কম টাকায় বাংলাদেশ থেকে এশিয়ান কোন কোন দেশ যাওয়া যায়

প্রিয় পাঠক, আপনি কি কম টাকায় বাংলাদেশ থেকে কোন এশিয়ান দেশ যাওয়া যায় ২০২৬, এ সম্পর্কে ভাবছেন, তাহলে আজকের আর্টিকেলে সঠিক তথ্য এক নজরে জানুন।


কম-টাকায়-কোন-এশিয়ান-দেশ-ভ্রমণ
আপনার বাংলাদেশ থেকে সহজে, কম টাকায় এশিয়ান যেসব দেশে ভ্রমণ করা যায়। এবং খরচ-ই বা কত হয়, তার বিস্তারিত আপডেট তথ্য সম্পর্কে আজকের আর্টিকেল থেকে জেনে নিতে পারেন ।

পেজ সূচীপএঃকম টাকায় বাংলাদেশ থেকে এশিয়ান কোন কোন দেশ যাওয়া যায়  ২০২৬।

কম টাকায় বাংলাদেশ থেকে এশিয়ান কোন কোন দেশ যাওয়া যায়

কম টাকায় বাংলাদেশ থেকে এশিয়ান কোন কোন দেশ যাওয়া যায়। আমরা অনেক চিন্তা ভাবনা করি। মূলত যেসব ভেবে থাকি, এ যেনো শুধু টাকার কারণ, তাই বাইরে ঘুরতে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। কিন্তু আমরা যদি একটু মাথা খাটিয়ে চলতে পারি। তাহলে ভূটাণ এর হিমালয় কাশ্মীর পর্যটন কেন্দ্র গুলো ভ্রমন করতে পারবো।এখন প্রশ্ন হলো, এত কম টাকায় কিভাবে যাবো? এটা কি আদৌ সম্ভব । হ্যাঁ সম্ভব, তার জন্য অল্প পুজিতে, বিদেশ থেকে সহজে বেড়িয়ে আসতে হলে। অগ্রীম কিছু কার্যকরী পরিকল্পনা গ্রহণ করা প্রয়োজন। তাহলে দেরি কেন? চলুন কিভাবে অল্প পুজিতে বিদেশ যাওয়া যায়। এ বিষয়ে কিছু সঠিক ধারনা নেওয়া যাক।

আরও পড়ুনঃসরকারিভাবে কোন দেশে যাওয়া যায় জানুন

কম টাকায়  বিদেশ ভ্রমণে উপায়।

কম টাকায় বাংলাদেশ থেকে এশিয়ান কোন কোন দেশ যাওয়া যায়। এ এজন্য আপনাকে অনেক আগে থেকে পরিকল্পনা শুরু করতে হবে। হঠাৎ কোন সিদ্ধান্ত নিয়ে ঘুরতে গেলে, অনেক টাকা লেগে যাবে। এজন্য যেসব পূর্ব প্রস্তুতি গ্রহণ করে ঘুরতে যেতে হয় । সেসব সিদ্ধান্ত গুলো নিন্মে আলোচনা করা হলো।

পূর্ব প্রস্তুতি গ্রহণ ও টিকিট ক্রয়

পূর্ব প্রস্তুতি প্রথম যে পদক্ষেপ। তা হলো অগ্রীম টিকিট কেটে রাখা। যার জন্য আপনি অনেক বড় খরচের  থেকে বেঁচে যাবেন।  জরুরী সময় অনেক চড়া দামে বাস, ট্রেন ও বিমানের , টিকিট ক্রয় করতে হয়।
তাই আমাদের অধিক মূল্য দিয়ে টিকিট ক্রয় না করে আগেই সিদ্ধান্ত গ্রহন করে। অগ্রিম টিকিট ক্রয় করা প্রয়োজন।

অগ্রিম পাসপোর্ট তৈরি

আমি যদি পাসপোর্ট ব্যাপারে বলতে চায়। তাহলে পাসপোর্ট তৈরিতে, প্রায় ৪ মাস সময় লেগে যায়। এরপর যদি ভিসার কথা বলি, তাহলে প্রায় ১ থেকে দেড় মাস সময় লাগে। এই ছয় মাসে আপনি চাইলে টাকা জমানোর জন্য,   অগ্রীম অনেক দীর্ঘ মেয়াদে পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারবেন।

দেশ নির্বাচন

এখন আসি গুরুত্বপূর্ণ জায়গায়, আপনি কোন দেশ  নির্ধারণ করবেন। সেজন্য আগে থেকে চিন্তা ভাবনা শুরু করে দিন । তা নাহলে  বেশি টাকা খরচ হয়ে যাবে । যেসব দেশে ঘুরতে গেলে খরচ কম হবে।সেসব দেশ সম্পর্কে গভীরভাবে ভাবুন। 

আপনাদের সুবিধার জন্য, আমি কিছু দেশ সম্পর্কে আলোচনা করছি। কম খরচে এসব দেশগুলো আপনাদের জন্য, আশা করছি ভালো হবে। তাহলে দেরি না করে জানুন।

ভারতের  আন্দমান দ্বীপ পর্যটন কেন্দ্র।

আন্দমান দ্বীপ ভারতীয় অঞ্চলের একটি কেন্দ্র শাসিত অঞ্চল। বঙ্গোপসাগর ও আন্দমান সাগর ভারতীয় উত্তর অঞ্চলে অবস্থিত। আপনি চাইলে এই পর্যটন কেন্দ্রটি,পরিকল্পনায় রাখতে পারেন। এখান থেকে আপনি সীমিত খরচ ভ্রমণ করতে পারবেন। এই দ্বীপ থেকে সূর্য্যয়াস্তের লিলাভূমি, নিকোবরের ব্যারেন দ্বীপ, দক্ষিন এশিয়ার একমাএ আগ্নেয়গিরি। আন্দমান দ্বীপ থ্যাইল্যান্ড ও মায়ানমারকে বিছিন্ন করেছে। আন্দমান দ্বীপে প্রাগতিহাসিক জনবস্তি আছে। এজন্য আপনার ভ্রমন সার্থক হয়ে যাবে।

আন্দমান জনবসতি একতৃতীয় অংশ মানুষ, বাংলা ভাষায় কথায় বলে। সংগ্রামি বিল্ববের সময়, এখানে অনেক বাংগালি কারা বন্দী হয়। এই কারনে এখানে ভাষা বাংলা। ১৮৫৭ সালে মহাবিদ্রোহের সময় ব্রটিশ সরকার, আন্দামান দ্বীপে কারাবন্দী অর্থাৎ জেলখানা তৈরি করে। এ জন্যই আন্দামান দ্বীপ বাংলার ভাষার  পর্যটন কেন্দ্র ।

আন্দমান উপসাগরে মধ্যে, সূর্যাস্তের রক্তিম লিলাভূমি ও আগ্নেয়গিরি দ্বীপপুঞ্জ। যা দর্শনীয় স্থানগুলো আপনার ভ্রমণকে দ্বিগুণ রোমাঞ্চক করে তুলবে।

সিঙ্গাপু্র  ফ্লাইয়ার পর্যটন কেন্দ্র ভ্রমন।


কম টাকায় বাংলাদেশ থেকে এশিয়ান কোন কোন দেশ যাওয়া যায়, এরমধ্যে সিঙ্গাপুর সারা বিশ্বের মানুষের কাছে একটি দর্শনীয় স্থান। সিঙ্গাপুরের দর্শনীয় স্থানের মধ্যে আছে, মেরিনা বে-তে সিঙ্গাপুর ফ্লাইয়ার। এটাকে সিঙ্গাপুরের প্রতীক হিসাবে রাখা হয়েছে। এই ফ্লাইয়ার বিশ্বের ঊচু নাগরদোলা নামে পরিচিতি। যার উচ্চতা ১৬৫ মিটার। এর ফ্লোর তিনভাগে বিভক্ত। ফ্লাইয়ার দেখতে হাজারো মানুষ ভিড় জমায়।

আরো পড়ুনঃIELTS ছাড়া ইউরোপের কোন দেশে যাওয়া যায়

ঢাকা  থেকে সিঙ্গাপুর ফ্লাইয়ার  যাওয়ার জন্য, মালিন্দ বিমান , জেড এয়ার ওয়েজ এবং মালোশিয়ান এয়ার লাইন্স  বিমান  চলাচল করে। আপনার যেতে ১৫-২০ হাজার  লাগবে। মেট্ররেলে ভ্রমন করলে অনেক খরচ কম হবে। এখানে আপনার অনেক টাকা সাশ্রয়ী হবেন।

আপনাকে ঢাকায়  ভিসা অফিসে যেয়ে, ফরমালিটি পূরন করে জমা দিতে হবে। তারা ১৫ থেকে ২৫ দিনের মধ্যে ভিসা দিয়ে দিবে। তারপর অনলাইনের মাধ্যমে টিকিট কিনে, ফ্লাইট এর সময় হলে, আপনি সিঙ্গাপুর সিটি চলে যান।

কম-টাকায়-কোন-এশিয়ান-দেশ-ভ্রমণ

মালদ্বীপেবারোস আইল্যান্ড পর্যটন কেন

মালদ্বীপ এর বারোস আইল্যান্ড পর্যটন কেন্দ্র। প্রশাসনিক তত্তবাধানে গড়ে উঠা, লাক্সারি রিসোর্ট এর সাথে জুড়ে আছে দ্বীপ। বারোস আইল্যান্ড যেতে হলে খরচ একটু বেশি হতে পারে। কিন্তু সেখানে যদি যাওয়া যায়, আর খরচ যদি একটু বেশি  হয়। অন্যান্য খরচের চাইতে হালকা বেশি। আপনি ঘুরে মজা পাবেন, প্রকৃতির মিশে।পর্যটক দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য  এই স্থান কে সৌন্দর্য মন্ডিত করা হয়েছে ।

সমুদ্রিক যে অঞ্চল আছে "বারোস আইল্যান্ড"তার মধ্যে শীর্ষ অঞ্চল। এখানকার আবহাওয়া সবসময় প্রতিকুল পরিবেশে থাকে। মালদ্বীপ এয়ারপোট থেকে মাত্র ২৫ কিমি. দূরে, মালদ্বীপে বারোস আইল্যান্ড পর্যটন কেন্দ্র।এখানকার জলরাশির মধ্যে লেনুনে ড্রাইভিং করার অভিনব সুযোগ পাবেন। সামুদ্রিক স্বচ্ছ পানির ভিতরে কোরালের আবাস স্থল। যার চারিপাশ আনন্দ কোলাহল মুখরিত হয়ে উঠে ।

মালোশিয়া আরেক নামট অতিথি আপ্যায়ণে পারর্দশী। যদি ঘুরতে চান ছোট ছোট দ্বীপ দেখবেন। তবে আলাদা খরচ বহন করতে হবে। এক জনের খরচ আসবে, প্রায় ৭০ হাজার থেকে ৮০ হাজার টাকা।যদি আপনি রিসোর্ট থেকে একটু রাত্রি যাপন করেন। আরো খরচ কমে যাবে। 

ইন্দোনেশিয়া গিলি আইল্যান্ড পর্যটন কেন্দ্র।

লম্বকের বড় আইল্যান্ড বা ইন্দোনেশিয়ার সবচেয়ে বড় আইল্যান্ড হ লো গিলি আইল্যান্ড  পর্যটন কেন্দ্র। গিলি মেনো ও গিলি এয়ার নামে ছোট ছোট তিন টি দ্বিপ নিয়ে গড়ে উঠা ইন্দোনেশিয়া গিলি আইল্যান্ড ।
প্রকৃতির সাথে মিশে আছে স্মুদ্রিক জল রাশি ও দ্বীপ।পুঞ্জ।

জনসংখ্যা ও ভূমি দিয়ে গঠিত হয়েছে ইন্দোনেশিয়ার মত বৃহৎ দেশ।এখানে প্রায় ছোট বড় মিলে দ্বীপ রয়েছে ১০১৮০ টি মত।এরা ভাষা জানে প্রায় ২৫০ মত।পর্যটন কেন্দ্র অনেক আছে ,আসুন জানি কি কি আছে এখানে।

১। গিলি আইল্যান্ড বা লম্বক এর সবচেয়ে বড়দ্বীপ হলো গিলি আইল্যান্ড। মেনোদ্বীপ সহমোট দ্বীপ  আছে।এটাকে গিলি দ্বীপ বলে।
২।বোরবুদুরঃ বিশ্বের অন্যতম বিখ্যাত বোদ্ধ মন্দির রয়েছে এই জায়গায়। যেটি জাভা থেকে ৪০কি মি উত্তর পশ্চিমে অবস্থিত।অনুমানিক ২ মিলিয়ন ব্লক পাথর দ্বারা র্নিমিত হয়েছে। এছাড়া ও আছে তোরাজাল্যান্ড, কমোডো জাতিয় উদ্যান।

আরও পড়ুনঃকানাডা ফ্যামিলি ভিসা ফি ফ্রম বাংলাদেশ

থাইল্যান্ড পাতায়া সমূদ্র সৈকত ভ্রমন

ব্যাংকক হলো থাইল্যান্ড এর  রাজধানী। এখান থেকে পাতায়া যেতে সময় লাগবে ১.৫  বিমানে ,আর বাসে যদি যায় তাহলে ৪ঘন্টা।দূরত্ব প্রায় ১৫৮ কিঃমি।এখানে উত্তর দখিনে ২.৭ কিমিঃ মিটার দীর্ঘ সমুদ্র সৈকত ।থাকা খাওয়া সহ সিবীচে সব মিলিয়ে নিরিবিলি ও মনমুগ্ধকর পরিবেশ  ফুটিয়ে তোলে ।জানুয়ারীর শেষে ও ফ্রেব্রুয়ারীর শুরুর দিকে ভ্রমনে উপযুক্ত সময়।

কম টাকায় বাংলাদেশ থেকে এশিয়ান যে দেশ যাবেন, এর ব্যাপারে বলতে গেলে তুলনা মুলুক ভাবে একটু বেশি খরচ হবে।আপনি যে রাইডিং করেন খরচ বেশি হবে।তবে এই সিটির যে খানে ভ্রমন করবেন ,তুলনা মুলক একটু ব্যয় বেশি হবে।

ভূটাণ এর হিমালয় পর্যটন কেন্দ্র ভ্রমন। সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন পর্ব

ভূটান সিটি প্রকৃতিতে ভরা ও সৌর্ন্দয্য অপরুপ লীলা। যেটা দেখে পর্যটকগন মন স্থির না করে পারবে না।মঠ দূর্গ ও নয়নাভিরাম সৌর্ন্দয্য। পর্যটকদের মন আকৃষ্ট করে রাখে।ভূটানের বিখ্যাত নাম" দ্রুক উইল"বা স্বর্গে ড্রগন নামে পরিচিতি আছে।

এই শহরের পবিএ নগরি প্যারো হলো। যার মধ্যে দিয়ে প্রবাহমান দুইটি নদী। নদী দুটো হল চু এবং ওয়ান চু। যেটা শহরের  ভাব মূতি দ্বিগুন বাড়িয়ে দিয়েছে। ভুটান সিটি ভ্রমণে, তুলনামূলক অনেক কম খরচ হবে।

আরো পড়ুনঃথিম্পু  শহরে আছে রংবেরঙের পাহাড়।

মায়ানমার ইয়াংগুন ও ইনলে লেক ভ্রমন

মায়ানমার এর আরেক টি নাম হলো বার্মা।আর বার্মা হলো পর্যটক বান্ধব দেশ । বাংলাদেশ ও ভারতের উত্তর পশ্চিমে উত্তর পূর্বে চীন দখিনে  পূর্বে থাইল্যান্ড অবস্থিত।ঢাকা থেকে বাংলাদেশ বিমানে ও নভো এয়ারে সরাসরি যাওয়া যায়।পর্যটকদের কাছে পিপা অনেক দামী জায়গা ।যেখানে ঝর্না ও জল প্রপাত যেটা দেখে মুগ্ধ হবেন সবাই।

কম-টাকায়-কোন-এশিয়ান-দেশ-ভ্রমণ

শ্রীলংকার বুদ্ধমন্দীর কলম্বো ভ্রমন

শ্রীলংকার বুদ্ধমন্দীর কলম্বো ভ্রমন । কোন পর্যটক মিস করতে চান না।দর্শনীয় স্থানের মধ্যে শ্রীলংকার বুদ্ধমন্দীর কলম্বতে , মনমুগ্ধকর উদ্যান। বৌদ্ধ মন্দির পর্যটকদের কাছে সেরা স্থান। স্কাইলাইন ভিউ ও হিব্রু সূর্যাস্তের সময় । স্কাইলিনে আছে ঝর্নার  জলপ্রপাত।এখানে অল্প টাকায় ঘুরে আসতে পারেন।

আরো পড়ুনঃ এশিয়ার দশটি দর্শনীয় স্থান সমুহ

জপান সূর্য্য দয়ের দেশ

জাপানকে সূর্য্যদয়ের দেশ বলে জানে সারা বিশ্ব। দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধের সময়, হিরোসিমার রাজধানীতে অনেক ক্ষয়ক্ষতি হয়।এরপর থেকে যাপানের সোন্দয্য বিলিন হয়ে যায়। সময়ের বিবর্তনের মাধ্যেমে আস্তে আস্তে রুপরেখা ফিরে আসে।পৃথিবীর উপরিভাগে অবস্থান হওয়ায় সূর্য্যের আলো এসে প্রথমে পড়ে এদেশে। এখানে দেখার মত অনেক কিছুই আছে। যাপানের রাজধানি টোকিও ঘুরতে গেলে,বেশ কিছু টাকা গুনতে হবে। কিন্তু আরামদায়ক ভ্রমন করতে পারবেন।

সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর পর্ব
কম টাকায় বাংলাদেশ থেকে এশিয়ান কোন কোন দেশ যাওয়া যায়। আরামদায়কভাবে ভ্রমণের জন্য এর কিছু প্রশ্নোত্তর পর্ব করা হলো। চলুন নিচে জেনে নেওয়া যাক।

প্রশ্নঃ ভিসা অন এরাইভাল সুবিধা পাওয়া যায় এমন কম খরচের দেশ কোনটি?
উত্তরঃ নেপাল

প্রশ্নঃ বাংলাদেশ থেকে কম খরচে ভ্রমণের জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয় দেশ কোনটি?
উত্তরঃ ভারত

প্রশ্নঃ দক্ষিণ -পূর্ব এশিয়ার কোন দেশটি বাজেটে ট্রাভেলদের জন্য সবচেয়ে উপযোগী?
উত্তরঃ থাইল্যান্ড

প্রশ্নঃ বাংলাদেশী পর্যটকদের জন্য তুলনামূলক কম খরচে ইউরোপীয় কাছাকাছি অভিজ্ঞতা দেয় দেশ কোনটি?
উত্তরঃ তুরস্ক

প্রশ্নঃ কম খরচে ঐতিহাসিক স্থান ও সংস্কৃতি দেখতে চাইলে কোন দেশটি ভালো?
উত্তরঃ মিশর

প্রশ্নঃ ডলার রেট অনুযায়ী বাংলাদেশি টাকার মান বেশি পাওয়া যায়। এমন বাজেটের দেশ কোনটি?
উত্তরঃ ভিয়েতনাম

প্রশ্নঃ প্রথমবার বিদেশ ভ্রমণের জন্য সবচেয়ে কম খরচ ও সহজ ভিসার দেশ কোনটি?
উত্তরঃ নেপাল

উপসংহা

প্রিয় পাঠক, আজকের আর্টিকেলে কম টাকায় বাংলাদেশ থেকে এশিয়ান কোন কোন দেশ যাওয়া যায়। সম্পর্কে সম্পূর্ণ সঠিক তথ্য তুলে ধরলাম আশা করছি বুঝতে পেরেছেন। এরপরও যারা বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হবেন। আপনারা অবশ্যই আমাদেরকে কমেন্ট বক্সে জানাবে।।  আপনাদের প্রশ্নের সঠিক উত্তর দে উপকৃত হব আমাদের বাংলাদেশের আশে পাশের রাষ্ট গুলো যেমন ভারতের, মধ্যে অনেক  কাস্মির, দারজেলিং, রাজস্থান।তারপর এশিয়ার যে রাষ্ট আছে। এই আর্টিকেলের সঠিক তথ্যের মাধ্যমে খুব কম টাকায় ভ্রমণ করতে পারবেন। 

আজকের কম টাকায় বাংলাদেশ থেকে এশিয়ান কোন কোন দেশ যাওয়া যায় আর্টিকেলটি যদি ভালো লেগে থাকে তাহলে আর আত্মীয়স্বজনের নিকট ফলো দিয়ে শেয়ার করে দিবেন। আর আমাদের ওয়েবসাইটের নতুন তথ্যবহুল আর্টিকেল পেতে প্রতিদিন একবার হলেও ভিজিট করুন। কারণ আমরা আমাদের ওয়েবসাইটে এরকম আর্টিকেল প্রতিদিনই প্রকাশ করে থাকি।। তাই দেরি না করে, আপনার সময় ও টাকা দুটিই শাস্রয়ী করে, এসব দেশগুলো ঘুরে আসতে পারেন। এতক্ষণ আমাদের সঙ্গে থাকার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। আল্লাহ হাফেজ।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

আপনি সফল ব্লগে নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url