সারিয়াকান্দি কালিতলা ঘাট বগুড়া ভ্রমণ গাইড ও খরচ সম্পর্কে জানুন

 আজকের আর্টিকেলে আমরা সারিয়াকান্দি কালিতলা ঘাট বগুড়া ভ্রমণ গাইড ও খরচ সম্পর্কে সম্পূর্ণ সঠিক তথ্য নিয়ে আলোচনা করব। বিস্তারিত জানতে প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত আমাদের সঙ্গে থাকুন।

সারিয়াকান্দি-কালিতলা-ঘাট

সারিয়াকান্দি কালিতলা ঘাট বগুড়া যমুনা নদীর তীরে অবস্থিত। যাকে প্রেম যমুনার ঘাট নামে ডাকা হয়। সুইচগেট নামেও পরিচিতি। বর্তমানে এটি জনপ্রিয় একটি পর্যটন কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে জায়গা দখল করেছে।

পেজ সূচিপত্রঃসারিয়াকান্দি কালিতলা ঘাট বগুড়া ভ্রমণ গাইড ও খরচ সম্পর্কে জানতে পড়ুন।

সারিয়াকান্দি কালিতলা ঘাট বগুড়া  

সারিয়াকান্দি কালিতলা ঘাট বগুড়া যমুনা নদীর তীরে একটি নৌবন্দর। অনেকে কাছে পর্যটনের সেরা স্থান হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে।বগুড়ার হৃদয়ের সাথে মিশে আছে শান্ত নিরব ও অপূর্ব সৌন্দর্য প্রকৃতি। যার যমুনা নদীর কোল ঘেঁষে দাঁড়িয়ে আছে ।সারিয়াকান্দি কালিতলা ঘাট প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও নদীর টলমলে পানি দূর থেকে ভেসে আসা মৃদু ঠান্ডা বাতাস আর নৌকা গুলোর ছোটা ছুটি এবং সূর্যাস্তের নীলাভ আলো,অসাধারণ সৌন্দর্যের এক দৃশ্যপট।

সারিয়াকান্দি কালিতলা ঘাট বগুড়া নরম বালুকাময় শান্ত  স্নিগ্ধ যমুনা নদীর ঘাট। যেখানে নদীর খোলা প্রাকৃতিক দৃশ্য,নৌকা নিয়ে জেলেদের মাছ ধরা, সবুজ বিস্তীর্ণ নদী পথ নদীর ঝলমলে পানির উপরে শীতের বিদেশি পাখির উড়াউড়ি দূর প্রান্তে দেখা যায় সবুজের সমাহার এক কথায় অসাধারণ সৌন্দর্যের রূপে সেজেছে। যা দর্শনার্থীদের জন্য দুয়ার খুলে সুন্দর্যের রূপ উপভোগ করার সাদরে আহ্বান জানাচ্ছে।

কালিতলা ঘাট নামকরণের কারণ

সারিয়াকান্দি কালিতলা ঘাট বগুড়া নামকরণের কারণ হলো স্থানীয় গ্রামের নাম বা এলাকার নাম কালীতলা গ্রাম এর নাম অনুসারে এই ঘাটের নাম  কালিতলা ঘাট হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।

কালিতলা ঘাটে যা যা দেখবেন

সারিয়াকান্দি কালিতলা ঘাট বগুড়া সৌন্দর্য সত্যিই অসাধারণ প্রাকৃতিকভাবে তৈরি এই সৌন্দর্যের বর্ণনা কতটা রোমাঞ্চকর চলুন নিচে বিস্তারিতভাবে জেনে নেয়া যাক

যমুনা নদীর ওপেন দৃশ্যপট

সারিয়াকান্দি কালিতলা ঘাট বগুড়া সৌন্দর্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো যমুনা নদীর অপূর্ব সৌন্দর্যের দৃশ্য।যমুনা নদীর সাদা ঝলমলে পানির উপরে সূর্যের কিরণ পড়ে, তার রূপের সৌন্দর্য দ্বিগুণভাবে বহিঃপ্রকাশ ঘটে ।ছোট্ট ছোট্ট নৌকা নিয়ে জেলেদের মাছ ধরা মাঝে মাঝে নদীর ঢেউয়ের গর্জন বালুকাময় প্রান্তর থেকে এই দৃশ্য উপভোগ করা জন্য,হাজারো পর্যটক ভিড় জমায়।

আরো পড়ুনঃডাউনহিল ভিউ পয়েন্ট বগালেক ভয়ংকরভাবে সুন্দর বান্দরবান যাওয়ার উপায়

ছোট-বড় নৌকায় ভ্রমণের সুযোগ

সারিয়াকান্দি কালিতলা ঘাট বগুড়া সৌন্দর্য আত্মপ্রকাশ ঘটে যমুনা নদীর বুকে। বয়ে চলা ছোট বড় নৌকায় কালিতলা ঘাটে সারিবদ্ধ ভাবে বেঁধে রাখা হয় তখন দেখতে অসাধারণ লাগে। আর আপনি চাইলে ছোট কিংবা বড় নৌকা দিয়ে দল বেঁধে ভ্রমণ করতে পারবেন। সাথে উপভোগ করতে পারবেন  যেলেদের মাছ ধরার দৃশ্য, ও শীতে অতিথি পাখির আনাগোনা, আবার শুনতে পাবেন জেলেদের মুখে নানান ভাটিয়ালি গানের সুর।

নীলাভ সূর্যাস্তের দৃশ্য উপভোগ

সারিয়াকান্দি কালিতলা ঘাট বগুড়া সৌন্দর্য উপভোগের অন্যতম আরেকটি দিক হলো সূর্যাস্তের নিলাভ সৌন্দর্য উপভোগ করা।পায়ের পাতায় নরম বালির ছোঁয়া  পড়ন্ত বিকেলে সূর্যাস্তের রক্তিম রং , নদীর পানি রং লাল বর্ণ ধারণ করে ,আয়নার মতো ঝিলমিল ঝিলমিল করে সূর্যকে আস্তে আস্তে বিদায় জানিয়ে , ঘনিয়ে সন্ধানামা মনে হয় যেন নৈসর্গিক সৌন্দর্যের রূপের ডালা নিয়ে আমন্ত্রণ জানাচ্ছে । সারিয়াকান্দি কালিতলা ঘাট সূর্যাস্ত দৃশ্য উপভোগ করা স্পষ্ট স্থান বলা হয়ে থাকে।

সারিয়াকান্দি-কালিতলা-ঘাট

নদীর ধারে ফটোশুটে দৃশ্য

সারিয়াকান্দি কালিতলা ঘাট বগুড়া সুন্দর্য উপভোগ করার সাথে সাথে জীবনের কিছু সময় স্মৃতি হিসেবে ক্যামেরাবন্দি করে রাখা ,অনেকের কাছে পছন্দনীয় বিষয় ।নদীর তীরের অকল্পনীয় সৌন্দর্যের দৃশ্য, নতুন পাখিদের আনাগোনা , নদীর ওপেন ঢেউ ছোট বড় নৌকা চলাচল ,চরের অপরূপ দৃশ্য বিকালের পড়ন্ত সূর্যের নিলাম রং ,সব মিলিয়ে ক্যামেরাবন্দি করা অসাধারণ সৌন্দর্যের অধিকারী ।অনেক ইউটিউবার পর্যটকরা  ড্রোন দিয়ে এর সৌন্দর্য ভিডিও করে থাকে। অনেকেই আবার মোবাইলে ছবি তোলা নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। কারো কারো হাতে ক্যামেরার দেখা মিলে। শুধুমাত্র এই সৌন্দর্যকে স্মৃতি হিসেবে সংরক্ষণ করার জন্য।

ঘুরতে যাওয়ার উপযুক্ত সময় কখন

সারিয়াকান্দি কালিতলা ঘাট বগুড়ার সৌন্দর্য উপভোগ করার সবচাইতে সেরা সময় হলো শীতকাল "অক্টোবর থেকে মার্চ"মাস এ সময় নদীর সৌন্দর্য সম্পূর্ণভাবে বহিঃপ্রকাশ ঘটায় ।এই সময়ের ভিতর  সম্পূর্ণ আকর্ষণীয় রূপ তুলে ধরে যেকোনো পর্যটকদের জন্য মনের গহীনে জায়গা করে নেয় ।বর্ষার সময় গেলে নদী ফুলে ওঠে তখনো দৃশ্য সুন্দর হয় কিন্তু এ সময় নৌকা ভ্রমন এবং নদী ভাঙ্গনের ভয় থাকে তাই চরাঞ্চলে যাওয়া সম্ভব হয় না

সারিয়াকান্দি কালিতলা ঘাট বগুড়া যাওয়ার উপায়

ঢাকা থেকে কালিতলা ঘাট যেতে হলে প্রথমে আপনাকে বগুড়া শহরে আসতে হবে।এখান থেকে কালিতলা যমুনার ঘাট যাওয়ার জন্য আপনাকে সিএনজি কিংবা অটো রিক্সা নিতে হবে,তাহলে পৌঁছে যাবেন আপনার গন্তব্য স্থলে তুলুন নিচে বিস্তারিত ভাবে জেনে নেওয়া যাক ।

ঢাকা থেকে বগুড়া যাওয়ার উপায়

ঢাকা থেকে বগুড়া যাওয়ার জন্য আপনাকে বাই রোড বেছে নিতে হবে অসংখ্য বাস চলাচল করে থাকে । নিচে বাসের নামগুলোর তালিকা তুলে ধরা হলো চলুন জেনে নেওয়া যাক

হানিফ পরিবহন

বাংলালিংক পরিবহন

এসি ডিলাক্স পরিবহন

শ্যামলী পরিবহন

শাহ ফতেহ আলী পরিবহন

নাবিল পরিবহন এগুলো নন এসি বাসের তালিকা এগুলো ঢাকা গাবতলী বাস টার্মিনাল কল্যাণপুর বাস টার্মিনাল মহাখালী বাস টার্মিনাল ও উত্তরা বাস টার্মিনাল থেকে ছেড়ে আসে ।

আরো পড়ুনঃচেয়ারম্যান লেক প্রকৃতির নিস্তব্ধতায় সৌন্দর্যের বহিঃপ্রকাশ  ভ্রমণ গাইড সম্পর্কে জানুন 

যার ভাড়া ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে

এসি বাসের তালিকা

এনায়েতপুর পরিবহন

গ্রীন লাইন পরিবহন

দেশ ট্রাভেল পরিবহন

এবং হানিফ পরিবহন

এসব বাসের ভাড়া এক হাজার থেকে ১৪০০ টাকার মধ্যে হবে

ঢাকা থেকে বগুড়া যেতে কত সময় লাগে

সারিয়াকান্দি কালিতলা ঘাট বগুড়া বাস টার্মিনালে পৌঁছাতে ঢাকা থেকে সময় লাগে ৪.৫-৫.৫ ঘন্টা

বগুড়া থেকে কালিতলা ঘাট

সারিয়াকান্দি কালিতলা ঘাট বগুড়া থেকে পৌঁছানোর জন্য আপনাকে সিএনজি কিংবা অটোরিকশা দিতে হবে।পৌঁছাতে সময় লাগে ১৫ থেকে ২০ মিনিট সিএনজি ভাড়া দেড়শ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত হয়। আপনি চাইলে মোটরবাইকে ১০০ থেকে ১৫০ টাকা ভাড়া দিয়ে ১০ থেকে ১৫ মিনিটের মধ্যে পৌঁছে যেতে পারেন ।এছাড়াও ভ্যান যোগেযোগে পৌঁছাতে পারবেন ৪০ থেকে ৫০ টাকা ভাড়া নেবে সময় লাগবে ৩০ থেকে ৪০ মিনিট।

সংক্ষিপ্ত রুট এর বিবরণী

ঢাকা-বগুড়া শহর-মহাস্থান গেট-কাজলা/শাজাহানপুর-কালিতলা ঘাট

ট্রেনে বগুড়া যাওয়ার উপায়

আপনি ঢাকা কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে সরাসরি বোনারপাড়া স্টেশন পর্যন্ত যেতে পারবেন ।এখানে নেমে যেতে হবে ।এখান থেকে বাসে অথবা সিএনজিতে বগুড়া আসা যায় চলাচলকারী ট্রেনের নাম সমূহ।

ট্রেনের নাম

লালমনি এক্সপ্রেস

রংপুর এক্সপ্রেস

বুড়িমারী এক্সপ্রেস

বোনারপাড়া থেকে বাসে আট ৮০ টাকা থেকে ১০০ টাকা ভাড়া নেবে ৩০ থেকে ৪৫ মিনিট সময় লাগবে। এরপরে বগুড়া কালিয়াঘাট ১৫ থেকে ২০ মিনিট পৌঁছে যাবেন সঠিক গন্তব্যে । 

আরো পড়ুনঃমোহনপুর পর্যটনকেন্দ্র দেশের একমাত্র মিঠা পানির বিচ চাঁদপুর ভ্রমণ গাইড

ঢাকা টু বগুড়া ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়ার তালিকা

ট্রেনের নাম ছাড়ার সময় পৌঁছানোর সময় ছুটির দিন
বুড়িমারী এক্সপ্রেস ৮:৩০ am ৩: pm মঙ্গলবার
রংপুর এক্সপ্রেস ৯:১০ am ৩:৩৬ pm সোমবার
লালমনি এক্সপ্রেস ৯:৪৫ pm ৪:২০ am শুক্রবার

ট্রেনের ভাড়া সমুহ

বুড়িমারী এক্সপ্রেস ট্রেনের ভাড়া শোভন চেয়ার ৪৭৫ টাকা স্নিগ্ধা ৭৯০ টাকা এসি চেয়ার ৯৫০ থেকে ১১১৩ টাকা পর্যন্ত

রংপুর এক্সপ্রেস ট্রেনের ভাড়া শোভন চেয়ার ৪৭৫ টাকা স্নিগ্ধ ৭৯০ টাকা এসি চেয়ার ৯৫০ থেকে হাজার ৯৩ টাকা

লালমনি এক্সপ্রেস ট্রেনের ভাড়া আগে ছিল ৩৩০ টাকা বর্তমানে ৩৯৫ টাকা শোভন চেয়ার স্নিগ্ধা বর্তমানে ৬৬০ টাকা এসি ৭৯০ টাকা 

বিশেষ দ্রষ্টব্যঅনলাইনে টিকিট নিলে টিকিটের উপরে অতিরিক্ত চার্জ নেয়া হবে ।

কালিতলাঘাট বগুড়া গিয়ে কোথায় থাকবেন

সারিয়াকান্দি কালিতলা ঘাট বগুড়া গিয়ে থাকার জন্য ভালো মানের হোটেল পাবেন না তাই শহরের মধ্যে চলে আসতে হবে এখানে উন্নত মানের হোটেল আছে হোটেল গুলোর নাম হল

হোটেল নাজ গার্ডেন সিলিমপুর বগুড়া বাইপাস মোবাইল নাম্বার ০১৭৫৫ ৬৬১১৯৯
মম ইন পার্ক রিসোর্ট নওদাপাড়া রংপুর রোড বগুড়া মোবাইল নাম্বার ০১৭৫৫ ৬৬৯৯০০
হোটেল সিস্টা ফুল দীঘি বনানী বগুড়া মোবাইল নাম্বার ০১৬১৩ ৮০১১ ১৪
হোটেল আকবরিয়া কাজী নজরুল ইসলাম রোড থানা বগুড়া মোবাইল নাম্বার ০১৭১৬ ১৭৯৯৮২

রুম ভাড়া কম বাজেটের মধ্যে ৪ থেকে ৫ হাজারের মধ্যে হবে এবং বিলাসিতার জন্য নয় থেকে ১২ হাজার টাকা প্লাস হবে ।

কালিতলা ঘাটে কোথায় খাবেন

সারিয়াকান্দি কালিতলা ঘাটে গিয়ে খাবারের তেমন কোনো ব্যবস্থা নেই তাই আপনাকে বগুড়া শহরে চলে আসতে হবে এখানে ভালো মানের হোটেল রেস্টুরেন্ট রয়েছে হোটেল গুলোর নামের তালিকা নিচে তুলে ধরা হলো
রংধনু রেস্টুরেন্ট
টুয়েলভ রেস্টুরেন্ট
মামুরা রেস্টুরেন্ট
বনফুল ও নতুন বাজার ফুড কর্নার
এসব রেস্টুরেন্ট গুলো লোকাল বাজারে আশেপাশে অবস্থিত ।


খাবারের তালিকা
ভাত
মাংস
মাছ
শাকসবজি
ভর্তা ভাজি
ও ডাল
দেড়শ টাকা থেকে ২২০ টাকার মধ্যে খাওয়া কমপ্লিট ।

এছাড়া ভালো মানের খাবার পেতে হলে আপনাকে হোটেল সুরমা হাউস বগুড়া ক্যাফে আড্ডা বগুড়া ফিড চিকেন এন্ড সে ফুড যেতে হবে । এ রেস্টুরেন্ট গুলোতে উন্নত মানের খাবার পাওয়া যায়।
খাবারের তালিকায় থাকছে ফাস্টফুড ,সাওয়ারমা , পিজ্জা , ক্যাফে , চাইনিজ কফি,সহ আড্ডা দিতে পারবেন ।চাইনিজ রেস্ট তোরা অসাধারণ খাবার।

কালিতলা ঘাট বগুড়া আশেপাশের দর্শনীয় স্থান

সারিয়াকান্দি কালিতলা ঘাট বগুড়া সৌন্দর্যের প্রতীক যমুনা নদীর তীর ভ্রমণের পরে এর আশেপাশের গুরুত্বপূর্ণ দর্শনীয় স্থান রয়েছে।যদি হাতে সময় থাকে তাহলে এ স্থান  গুলো ঘুরে যেতে পারেন । চলুন কি কি গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন কেন্দ্র রয়েছে সেগুলো সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক

মহাস্থানগড়
বিহারটেক 
ভাসুবিহার ।

সারিয়াকান্দি-কালিতলা-ঘাট

করতোয়া নদীর ভিউ 
শাজাহানপুরের চরাঞ্চল 
বগুড়া জাদুঘর ।

সতর্কতামূলক বার্তা

সারিয়াকান্দি কালিতলা ঘাট বগুড়া যমুনা নদীর তীর রহমানের সময় কিছু সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি চরম কি কি সতর্কতা অবলম্বন করবেন, নিচে জেনে নেয়া যাক,

বর্ষার সময় নৌকায় উঠবেন না।
শীত মৌসুমেও সাঁতার শেখা জরুরী।
সন্ধ্যার সময় নদীর তীরে ভিড় বেশি না থাকলে সব সময় সাবধানে থাকবেন।
শিশুদের চোখের আড়াল করবেন না।
যেখানে সেখানে ময়লা ফেলবেন না এতে পরিবেশ নষ্ট হয়।

আমাদের শেষ কথা

প্রিয় পাঠক, আজকের আর্টিকেলটি সারিয়াকান্দি কালিতলা ঘাট বগুড়া ভ্রমণ গাইড ও খরচ সম্পর্কে সম্পূর্ণ সঠিক তথ্য তুলে ধরা হয়েছে ।আশা করছি বুঝতে পেরেছেন ।কোথায় যাবেন ,কি খাবেন ,কিভাবে পৌঁছাবেন,সম্পূর্ণ,ভাবে বিস্তারিত বর্ণনা দেওয়া হয়েছে ।এরপরও যদি আপনাদের কোন রকমের প্রশ্ন থেকে থাকে। তাহলে আমাদেরকে কমেন্ট বক্সে জানাবেন।আমরা পুনরায় সঠিক তথ্য দিয়ে উপকৃত হব।

সারিয়াকান্দি কালিতলা ঘাট বগুড়া যদি আপনাদের কাছে পছন্দনীয় হয়ে থাকে ,তাহলে বন্ধুবান্ধব আত্মীয়-স্বজনের নিকট বেশি করে শেয়ার করে দিবেন।যাতে করে তারা অবসর সময় এই সুন্দরতম জায়গাটি উপভোগ করে আসতে পারে । আর আমাদের ওয়েবসাইটটি ফলো দিয়ে সঙ্গে থাকুন । আমরা প্রতিনিয়ত নতুন নতুন আর্টিকেল এই ওয়েবসাইটে প্রকাশ করে থাকি । এতখন আমাদের সঙ্গে থাকার জন্য, আপনাদের অসংখ্য ধন্যবাদ।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

আপনি সফল ব্লগে নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url