটরি ড্রাগ যা সাধারণত আরে এর চিকিৎসা অনুযায়ী ব্যবহারিত করা হয়, তেমনভাবে ব্যথা কমাতে সাহায্য করে।
বাত ব্যথার জন্য গরম পোশাক ব্যবহার
বাত ব্যথা থেকে মুক্তির জন্য ঘরোয়া যে উপায়টি আছে। সেটি হচ্ছে শরীরের ঠান্ডা যেন না লাগে শীতকালীন সময়ে বাত ব্যথার প্রভাব বেশি হয়৫০ থেকে ৬০ বছর বয়সী মানুষের এই সমস্যাটা হয়ে থাকে। অতিরিক্ত ঠান্ডা লেগে যায়, এর কারনে বাতের ব্যথার প্রভাব আরও বেশি হয়ে থাকে ১৮% বয়স্ক মহিলাদের ঠান্ডা জনিত কারণে বাত ব্যথা বৃদ্ধি পায় ৮১% পুরুষ ৫০ থেকে ৬০ বছর বয়সে বাত ব্যথা আক্রান্ত হয়ে ঠান্ডা জনিত কারণে, তাই কোনভাবে ঠান্ডা লাগতে দেওয়া যাবে না শীতের সময় বিশেষ করে গরম পোশাক ব্যবহার করতে হবে।
বাত ব্যথা মুক্তির জন্য ভিটামিন ডি এর কার্যক্ষমতা
শীতকালীন সময়ে সূর্য বেশি তাপমাত্রা এজন্য শরীরে ভিটামিন ডি এর অভাব হয়। এক্ষেত্রে আপনাকে খাবার খেতে হবে। এবং এই খাবার থেকে আপনাকে ভিটামিন ডি সংযুক্ত করতে হবে শরীরের মধ্যে একেবারে কমে যায়। তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ দরকার।
বাত ব্যথায় গ্রিন টি এর ভূমিকা
বাত ব্যথার মুক্তির ঘরোয়া আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ উপায় হচ্ছে গ্রিন টি কার্যক্ষমতা। শরীরের প্রধাণাসক সমস্যা দূর করতে গ্রীন টির উপরে ভরসা রাখতে পারেন। বাতের ব্যথা কমাতেই চায়ের উপকারিতায় অনেক বেশি করে খাওয়ার পরামর্শ।
বাত ব্যথার মুক্তির জন্য সাইটাস জাতীয় ফল
বাত ব্যথা থেকে মুক্তির জন্য ঘরোয়া উপায়ের ফল সবজি বেশি করে খাওয়ার পরামর্শ । বাতের ব্যথায় ভুগলে রোজ পাতে চাই খাবারগুলি তাহলে কিছুটা হলে ব্যাথা নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব ।বাত ব্যথার মুক্তির জন্য সাইটাস জাতীয় ফল
ভিটামিন সি খেতে হবে
যেসব ফলে ভিটামিন সি আছেবেল পেপে চেরি ফল স্ট্রবেরি এগুলো বেশি করে খেতে হবে। এগুলোতো প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি রয়েছে এর পরের লেবু খাওয়া যেতে পারে এ প্রক্রিয়ায় বাতের ব্যথা অনেকটাই কম হবে।
আরো পড়ুনঃ আদার খাওয়ার উপকারিতা: ব্যবহারের সঠিক নিয়ম ও গাইড
বাত ব্যথা থেকে মুক্তির জন্য নিশিন্দা পাতার ভুমিকা
ঘরোয়া উপায়ের বাতব্যথা থেকে মুক্তির জন্য নিশিন্দা পাতার কার্যক্ষমতা হল, এ পাতা গরম পানিতে ভিজিয়ে রেখে পান করলে বাত ব্যাথা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
বাত ব্যথায় যে সমস্ত খাবার খাওয়া নিষিদ্ধ সে সম্পর্কে বলা হলো
ডিজমের কুসুম
যাদের বাত ব্যথা রয়েছে তাদের ঘরোয়া পায় যদি সমাধান করতে চান তাহলে ডিমের কুসুম খাওয়া থেকে বিরত থাকুন
গরুর লাল মাংস
বাত ব্যথার দূর করার জন্য যে সমস্ত খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে এই খাবারগুলোর মধ্যে গরুর লাল মাংস খাওয়া নিষিদ্ধ এ খাবার খেলে পরে আপনার ব্যথা আবারো দ্বিগুণ বেড়ে যাবে। এছাড়াও মহিষের মাংস হাঁসের মাংস খাসির মাংস কবুতরের মাংস আমাদের শরীরে বাত ব্যথা বাড়িয়ে দেয়।
প্রক্রিয়াযাত খাবার
এরমধ্যে ফাস্টফুড কিচেন ফুড বিভিন্ন রকমের যেগুলো প্রক্রিয়াজাত খাবার আছে এসব খাবারে সল্টের পরিমাণ বেশি থাকার কারণে এসব খাবার খাওয়া থেকে দূরে থাকতে হবে।
ওমেগা সিক্স খাবার
খাবার খাওয়া খুবই বিপদজনক বাত ব্যথার জন্য এ খাবারগুলোতে প্রচুর পরিমাণে এসিড থাকে। খাবার হল ভুট্টা সূর্যমুখী তেল ডিমের কুসুম ডিমের জন্য, বাত ব্যথার প্রদাহ বাড়িয়ে দেয়। এজন্য এসব খাবার খাওয়া নিষেধ।
লবণ খাওয়া
বাত ব্যথারমুক্তির জন্য অতিরিক্ত লবণ খাওয়া নিষেধ এটা এটা বাতব্যাতা প্রদাহ বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে তাই লবণ খাওয়া থেকে বাত ব্যথার উইকে দূরে থাকতে হবে এটা বাত ব্যথার জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর।
মিষ্টি জাতীয় খাবার
মিষ্টি জাতীয় খাবার খাওয়া যাবে না বাত ব্যথার জন্য আর্থারাইটিস রোগীদের জন্য মিষ্টি ব্যথা দ্বিগুণ বেড়ে যাবে তোর ব্যথাগুলো আবারো বৃদ্ধি পেতে থাকবে এজন্য যত যত সম্ভব মিষ্টি খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।
উপসংহার
ঘরোয়া উপায়ে বাত ব্যথা মুক্তির জন্য নিয়মিত ব্যায়াম করতে হবে। পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে। ফাস্টফুড জাতীয় খাবার বন্ধন করতে হবে। নিজেকে সবসময় কোলেস্টরাইজ থেকে মুক্ত রাখতে হবে। এবং ঘরোয়া যেগুলো উপরে আর্টিকেল লেখা আছে ভালো করতে হবে। তাহলে বাত ব্যথা থেকে ওসব পাওয়া যাবে।
সুতরাং বাত ব্যথা থেকে মুক্তির জন্য ঘরোয়া উপায়ে নিয়ম-কানুন অনুযায়ী প্রতিদিন যদি চলা যায়। এমন ভাবে তিন থেকে চার মাস যদি মেনটেনমেন্ট করা যায় তাহলে পারে সঠিক পর্যায়ে এসে বাত ব্যথা দূর হয়ে যাবে। অতিরিক্ত বাত ব্যথা হলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। আপনাদের সুস্বাস্থ্য কামনা করে আজকের মত এখানেই শেষ করছি। আল্লাহ হাফেজ।
.webp)
.webp)
.webp)
আপনি সফল ব্লগে নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url