কনফিডেন্স পাওয়ারের আইপিও: কত টাকা সংগ্রহ করবে এবং কোথায় বিনিয়োগ হবে
আজকের আর্টিকেলে কনফিডেন্স পাওয়ারের আইপিও: কত টাকা সংগ্রহ করবে এবং কোথায় বিনিয়োগ হবে এবং কিভাবে বেনিফিট পাবেন, প্রাথমিক পর্যায়ে কিভাবে আবেদন করবেন সম্পূর্ণ আপডেট তথ্য জানতে এক নজরে পড়ুন।
কনফিডেন্স পাওয়ার আইপিও এন্ড এনার্জি পি এল সি মূলত পুঁজিবাজারে বুক বিল্ডিং সিস্টেমে যেখানে গণ প্রস্তাবনায় টাকা সংগ্রহ ও বিনিয়োগ করে বেনিফিট সংগ্রহের চেকলিস্ট পদ্ধতি তৈরি করা হয়।
পেজ সূচিপত্রঃ কনফিডেন্স পাওয়ারের আইপিও: কত টাকা সংগ্রহ করবে এবং কোথায় বিনিয়োগ হবে এ সম্পর্কে জানতে পড়ুন।
- কনফিডেন্স পাওয়ারের আইপিও
- আইপিও কি
- আইপিওতে আবেদন করার নিয়ম
- বিও একাউন্ট খোলার সহজ উপায়
- কনফিডেন্স পাওয়ারের আইপিও কি
- কনফিডেন্স পাওয়ার আইপিও কোথায় অনুষ্ঠিত হবে
- নতুনদের জন্য সম্পূর্ণ গাইড
- সম্ভাব্য সতর্কতা অবলম্বন
- নতুনদের জন্য ঝুঁকি ও এড়িয়ে চলুন
- সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর পর্ব
- আমাদের শেষ কথা
কনফিডেন্স পাওয়ারের আইপিও
কনফিডেন্স পাওয়ারের আইপিও যেটা মূলত কনফিডেন্স গ্রুপ অফ কোম্পানির শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তিকরণ এখানে বিনিয়োগ ও পরিমান মত টাকা সংগ্রহ করে বেনিফিট আদায় পদ্ধতি। সম্প্রতি অনেক কোম্পানি আইপিওতে শেয়ার বাজার নিয়ে আসছে। কিন্তু আমরা কিভাবে বুঝব কোন কোম্পানি ভাল হয়, আবার সব কোম্পানি খারাপ হয় না। তাহলে এমনকি পয়েন্টস আছে যেগুলো জেনে গেলে আইপিওতে ইনভেস্টমেন্ট করতে পারবো এবং কোন আইপিও এড়িয়ে চলব। তাহলে চলুন নিচে বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক।
আইপিও কি
আইপিও (IPO) মানে হলো পূর্ণরূপ হলো Initial Public Offering ইনিশিয়াল পাবলিক অফারিং। মূলভাব অর্থ বাংলায় যাকে বলা হয় প্রাথমিক শেয়ার প্রস্তাব। আপনি মনে করুন বর্তমানে এখনো পর্যন্ত কোনো কোম্পানি শেয়ার বাজার স্টক মার্কেটে লিস্টে নেই। কিন্তু লিস্টের বাইরে আছে, তাহলে ওই কোম্পানির সাথে আমরা বাই সেলস করতে পারব না। এমন সময় ওই কোম্পানি চিন্তা করল তাদের কোম্পানিকে স্টক মার্কেট / লেনদেন ব্যবসা সম্প্রসারণের জন্য বাইসেলস লিস্ট করাবে। মূলধন সংগ্রহের উদ্দেশ্যে। যেখানে সাধারণ মানুষরাও ওই কোম্পানিতে বাইসেলস করাতে পারে। তাহলে প্রথমবার যখন কোম্পানি কিছু নিয়ম-নীতি বা শর্ত পূরণের মাধ্যমে সাধারণ জনগণের কাছে শেয়ার বিক্রি করে, এবং শেয়ার বাজারে তালিকাভুক্তি করন করা হয়। তখন তাকে আইপিও বলে।
আরো জানুনঃ ড্রপশিপিং কি? নতুনদের জন্য ড্রপশিপিং থেকে অনলাইনে আয় করার সহজ উপায়
আইপিওতে আবেদন করার নিয়ম
বর্তমানে আইপিওতে আবেদন করার নিয়ম একদম সহজ। সম্পূর্ণ ডিজিটাল প্রক্রিয়ায় আবেদন করা হয়। নিচে আবেদনের শর্তাবলী তুলে ধরা হলো।
একাউন্ট তৈরির প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস
আপনার অবশ্যই বিও সক্রিয় একাউন্ট থাকতে হবে। এজন্য একাউন্টে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দরকার। যেমন
ব্যক্তিগত এনআইডি কার্ড,
পাসপোর্ট সাইজের রঙ্গিন ছবি
চেক বইয়ের পৃষ্ঠা সেটা ব্যাংক অ্যাকাউন্ট সার্টিফিকেট হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে
নমিনির প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা রাখতে হবে, যৌথ একাউন্ট হলে উভায়েরে একই নিয়মে
কাগজপত্র জমা দিতে হবে।
প্রবাসীদের ক্ষেত্রে বৈধ ভিসা মেয়াদ সহ ওয়ার্ক পারমিট ভিসা আকামার কপি ব্যাংক
স্টেটমেন্ট বাংলাদেশের যদি কেউ থাকে তাহলে তার প্রতিনিধি হিসেবে এনআইডি ছবি।
আইপিওতে আবেদনের পূর্বশর্ত হিসেবে বিও একাউন্টে সেকেন্ডারি মার্কেটের তালিকাভুক্ত শেয়ারে নির্ধারিত ন্যূনতম তালিকাভুক্ত বিনিয়োগ (যেমন: ৫০,০০০ টাকা) থাকতে হবে
আপনার একাউন্টে পর্যাপ্ত পরিমাণ টাকা জমা থাকতে হবে।
বিও একাউন্ট খোলার সহজ উপায়
প্রথমে ব্রোকারেজ হাউজের ওয়েবসাইট অপশনে যান। এরপর অনলাইন বিও ওপেনিং এ ক্লিক করুন, এখন আপনার একজ্যাক্ট ইমেল, মোবাইল নাম্বার ও এনআইডি কার্ড দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করুন। ব্যাংক চেক ছবি এনআইডি কার্ড আপলোড করুন। অনলাইন ফ্রী ৫০০ থেকে ১০০০ টাকা পরিশোধ করুন।
দ্বিতীয়তঃ সরাসরি আপনি নিজে ব্রোকারেজ হাউজে গিয়ে যোগাযোগ করে একাউন্ট খুলে নিতে পারেন। যোগাযোগের জন্য সরাসরি লাইনে ফোন করুন। তাদের ওয়েবসাইটে এই ফোন নাম্বার পাবেন।
আইপিওতে আবেদন করার তিনটি উপায়
প্রথমটি হল
আপনার হাতে থাকা মোবাইলে ব্রোকারেজ হাউজের নির্দিষ্ট অনলাইন ট্রেডিং অ্যাপস
পোর্টাল লগইন করুন।
প্রথমে আইপিওর প্রাইমারি মার্কেট অপশনে যান, এরপর নির্দিষ্ট কোম্পানির নাম
নির্বাচন করুন। টাকার পরিমাণ বাটনে ক্লিক করুন।
দ্বিতীয়তঃ আপনি যদি সম্পূর্ণ নতুন হন তাহলে তাদের অফিসিয়াল বা হট লাইনে ইমেইলে
সাথে যোগাযোগ করুন। যা ব্রোকারেজ হাউজ আপনার হয়ে আবেদন করবে।
তৃতীয়ত প্রো রাটা হওয়া পর্যন্ত আপনার একাউন্টে হোল্ড হয়ে থাকবে। এ টাকা
অন্য কোন কাজে কেউ ব্যবহার করতে পারবে না।
প্রো রাটা শেয়ার বরাদ্দ
প্রো রাটা বরাদ্দ যা সবাইকে অনুপাতিক হারে শেয়ার বরাদ্দ করে। মানে হল আবেদনকারী
প্রত্যেকেই কিছু না কিছু শেয়ার পাওয়ার সুযোগ পায়। আপনি যদি প্রো রাটাতে সফল হন
তাহলে আপনার বিও একাউন্টে জমা হবে। পরবর্তীতে অবশিষ্ট টাকা আপনার ব্যাংক একাউন্টে
ফেরত দেওয়া হবে।
আরো পড়ুনঃ হোয়াটসঅ্যাপ বিজনেস শুরু করার উপায় ও অটো গ্রিটিং মেসেজ সেটআপ
কনফিডেন্স পাওয়ারের আইপিও কি
কনফিডেন্স পাওয়ারের আইপিও হল, বাংলাদেশী বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের অন্যতম পরিচিত প্রতিষ্ঠান। যার অঙ্গ সংগঠনগুলো শেয়ার বাজারের ভিতরে তালিকাভুক্ত। মূলত শেয়ার দিয়ে প্রাথমিক মূলধন সংগ্রহের একটি IPO এর সুপরিকল্পনা। এর সাথে যুক্ত প্রজেক্টটি হলো কনফিডেন্স পাওয়ার বগুড়া লিমিটেড বলা হয়।
কনফিডেন্স পাওয়ার আইপিওর মূল কাজ হল বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন ব্যবসায়ী বিনিয়োগ করা। আর এ কোম্পানির মূল উদ্দেশ্য হলো ব্যবসার সম্প্রসারণ ঘটানো, এবং নতুন পাওয়ার প্লান্ট বাস্তবায়ন ও ব্যাংক ঋণ পরিশোধ করার চেষ্টা। আইপিও সদস্যদের মূলধন বৃদ্ধি।
কনফিডেন্স পাওয়ার আইপিও কোথায় অনুষ্ঠিত হবে
আই পিওর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা কনফিডেন্স পাওয়ার এন্ড এনার্জি ব্যবসায়ী কার্যক্রম শেয়ার বাজারে ১৮ই অক্টোবর সন্ধ্যা ৭টায় রাজধানী রেডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেন হোটেলে এই কর্ণফারেন্স ২০২৬ আইপিও এর মাধ্যমে রোড শো করা হবে। এখানে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কোম্পানির অপার সম্ভাবনা কি বিনিয়োগের কারীদের সামনে তুলে ধরা হবে।
IPO কত টাকা সংগ্রহ করবে
আইপিও বা কনফিডেন্স পাওয়ার গ্রুপের অন্যতম অঙ্গ প্রতিষ্ঠান কনফিডেন্ট পাওয়ার বগুড়া লিমিটেড । এ কোম্পানি বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে ফান্ড থেকে ৪০০ কোটি টাকা গ্রহণের পরিকল্পনা করেছে। সাধারণ বিনিয়োগ শেয়ারকারীদের জন্য বিডিং প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শেয়ারের কাট-অফ প্রাইস নির্ধারিত হয়।
কোথায় বিনিয়োগ হবে
IPO কনফিডেন্স পাওয়ার এন্ড এনার্জি পিলসি বগুড়া ৪০০কোটি টাকা যে খাতে ব্যবহার বিনিয়োগ করা হবে
প্রথমত সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ (সোলার পাওয়ার প্রজেক্ট) এটি কক্সবাজারের
১০০মেগাওয়াট সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র তৈরির প্রকল্পে সোলার পাওয়ার প্ল্যান্ট
নির্মাণ ও বাস্তবায়নে ব্যবহার করবে।
দ্বিতীয়তঃ আপনার আবেদনকৃত টাকা যৌথ প্রজেক্টে ইক্যুইটি বিনিয়োগ কনফিডেন্স ডোরিন পাওয়ার লিমিটেড, মূলধন যোগাতে ব্যবহার করা হবে। যা প্রজেক্টর ১০০ মেগা ওয়াট ক্ষমতার সম্পূর্ণ সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র পরিচালিত হবে। এটা মূলত জাতীয় পর্যায়ে ব্যবহারযোগ্য।
তৃতীয়তঃ আইপিও ফান্ডের সুদের বোঝা কমানোর জন্য ব্যাংক ঋণ পরিশোধের উদ্দেশ্যে সুদ
কমানোর জন্য ব্যবহার করা হবে।
পরিবর্তনের কারণ
কনফিডেন্স পাওয়ার অ্যান্ড এনার্জি পিএলসি ফান্ডের তথ্য অনুযায়ী বর্তমান কোম্পানি বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ৩৯৩.১৬ মেগাওয়াট। ফার্নেস তেল ভিত্তিতে হয়ে থাকে । কিন্তু আই পিওর ৪০০ কোটি টাকা নবায়নযোগ্য শক্তিতে সৌর বিদ্যুৎ বিনিয়োগে সম্পন্ন করা হলে, কোম্পানি ফান্ডে আরও ১৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।
নতুনদের জন্য সম্পূর্ণ গাইড
সম্ভাব্য সতর্কতা অবলম্বন
নতুনদের জন্য ঝুঁকি ও এড়িয়ে চলুন
আরো দেখুনঃ অনলাইন রিমোট জব পাওয়ার সেরা ২০টি উপায়: নতুনদের সম্পূর্ণ গাইড
সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর পর্ব
এখানে ক্লিক করুনঃ স্টুডেন্টদের জন্য মোবাইল দিয়ে টাকা আয়ের ১০ টি সহজ উপায়

.webp)
.webp)
আপনি সফল ব্লগে নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url