বন খড়িয়া শ্রীপুর গাজীপুর যাতায়াত ও খরচ

প্রিয় পাঠক, এই আর্টিকেলে সালে বন খড়িয়া শ্রীপুর গাজীপুর ভ্রমণ গাইড, যাতায়াত রুট, কম খরচ, দর্শনীয় স্থান, ও সঠিক তথ্য সম্পর্কে  জেনে নিতে পারেন।

বনখড়িয়া-শ্রীপুর-গাজীপুর

বন খড়িয়া শ্রীপুর গাজীপুরের  অবস্থিত। ইতিহাস সংস্কৃতি ও প্রকৃতি আঁকড়ে ধরে আছে। এই বনের শান্ত নিরব প্রকৃতি মনের গহীনে যেন সৌন্দর্যের স্বর্গ।

পেজ সূচিপত্রঃবন খড়িয়া শ্রীপুর গাজীপুর ভ্রমণ গাইড: যাতায়াত খরচ ও দর্শনীয় স্থান সম্পর্কের জানতে পড়ুন।

বন খড়িয়া শ্রীপুর গাজীপুর ভ্রমণ গাইড

বন খড়িয়া শ্রীপুর গাজীপুরের (Bonkharia sreepur gazipur) সুন্দর একটি গ্রাম। এই গ্রামের সৌন্দর্য মন ও প্রকৃতি দুটোই শান্ত করে। বর্তমান ইতিহাস ও সৌন্দর্যের সাংস্কৃতি, এই গ্রামকে আঁকড়ে ধরে রেখেছে। বাংলাদেশের বড় বনাঞ্চল শ্রীপুর উপজেলার, পাহাড়পুর, বন খড়িয়া ও  প্রহল্লাদপুর এলাকা জুড়ে বিস্তৃত। এই বনভূমিতে বিভিন্ন প্রকার জীব বৈচিত্র্যের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, দেখা মিলে।

বন খড়িয়া সরকারি প্রশাসনিক সংরক্ষিত বন নয়। এটা মূলত ভাওয়াল বনাঞ্চল ও শালবন  বনভূমির একটি অংশ বিশেষ। যা বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চলে অবস্থিত। এই গ্রামটি ভাওয়াল বনাঞ্চল মৌজার অংশ হিসেবে, বনভূমির শীতল ছায়া পায়।

বন খড়িয়া শ্রীপুর উপজেলা যাতায়াত করা, আন্তর্জাতিকভাবে সহজ। বর্তমান ঢাকা  থেকে সরাসরি এই গ্রামে পৌঁছানো যায়। মাত্র ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার উত্তর দিকে,  বন খড়িয়া গ্রামের অবস্থান। এটি একটি গ্রামীণ বনভূমি, যেখানে সবুজ অরণ্য ও ছায়াঘেরা বনের জীবন্ত চিত্র দেখা যায়।

বন খড়িয়ার মূল আকর্ষণ

বন খড়িয়া গ্রামের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও দর্শনীয় জায়গা আছে। যা পর্যটকদের জন্য মনোমুগ্ধকর ও আকর্ষণীয়। নিচে এই গ্রামের সৌন্দর্য সাজিয়ে দিলাম। আসুন জেনে নেওয়া যাক।

ঘন শালবন ও সবুজ বনভূমি

বন খড়িয়ার সেরা ও প্রধান আকর্ষণ হল। গ্রামের শালবন ও প্রাকৃতিক বনভূমি। এই গ্রামের নাম বন খড়িয়া, এর নামানুসারে বন শব্দটি যোগ করা হয়। এর মূল কারণ হলো, এই গ্রামটি প্রকৃতির সঙ্গে পরিচয় তুলে ধরে।বন খড়িয়া গ্রামে শাল গাছের সারিবদ্ধতা, গজারি, কড়ায়, ও বট গাছের ছায়ায়,  আন্তরিক ও স্বর্গীয় পরিবেশ তৈরি হয়।

সকালে সূর্যোদয়ের ছটা, গাছের পাতার ফাঁক দিয়ে, ভোরের উজ্জ্বল আলোয়, এই দৃশ্য স্পষ্ট হয়। যা প্রকৃতি প্রেমেদের কাছে যেন সৌন্দর্য, ও বনের দৃশ্য শিল্পীর হাতে আঁকা জীবন্ত চিত্র।

সবুজ মাঠ ও ধান ক্ষেত

বন খড়িয়া গ্রামের অন্যতম মূল আকর্ষণ। সবুজ মাঠ ও ধান ক্ষেত। এই গ্রামে তিন ফসলি আবাদ  হয়। এই গ্রাম বর্ষা মৌসুমে সবুজের চাদরে জড়িয়ে থাকে। আর সামনে সোনালী ধানের ক্ষেত গ্রামের সৌন্দর্যকে দ্বিগুণ আকর্ষণীয় করে। খোলা নীল আকাশ, এবং শহরের কোলাহল মুক্ত পরিবেশ, সবুজ গালিচা বিছানো ফসলাদি, গ্রামের সৌন্দর্য অনেক খানি ফুটিয়ে তুলেছে।

আরো পড়ুনঃবঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক গাজীপুর যাওয়ার উপায় সম্পর্কে জানুন

বনঘেঁষে আঁকাবাঁকা কাঁচা ও পাকা রাস্তা

বন খড়িয়া গ্রাম শ্রীপুর গাজীপুর অন্যতম সৌন্দর্য।  এই গ্রামের  রাস্তার দুই পাশে শাল গাছের সারি। পাখির মিষ্টি মধু ডাক, মাটির নরম স্পর্শ, এক ভিন্ন অনুভূতি তৈরি হয়। রাস্তার উপর দাঁড়িয়ে থেকে, সবুজ শাল গাছের সঙ্গে ফটোগ্রাফি ও প্রাকৃতিক উপভোগের জন্য দারুণ জনপ্রিয়।

পাখি ও জীববৈচিত্রের আবাসস্থল

বন খড়িয়া এলাকা বিভিন্ন দেশি  পাখি ও ছোট প্রাণীর নিরাপদ আবাসস্থল। ভোরের আলোর সঙ্গে পাখির কিচিরমিচির কলতান, এবং রাতে জ্যোৎস্না ভরা বন, ঝিঁঝিঁ পোকার ডাক, গ্রামের সৌন্দর্যকে দ্বিগুণভাবে বাড়িয়ে তুলে। যা প্রকৃতি প্রেমি দর্শনার্থীর জন্য শান্ত নিরিবিলি ও আদর্শ স্থান।

ভাওয়াল বনাঞ্চল ও প্রাকৃতিক পরিবেশ

শ্রীপুর উপজেলা বন খড়িয়া গ্রাম, আদর্শ গ্রাম। মধুপুর ও ভাওয়াল অঞ্চলের কাছাকাছি এই বনভূমি হওয়ার কারণে, খানিকটা উঁচু নিচু, এজন্য এই এলাকা অন্য গ্রামে তুলনায় বেশি সুন্দর দেখায়। যা প্রাকৃতিক ভাবে বেশি আকর্ষণীয়।

সহজ-সরল গ্রামীণ জীবন

এই গ্রাম গাজীপুরের শান্ত ও ঐতিহ্যপূর্ণ। এখানকার মানুষের সহজ সরল জীবনযাত্রা। কৃষিকাজ, পুকুর ভরা মাছ, গরু, ছাগল পালন, স্থানীয়দের নান্দনিক জীবনযাত্রা গভীরভাবে জড়িত। এছাড়াও ধর্মীয় ও লোকজ উৎসবগুলো পারিবারিক ও সামাজিক ভ্রাতৃত্ব পূর্ণ হওয়ার জন্য, পর্যটকদের গহনে সাড়া জোগায়।

বনখড়িয়া-শ্রীপুর-গাজীপুর

সূর্যাস্ত ও প্রাকৃতিক নিরাপত্তা

বন খড়িয়া গ্রামের সৌন্দর্য সন্ধ্যার সময় সূর্যাস্ত অত্যন্ত মনোমুগ্ধকর দেখায়। খোলা নীল আকাশ নিচে সবুজের গালিচায় সূর্য ডোবার দৃশ্য, ভ্রমণ পিপাসুদের অন্যরকম অভিজ্ঞতা দৃশ্য ফুটিয়ে তুলে। নিরব নিস্তব্ধ এই দৃশ্য পর্যটকদের মানসিক প্রশান্তি এনে দেয়।

আরো জানুনঃ টাঙ্গাইল মধুপুর সৌন্দর্যের আসল রূপ যাওয়ার উপায় সম্পর্কে জানুন 

কখন যাওয়ার সেরা সময় 

বন খড়িয়া যাওয়ার সেরা সময় শীতকাল। "নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি মাস" ভ্রমণের সবচেয়ে উপযুক্ত সময়। এ সময় আবহাওয়া শুষ্ক ও আরামদায়ক থাকে। বনভূমি ও শালবনে হাঁটার জন্য আদর্শ সময়। কুয়াশায় ভেজা সকাল ও নরম রোদের আলো। এবং বিকেলে সূর্যাস্তের অসাধারণ দৃশ্য। ছবি তোলা ও পিকনিকের জন্য, সেরা সময় নির্ধারণ করা হয়।

সকাল ৬ টা - ৯ টা এবং বিকাল ৪ টা -সন্ধ্যা ৬ টা পর্যন্ত সেরা সময় নির্ধারণ করা হয়

তাছাড়াও বসন্তকালে প্রকৃতি শোভনীয় থাকে। ধানক্ষেতের সোনালি ফসল ও সবুজে ভরা মাঠ, খোলা নীল আকাশ। স্নিগ্ধ শীতল বাতাসের ছোঁয়া, গ্রাম বাংলার অস্বাভাবিক সৌন্দর্য পুরোপুরি ফুটিয়ে তুলে।

বন খড়িয়া গ্রাম কিভাবে যাবেন

বন খড়িয়া শ্রীপুর গাজীপুর ঢাকা থেকে কিভাবে যাবেন। এজন্য আমরা স্পষ্টভাবে ধাপে ধাপে আলোচনা করা হলো। আমাদের সঙ্গে শেষ পর্যন্ত থাকুন এবং জানুন।

বাসযোগে

ঢাকা - শ্রীপুর

ঢাকা শহর যেকোনো বাস টার্মিনাল থেকে শ্রীপুর গ্রামে যাওয়া যায়। যেমন

মহাখালী বাস টার্মিনাল

গুলিস্তান বাস টার্মিনাল

গাবতলী বাস টার্মিনাল

এই টার্মিনাল গুলো থেকে সহজে শ্রীপুর যাওয়া যায়।

বাসের নাম

ভাওয়াল এক্সপ্রেস

শ্রীপুর পরিবহন

স্থানীয় বাস লেগুনা

ঢাকা থেকে শ্রীপুর যেতে সময় লাগে ১.৫ - ২ ঘন্টা

বাসের ভাড়া জনপ্রতি ৮০ - ১৫০ টাকা।

শ্রীপুর- বন খড়িয়া গ্রাম

শ্রীপুর বাসস্ট্যান্ডে নেমে অটো রিকশা ধরুন। এবার জনপ্রতি ৩০ - ৬০ টাকা ভাড়া দিয়ে, ১৫ - ২০ মিনিটে বন খড়িয়া গ্রামে পৌঁছান।

প্রাইভেট কার/মোটরসাইকেল

ঢাকা থেকে শ্রীপুর যাওয়ার জন্য, ঢাকা ময়মনসিংহ সড়ক ব্যবহার করতে পারেন। আপনাদের যাতায়াতের জন্য, সংক্ষেপে নিচের রুট তৈরি করা হলো। আসুন জেনে নেওয়া যাক।

ঢাকা-গাজীপুর চৌরাস্তা-শ্রীপুর-বনখড়িয়া রুটে, ট্রাফিক না থাকলে, এক ঘন্টার মধ্যে পৌঁছে যাবেন।

ট্রেনযোগে

ঢাকা - জয়দেবপুর জংশন

লোকাল ট্রেন এই রুটে নিয়মিতভাবে চলাচল করে

জয়দেবপুর স্টেশনে ট্রেনে যেতে ১ - ১.৫ ঘন্টা সময় লাগে

ট্রেনের ভাড়া জনপ্রতি ২০- ৫০ টাকা

জয়দেবপুর - শ্রীপুর

জয়দেবপুর জং নেমে শ্রীপুর সিএনজি বা অটো রিস্কায় যেতে পারেন। প্রহল্লাদপুর ইউনিয়ন চালককে বলে দিলেই বুঝে নিবে।

যোগাযোগের সহজ মাধ্যম গুগল ম্যাপে বন খড়িয়া  গ্রাম শ্রীপুর। লিখে সার্চ দিলে সহজে পৌঁছে যেতে পারবেন।

বন খড়িয়া শ্রীপুর কোথায় থাকবেন

বন খড়িয়া শ্রীপুর গ্রাম থাকার জন্য ভালো মানের হোটেল বা রেস্টুরেন্ট পাবেন না। এজন্য শ্রীপুর উপজেলা থাকায় সবচেয়ে ভালো। শ্রীপুরে পর্যটকদের জন্য হোটেল ও গেস্ট হাউস পাওয়া যায়।

শ্রীপুর বাস স্ট্যান্ড থেকে আশেপাশে খোঁজ করলে, লোকাল হোটেল, আবাসিক লজ পাবেন। প্রতি রুম  তুলনা মূলক ভাবে ৮০০ - ১৫০০ টাকা ভাড়া হয়। 

গাজীপুর

আপনি চাইলে ভাওয়াল ও গাজীপুর এলাকার রিসোর্টে থাকতে পারেন। গাজীপুর থাকা সবচেয়ে আরামদায়ক ও সুবিধা জনক। কারণ এটি জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র।

আনুমানিক রিসোর্টের রুম ভাড়া ৩০০০ - ৮০০০ টাকা রাত। 

আপনি চাইলে আত্মীয়-স্বজনের বাসা বাড়িতে থাকতে পারেন। যদি থাকে।

আরো দেখুনঃমধুপুর উপজেলার দর্শনীয় স্থান এবং যাওয়ার উপায় সম্পর্কে জানুন

একদিনের ভ্রমণ

 সকালবেলা ঢাকা থেকে বাসে সরাসরিব বন খড়িয়া শ্রীপুর চলে যাবেন। সারাদিন ঘোরাঘুরি করে। সন্ধ্যার মধ্যে ঢাকায় পৌঁছ যাবেন।

আপনি রাতের সৌন্দর্য উপভোগ করতে চাইলে। সেক্ষেত্রে থাকতে পারেন। তাছাড়া থাকার কোন দরকার হয় না।

শ্রীপুরে কোথায় খাবেন

শ্রীপুর দুপুরের খাবার খেতে পারেন। এই গ্রামে ভালো কোন খাবারের হোটেল পাবেন না। তাই লোকাল রেস্টুরেন্টের বা রেস্তোরাঁয় প্রধান।বন খড়িয়া থেকে শ্রীপুর ১৫ থেকে ২০ মিনিটের রাস্তা।

লোকাল হোটেল

খাবারের মধ্যে যা থাকছে

  • ভাত
  • মাছ ভাজা
  • ডাল
  • সবজি
  • চিকেন/ মটন কারি
  • রুটি
  • ডিমের ভুনা
  • ও সালাদ

জনপ্রতি ২০০ -৩০০ টাকা প্রতিবেলা বাজেটে ধরুন

বন খড়িয়া গ্রামে লোকাল খাবার

দই ভাত

মাছ সবজি ভাজা

পিঠা মৌসুমভেদে

সুবিধা

বেশি খাবার স্বাদ বেশি কম দাম

শ্রীপুর /গাজীপুর

 শ্রীপুর /গাজীপুর শহরে ভালো মানের রেস্টুরেন্ট পাবেন। এখানে পাবেন, বিরিয়ানি, টক মিষ্টি খাবার, চিকেন মাটন, ফাস্টফুড, নুডুলস, চাওমিন। জনপ্রতি ৩০০ - ৪০০ টাকা বাজেটে ধরবেন।

সঙ্গে যা নিবেন

  • পোশাক ও পরিচর্যার জিনিসপত্র
  • ক্যাপ বা টুপি
  • সানস্ক্রিন লোশন
  • বর্ষাকালে অতিরিক্ত কাপড় নিবেন
  • রেনকোট
  • তোয়ালে
  • মশা নিরোধক স্প্রে
  • প্রাথমিক চিকিৎসার ওষুধ পত্র
  • শুকনো খাবার 
  • মোবাইল ফোন ও চার্জার
  • জাতীয় পরিচয় পত্রের ফটোকপি
  • ছোট পলিথিন ব্যাগ
  • নগদ টাকা

আশেপাশে দর্শনীয় স্থান

ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান ১৮ কিলোমিটার দূরে গাজীপুরের সবচেয়ে জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র

  • শালবন লেক পরিবেশবান্ধব প্রকৃতি
  • ভাওয়াল গড় ঐতিহাসিক বনাঞ্চল
  • ভাওয়াল রাজবাড়ী
  • শ্রীপুর কাপাসিয়া এলাকার শালবন
  • বরইতলি বিল
  • ভাওয়ালের দর্শনীয় মসজিদ
  • গাজীপুর রিসোর্ট ইকোপার্ক

বনখড়িয়া-শ্রীপুর-গাজীপুর

১ দিনের জনপ্রতিক খরচ

ঢাকা থেকে একদিনে জনপ্রতিক খরচ ৪৫০- ৯০০ টাকা

ক্লিক করুনঃগাজীপুর জেলার উপজেলা ও থানা কয়টি জানুন

শেষ কথা

আমরা আজকের আর্টিকেলটি বন খড়িয়া শ্রীপুর গাজীপুর যাতায়াত খরচ ও দর্শনীয় স্থান সম্পর্কে সঠিক তথ্য তুলে ধরা হলো। আশা করি বুঝতে পেরেছেন। কোথায় থাকবেন, কিভাবে যাবেন, কি খাবেন, সম্পূর্ণ তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। এরপর ও যদি আপনাদের প্রশ্ন থেকে থাকে। তাহলে আমাদেরকে কমেন্ট বক্সে জানিয়ে দিন। আমরা সঠিক প্রশ্নের উত্তর দিয়ে উপকৃত হব।

বন খড়িয়া শ্রীপুর গাজীপুর ভ্রমণ গাইড, আর্টিকেলটি যদি আপনাদের কাছে ভালো লেগে থাকে। তাহলে আপনাদের আত্মীয়-স্বজনের নিকট শেয়ার করে দিন।  সবার আগে তথ্যবহুল আর্টিকেল পেতে, আমাদের ওয়েবসাইটটি ফলো দিয়ে রাখুন। কারণ আমরা নতুন তথ্যবহুল আর্টিকেল গুলি ওয়েবসাইডে প্রকাশ করি। এতক্ষণ আমাদের সঙ্গে থাকার জন্য, আপনাদের অসংখ্য ধন্যবাদ। আপনাদের সুস্বাস্থ্য কামনা করে, আজকের মত এখানেই শেষ করছি। আল্লাহ হাফেজ। 

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

আপনি সফল ব্লগে নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url