লাক্কাতুরা চা বাগান সিলেট যাতায়াত ও খরচ তথ্য

 প্রিয় পাঠক, আজকের আর্টিকেলে লাক্কাতুরা চা বাগান সিলেট ভ্রমণ গাইড যাতায়াত রুট, খরচ ও দর্শনীয় স্থান সম্পূর্ণ সঠিক তথ্য, এক নজরে জানুন।

লাক্কাতুরা-চা-বাগান-সিলেট

বাংলাদেশের লাক্কাতুরা সিলেট চা বাগান, ঐতিহাসিক বৃহত্তম চা বাগান। যা নান্দনিক ও রোমাঞ্চকর চা বাগান। পর্যটকদের কাছে বেশ জনপ্রিয়।

পেজ সূচিপত্রঃ লাক্কাতুরা চা বাগান সিলেট ভ্রমণ গাইড: যাতায়াত খরচ ও দর্শনীয় স্থান সম্পর্কে জানতে পড়ুন

লাক্কাতুরা চা বাগান সিলেট

লাক্কাতুরা চা বাগান(Lakkatura tea garden)। চায়ের দেশ সিলেটের চৌকিদেঘি উপজেলার ঠিক ওসমানী বিমানবন্দরের উত্তর পাশে অবস্থিত। আনুমান করা যায়, ১৮৭৫ সালে ব্রিটিশ শাসনামলে এ  চা বাগান প্রতিষ্ঠিত হয়। ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি চা চাষ শুরু করার পরে, এলাকাটি বাণিজ্যিক চা উৎপাদন ও শিল্প হিসেবে গড়ে ওঠেছিল।বর্তমানে চা বাগানটি জাতীয় চা বোর্ডের অধীনে পরিচালিত হয়। সিলেটের এই চা বাগানটি, চা প্রক্রিয়াজাতকরণের কেন্দ্র হিসেবে, বিশেষ পরিচিতি লাভ করেছে।

লাক্কাতুরা চা  বাগানের আয়তন, প্রায় ৩২০০ একর বা ১২৯৩ হেক্টর এলাকা জুড়ে বিস্তৃত। এই বাগান থেকে প্রতি বছরে চা প্রায় ৫,০০০০০ - ৫,৫০০০০ কেজি উৎপাদিত হয়। চা বাগানে শুধু চা-ই উৎপাদন হয় না, বরং মৌসুমী বিভিন্ন ফল ও রাবারের ও চাষ হয়। এখানে প্রাকৃতিক পরিবেশকে মানসম্মতভাবে কৃষি কাজে ব্যবহার করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। এই চায়ের বাগানটি পর্যটকদের কাছে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য, জনপ্রিয় গন্তব্য হিসেবে দেখা হয়।

এছাড়া গবেষণায় বলা হয়, এ চা বাগান সিলেট শহরের ভেতরে মনোমুগ্ধকর লুকানো এক সবুজ ভূস্বর্গ। যা ওসমানী এয়ারপোর্ট রোড থেকে সামান্য দূরে অবস্থিত। এছাড়া এ বাগানের মধ্যে ভিন্ন জাতের গাছ দেখা যায়, যেমন সিরিষ, আকাশমনি, জারুল, থানকুনি, তুলসী, আম, জাম, কাঁঠাল, কমলা, ট্যাংফল, আগর, আতর, নারকেল, সুপারি সহ নানান ধরনের গাছ।

এই চা বাগানে দুই ধরনের চা বেশি পাওয়া যায়। এক হল কালো চা। অপরটি গ্রিন টি। তবে বছর জুড়ে পরিচর্যা ও পাতা সংগ্রহ করতে হয়।

যাওয়ার সেরা সময়

লাক্কাতুরা সিলেট চা বাগান যাওয়ার জন্য শীত মৌসুমী ভালো "অক্টোবর থেকে ফেব্রুয়ারি মাস" এ সময় আবহাওয়া এ সময় আবহাওয়া নরম থাকে। হাঁটাহাঁটির জন্য আরামদায়ক, ফটোগ্রাফি সুইস্পষ্ট আসে। নরম-আলয় চারিদিক আনন্দে মুখরিত হয়ে ওঠে।

দিনের বেলা সকাল ৭ঃটা- ১১ঃ টার মধ্যে চা বাগানে প্রবেশ করতে হবে

বিকেল ৪টাঃ থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত  সৌন্দর্য উপভোগ সুযোগ পাবেন।

লাক্কাতুরা চা বাগানের মূল আকর্ষণ

লাক্কাতুরা সিলেট চা বাগান ভ্রমণে গুরুত্বপূর্ণ যে সমস্ত দিকগুলো আপনাকে আকৃষ্ট করবে। তার একটি দিকনির্দেশনা দেওয়া হলো। চলুন জেনে নেওয়া যাক

বিশাল সবুজ চা বাগান

লাক্কাতুরা সিলেট  চা বাগানের মূল আকর্ষণ হলো এর চোখ ধাঁধানো সবুজ চা গাছের সারিবদ্ধতা। পাহাড়ি সবুজ যেন খোলা আকাশ ছুঁয়েছে। পাহাড়ের ঢালু থেকে দেখলে মনে হয় যেন সবুজের চাদরের গালিচা বিছানো। যেকোনো প্রকৃতির প্রেমিক পর্যটক অনায়াসে এখানকার সৌন্দর্য দেখে প্রেমে পড়তে বাধ্য হবে।

প্রাকৃতিক ল্যান্ডস্কেপ

লাক্কাতুরা সিলেট চা বাগান পাহাড়ি ঢাল ছোট নদী ও জলপ্রপাতের সংমিশ্রণে তৈরি এক নৈসর্গিক স্বর্গরাজ্য। নান্দনিক সূর্যোদয় এবং সূর্যাস্তের দৃশ্য। সেসঙ্গে পাখির ডাক প্রাকৃতিক শব্দ ও শীতল মৃদু হওয়া। মনের গহীনে প্রশান্তির ছায়া এঁকে যায়।

ফটোগ্রাফি সুযোগ

এই চা বাগানে সবুজ গাছের সারিবদ্ধতা, ও পাহাড়ি ব্যাকগ্রাউন্ড, এবং ছোট ছোট জলপ্রপাত, ও নদের ধারে ছবি তোলার শ্রেষ্ঠ দৃশ্য। নদীর সঙ্গে পাহাড়ি ঝর্ণার তাল মিলিয়ে বয়ে চলা। যেকোনো দর্শনার্থীর কাছে সেরা গন্তব্য।

লাক্কাতুরা-চা-বাগান-সিলেট

পিকনিক স্পট

শীতের ভোরে হালকা হাটাহাটি করে সময় কাটানো সেরা মুহূর্তগুলো কখনোই ভোলার নয়। পরিবার বন্ধু বান্ধব দের নিয়ে পিকনিক করার মজা। শিশুদের জন্য প্রকৃতির সঙ্গে খেলা করার সেরা স্থান।

আরো পড়ুনঃশমসেরনগর গলফ মাঠ মৌলভীবাজার ভ্রমণ গাইড ২০২৬ সবুজ প্রাকৃতিক স্বর্গ

লাক্কাতুরা চা বাগান কিভাবে পৌঁছাবেন

ঢাকা থেকে সিলেটের লাক্কাতুরা টি গার্ডেন বাস ট্রেন ও বিমানে সহজেই পৌঁছানো যায়। তবে যাতায়াতের রোড ম্যাপ গুলো নিচে সহজভাবে তুলে ধরলাম। চলুন জেনে নেওয়া যাক।

বাসযোগে

ঢাকা গাবতলী সায়দাবাদ থেকে সিলেটে যেতে পারেন। যে সমস্ত বাস এই রুটে চলাচল করে। তার একটি তালিকা নিম্নে দেখানো হলো

ঢাকা-সিলেট বাসের নাম

  • শ্যামলী পরিবহন
  • সৌদিয়া পরিবহন
  • এস আলম পরিবহন

বাসে সরাসরি সিলেট পৌঁছাতে পারবেন।

ঢাকা সিলেট পৌঁছাতে সময় লাগে ৮- ৯ ঘন্টা

ঢাকা থেকে সিলেটের দূরত্ব ২৫০ কিলোমিটার

জন প্রতি নন এসি বাসের ভাড়া ৭০০ - ৯০০ টাকা এবং জনপ্রতি এসি বাসের ভাড়া ১৪০০ - ১৫০০ টাকা।

বাস ছাড়ার সময় সূচিঃ

ঢাকা থেকে সিলেটের উদ্দেশ্যে বাস ছেড়ে যায়। সকাল ৬টাঃ থেকে রাত্রি ১১ঃটা পর্যন্ত। ঢাকা থেকে প্রায় ৩০ মিনিট থেকে ১ ঘন্টা পর পর সিলেটের উদ্দেশ্যে  বাস ছেড়ে যায়।

ট্রেনযোগে

ঢাকা কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে সরাসরি কয়েকটি ট্রেন সিলেটের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। নিচে ট্রেনের নাম গুলো তুলে ধরা হলো

ট্রেনের নাম

  • পারাবত এক্সপ্রেস
  • জয়ন্তিকা এক্সপ্রেস
  • কলনি এক্সপ্রেস
  • উপবন এক্সপ্রেস

ঢাকা থেকে সিলেটে ইন্টারসিটি ট্রেনে যেতে সময় লাগে ৬ - ৭ ঘন্টা। আর মেইল বা লোকাল ট্রেনে যেতে সময় লাগে ৯ -১০ ঘন্টা।

ঢাকা থেকে সিলেট ট্রেনের দূরত্ব ৩২০ কিলোমিটার

জনপ্রতি ক্লাসভেদে ট্রেনের ভাড়া ৩৫০ টাকা থেকে শুরু, ১৩০০ টাকা পর্যন্ত।

আরো জানুনঃঢাকা টু সিলেট ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়া সম্পর্কে জানুন 

বিমানযোগে

ঢাকা থেকে সরাসরি সিলেট ওসমানী  বিমানবন্দরে পৌঁছাতে পারেন। শাহ জালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ইউএস-বাংলা নভোএয়ার এবং এয়ারলাইন্স নিয়মিত যাতায়াত করে।

ঢাকা থেকে সিলেট যেতে সময় লাগে ৪৫ - ৫০ মিনিট

জনপ্রতি ভাড়া ৩৫০০ - ৮০০০ টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে।

সিলেট শহর - লাক্কাতুরা টি গার্ডেন

সিলেটের আম্বার খানা, জিন্দাবাজার, ও কোট পয়েন্ট থেকে চা বাগান পৌঁছাতে পারবেন। সিএনজি কিংবা অটো রিক্সায় ১৫ - ২০ মিনিটে ১৫০ টাকা বাজেটে ধরুন। চালককে শুধু বলে দিবেন, সিলেটের লাক্কাতুরা টি গার্ডেন এয়ারপোর্ট রোড এতটুকু বললেই হবে। প্রাইভেট কার নিলে ৪০০-৭০০ টাকার মধ্যে পরিবারসহ গ্রুপ নিয়ে পৌঁছে দিবে। 

লাক্কাতুরা সিলেট চা বাগান ভ্রমণে কোথায় থাকবেন

সিলেটে লাক্কাতুরা টি গার্ডেন ভ্রমণে, সাধারণত সিলেট শহরের থাকা সবচেয়ে সুবিধা জনক। নিচে বাজেট অনুযায়ী কোথায় থাকবেন। তার একটি তালিকা তুলে ধরলাম।

বাজেটের মধ্যে হোটেল

স্থানঃ দরগা গেট অথবা আম্বরখানা

হোটেলের নাম

হোটেল সুপার মিঃ

হোটেল পেয়ার

হোটেল গার্ডেন ইন

রুমভাড়াঃ ৮০০ - ১৮০০ টাকা পর্যন্ত হয়। এখানের লো বাজেটের ভ্রমণ পিপাসুরা আরাম-আয়েশের থাকতে পারেন।

রিসোর্ট এর ভেতরে থাকা

লাক্কাতুরা সিলেট চা বাগানের ভেতরে সাধারণত পর্যটনদের থাকার কোন অনুমতি নেই। তবে এলাকায় কিছু রিসোর্ট ওমেস্ট আছে, সেখানে থাকতে পারেন।

তবে শর্ত হলো অগ্রিম বুকিং করতে হবে। লোকাল পরিস্থিতির দরকার হয়। সুবিধা প্রাকৃতিক পরিবেশের মধ্যে রাত্রি যাপন করা।

লাক্সারি হোটেল

আপনি আরাম-আয়েশে থাকতে চাইলে উন্নতমানের হোটেলে থাকতে পারেন। নিচে কয়েকটি হোটেলের নাম তুলে ধরা হলো

রোজ ভিউ হোটেলঃ সিলেটের ৫ তারকার হোটেলঃ

রুম ভাড়াঃ ৯ - ১৫ হাজার টাকা

সুবিধাঃ এসি রুম, সুইমিং পুল, রুফটপ। যা হানিমুনের জন্য সেরা হোটেল।

চা বাগান ভ্রমণে কোথায় খাবেন

লাক্কাতুরা সিলেট চা বাগান ভ্রমণের খাওয়ার জন্য, বিরানি এন্ড কাচ্চি ঘর খাবারের স্টাইল পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন আম্বারখানা জিন্দা বাজার সহ দরকার গেট এলাকায় প্রচুর পরিমাণে লোকাল খাবার হোটেল আছে। সেখানে খেতে পারেন

খাবারের মধ্যে পাবেন

  • কাচ্চি বিরিয়ানি
  • গরুর মাংসের ঝোল
  • ভাত
  • মাছ
  • কারি
  • রজমা
  • সবজি ইত্যাদি 

এসব হোটেলের জনপ্রতি খাবারের বাজেট ধরুন ১৫০ - ২৫০ টাকা হোটেল পাবেন। সিলেটের জনপ্রিয় আচার ও আখনি বিরানি খেতে ভুলবেন না যেন। 

আরো দেখুনঃলেক্সাস গার্ডেন সিলেট।এক লুকানো স্বর্গরাজ্য ও সম্পূর্ণ ভ্রমণ গাইড 

মধ্যম পর্যায়ের হোটেল

হোটেল ফাইভ স্টার, লা রোজ, মিরা গার্ডেন

খাবারের মধ্যে থাকছে 

  • বিরিয়ানি
  • চিকেন
  • বিফ
  • কারি
  • ফিস
  • স্যালড ও ডেজার্ট

জনপ্রতি প্রতিবেলা বাজের ধরন ৫০০ - ৮০০ টাকা।

লাক্কাতুরা-চা-বাগান-সিলেট


সঙ্গে যা নিবেন

লাক্কাতুরা সিলেট চা বাগান ভ্রমণের সঙ্গে যা নিবেন। তার একটি তালিকা নিচে তুলে ধরা হলো। আসুন জেনে নেওয়া যাক

  • পরিচ্ছন্ন পরিষ্কার কাপড়
  • ক্যাপবা টুপি
  • নরমদায়ক জুতা বা স্যান্ডেল
  • সানস্ক্রিন লোশন
  • ছাতা
  • মশা নিরোধক স্প্রে 
  • হ্যান্ড স্যানিটাইজার
  • ডিজিটাল ক্যামেরা বা ড্রোন
  • বোতলজাত পানি
  • শুকনো খাবার
  • নগদ টাকা
  • মোবাইল ফোনের
  •  পাওয়ার ব্যাংক
  • সানগ্লাস
  • ছোট ব্যাকপ্যাক

সতর্কতা ও নিয়ম

  • চা বাগানের পাতার উপরে হাঁটবেন না
  • গাছের পাতা ছিড়বেন না
  • শ্রমিকদের ব্যক্তিগত জায়গায় ঢুকবেন না
  • ধূমপান এড়িয়ে চলুন
  • পরিবেশ পরিষ্কার রাখুন
  • বাচ্চাদের প্রতি খেয়াল রাখুন
  • প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের প্রতি সজাগ থাকুন।

এক রাত দুই দিনের খরচ

আনুমানিক জনপ্রতি এক রাত দুই দিনের খরচ বিস্তারিত বর্ণনা করা হলো

যাতায়াত ১০০০ - ২৫০০ টাকা

থাকা খরচ ৮০০ - ১২০০ টাকা

খাওয়া দুইদিনে ৬০০ - ৮০০ টাকা

অন্যান্য খরচ ২০০ - ৩০০ টাকা

বাজেটের মধ্যে জনপ্রতি সর্বমোট খরচঃ ২৬০০ - ৪৮০০ টাকা।

আশেপাশে দর্শনীয় স্থান

সিলেটের আশেপাশে দর্শনীয় স্থানের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ কিছু স্থান আছে। যেগুলো একই খরচে ঘুরে আসতে পারেন। এর মধ্যে অন্যতম হলো

দর্শনীয় স্থানঃ

বগা লেক চা বাগানঃ সবুজ শ্যামল প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরা পাহাড়ি দৃশ্য ছবি তোলার জন্য শ্রেষ্ঠ স্থান।

সিলেটের হরিনা বনঃ ছোট বন অঞ্চল পাখি পর্যবেক্ষণ ও প্রাকৃতিক হাইকিং।

জাফলংঃ দূরত্ব ৬০ কিলোমিটার শহর থেকে যেতে সময় লাগে দুই ঘন্টা প্রায় বৃহত্তম নদী বালুকাময় তীর।

শাহী ঝরনাঃ ছোট ঝর্ণা হ্যাকিং সহ সাফারিং অভিজ্ঞতা গাড়ি চালালে পৌঁছে যাবেন।

এছাড়াও

রাতারগুল, বিছানাকান্দি, ভোলার সাদা পাথর, লোভাছড়া হযরত শাহজালাল ও শাহ পরানের মাজার, সংগ্রাম পুঞ্জি ঝরনা, তামাবিল, লক্ষণছাড়া, মালিনী ছড়া চা বাগান, জৈন্তা হিল রিসোর্ট, ড্রীমল্যান্ড পার্ক, হাকালুকি হাওর, লালখান, সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান, ডিবির হাওর ইত্যাদি অন্যতম।

ক্লিক করুনঃডিবির হাওর সিলেট যাওয়ার উপায় সম্পর্কে জানুন

আমাদের শেষ কথা

আমরা আজকের লাক্কাতুরা চা বাগান সিলেট ২০২৬ ভ্রমণ গাইড: যাতায়াত খরচ ও দর্শনীয় স্থান আর্টিকেলে যাবতীয় তথ্য তুলে ধরলাম। আশা করছি বুঝতে পেরেছেন। এর পরে যদি আপনাদের কোন প্রশ্ন থাকে তাহলে আমাদেরকে কমেন্ট বক্সে জানাবেন। আমরা আপনাদের প্রশ্নের সঠিক তথ্য দিয়ে উপকৃত হব।

আমাদের এই আর্টিকেলটি যদি আপনাদের কাছে ভালো লেগে থাকে। তাহলে আত্মীয়-স্বজনের নিকট  শেয়ার করে দিবেন। আমাদের এই ওয়েবসাইটে প্রতিদিনের নতুন আর্টিকেল প্রকাশ করে থাকি। আপডেট আর্টিকেল পেতে ওয়েবসাইটটি ফলো দিয়ে রাখুন। এতক্ষণ আমাদের সঙ্গে থাকার জন্য আপনাদের অসংখ্য ধন্যবাদ। আপনাদের সুস্বাস্থ্য কামনা করে আজকের মত এখানেই শেষ করছি । আল্লাহ হাফেজ ।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

আপনি সফল ব্লগে নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url