রাজস্থালী ঝিকঝাক পয়েন্ট ভ্রমণ গাইড দর্শনীয় স্থান ও খরচ তথ্য
রাজস্থালী জিগজ্যাক পয়েন্ট ভ্রমণ গাইড যাতায়াতের সহজ রুট, দূরত্ব খাওয়া-দাওয়া, দর্শনীয় স্থান ও খরচ তথ্য সম্পর্কে আপডেট জানতে, শেষ পর্যন্ত পড়ুন।
রাজস্থালী ঝিকঝাক পয়েন্ট রাঙ্গামাটির সীমান্ত পর্যটন কেন্দ্র। পাহাড়ের রাস্তার অপূর্ব সৌন্দর্য। চারিদিক হাওয়ায় ভেসে বেড়ানো মেঘের বিন্দু কণা। যাকে মেঘের স্বর্গরাজ্য বলা হয়। বাইকারদের জন্য দারুন রুট।
পেজ সূচিপত্রঃ রাজস্থালী ঝিকঝাক পয়েন্ট ভ্রমণ গাইড দর্শনীয় স্থান ও খরচ তথ্য সম্পর্কে জানতে পড়ুন।
- রাজস্থালী ঝিকঝাক পয়েন্ট
- রাজস্থলী ঝিকঝাক পয়েন্টের মূল আকর্ষণ
- রাজস্থালী ঝিকঝাক পয়েন্ট কিভাবে যাবেন
- রাজস্থালী রাঙ্গামাটি ভ্রমণে গিয়ে কোথায় থাকবেন
- রাজস্থালী রাঙ্গামাটি ভ্রমনে কোথায় খাবেন
- রাজস্থলী ঝিকঝাক পয়েন্ট ভ্রমণের সঙ্গে যা নিবেন
- জনপ্রতি এক রাত দুই দিনের মধ্যে কত খরচ
- সম্ভাব্য সতর্কতা অবলম্বন
- জিজ্ঞাসিত সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর পর্ব
- আশেপাশে দর্শনীয় স্থান
- আমাদের শেষ কথা
রাজস্থালী ঝিকঝাক পয়েন্ট
রাজস্থালী ঝিকঝাক পয়েন্ট রাঙ্গামাটি জেলার রোমাঞ্চকর পর্যটন কেন্দ্র। সবুজ গাছগাছালি ও পাহাড়ের সমন্বয়ে তৈরি, ঝিকঝাক পয়েন্ট অ্যাডভেঞ্চার প্রেমীদের জন্য সেরা রুট। রাজস্থালী ও ফারুয়া সীমান্তবর্তী এলাকায় সড়কের উপরে অবস্থিত। যা রোমাঞ্চকর ও উঁচু-নিচু সবুজ পাহাড়ের অনন্য মেলবন্ধন। এই পাহাড় কখনো উচু এবং নিচে সাপের মত আঁকাবাঁকা পথ সেসাথে মনোমুগ্ধকর প্রাকৃতিক দৃশ্য, মোটর বাইকারদের জন্য দারুন প্রিয়।
আর্মি ক্যাম্প নিরাপত্তা বাহিনী ক্লিয়ার ডকুমেন্টস দেখিয়ে যেতে হবে। জিগজ্যাক পয়েন্ট এসে পর্যটকদের নির্দিষ্ট সীমার পরে যেতে নিষেধ। সকালে সোনালী আলো পাহাড়ের সৌন্দর্যকে দ্বিগুণ খুঁটিয়ে তুলে। সকালে পাখিদের কিচিরমিচির ডাক, ঘন কুয়াশা ভেদ করে চারিদিক উজ্জ্বল আলোয় আলোকিত করে, প্রকৃতি নিজেই সৌন্দর্য প্রকাশ করে। বাতাসের নির্মল স্নিগ্ধ ছোঁয়া মনের গহীনে আনন্দের শিহরণ সৃষ্টি করে থাকে। বিকেলের সৌন্দর্য আরো বেশি দর্শনার্থীদের আকৃষ্ট করে। যা সূর্যাস্তের অপূর্ব লীলাভূমি পাহাড়ের চূড়া থেকে স্বর্গীয় অনুভূতি উপভোগ করা যায়। নিচে সবুজ গাছের সারিবদ্ধতা তাকিয়ে দেখলে মনে হয়, বাতাসের সঙ্গে ঢেউ খেলে যাচ্ছে। রাজস্থলী ঝিকঝাক পয়েন্ট শান্ত নিবিড় পরিবেশে তৈরি, যা স্মরণীয় অভিজ্ঞতার আকর্ষণীয় গন্তব্য।
ভ্রমণের সেরা সময়ঃ শীতকাল ও শুষ্ক গ্রীষ্মকাল ভ্রমণের সেরা সময়।
আরো পড়ুনঃ মানিকছড়ি ডিসি পার্ক অত্যাধুনিক পর্যটন কেন্দ্রের সম্ভাবনা
রাজস্থলী ঝিকঝাক পয়েন্টের মূল আকর্ষণ
রাজস্থলী ঝিকঝাক পয়েন্ট রাঙ্গামাটির প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে চাইলে, এই পয়েন্টে চলে আসতে পারেন। চারিপাশে দারুণ সৌন্দর্য আত্মীয়-স্বজন বন্ধু-বান্ধব নিয়ে ঘুরার সেরা স্থান। এখানে কি সৌন্দর্য দেখার মত আছে। চলুন জেনে নেয়া যাক।
আঁকাবাঁকা পাহাড়ি রাস্তা
রাজস্থলী জিগজ্যাক পয়েন্ট প্রধান আকর্ষণ সাপের মতো প্যাঁচানো রাস্তা। যা বাইকারদের কাছে বেশ জনপ্রিয় রাস্তা। এই পথের দুপাশে সবুজের দিগন্ত এবং পথের প্রতিটি বাঁকে রহস্যজনক আনন্দ আছে। পাহাড়ের বুক চিরে এই রাস্তা তৈরি করা হয়েছে। যেখানে আলাদা রোমাঞ্চকর অনুভূতি পাওয়া যায়। পথ চলার সময় বাতাসের কোমল পরশ অ্যাডভেঞ্চার প্রেমীদের জন্য বিশেষ আকর্ষণ ও অনুভূতি এনে দেয়। আপনাকে রাস্তায় সৌন্দর্যের বিশেষ জায়গাগুলো উপভোগ করাবে। যা ভোলার নয়।
পাহাড়ের সবুজ সারিবদ্ধতা
রাজস্থলি ঝিকঝাক পয়েন্ট শুধু রাস্তার জন্যই পর্যটকদের মন কেড়েছে ,তা নয়। এর মূল আকর্ষণ উঁচু-নিচু পাহাড়ের মেলবন্ধন তৈরি করেছে। ঝিকঝাক পয়েন্টের চারিপাশে চোখ জুড়ানো সবুজ পাহাড়ের সারি। সবুজ গাছপালা পাহাড়কে আচ্ছাদন করে রেখেছে। অপূর্ব সৌন্দর্য দূর থেকে দেখায়। শীত মৌসুমে এক রূপ নেয় এবং বর্ষা মৌসুমে অন্যরূপ ধারণ করে। বর্ষায় সবুজ পাহাড়ের সচিবতা প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। আর শীত মৌসুমে পাহাড়ি মেঘের ভেলা চোখ জুড়িয়ে যায়। সব মিলিয়ে এক প্রকৃতি যেন মনোমুগ্ধকর পরিবেশে সাজগোজে ব্যস্ত থাকে। এবং দর্শনার্থীদের দুই হাত তুলে আমন্ত্রণ জানায়।
মেঘে পাহাড়ের খেলা
বর্ষায় ঝিকঝাক পয়েন্ট দ্বিগুণ আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে। পাহাড়ের উপরে দাঁড়িয়ে হাত বাড়ালে মেঘের পানিতে হাত ভিজে যায়। এ যেন মাটিতে দাঁড়িয়ে থেকে মেঘের পানিতে হাত ভিজিয়ে গোসল করার মত। এমন দৃশ্য অসাধারণ সৌন্দর্য দেখায়। মাঝেমধ্যে পাহাড়ের গায়ে মেঘের ধাক্কা বৃষ্টির মতো ঝরে পড়ে। কিছু কিছু মেঘ বাতাসের সংস্পর্শে এসে হঠাৎ কোথায় হারিয়ে যায়। বর্ষার চারিপাশ সবুজের সঙ্গে নীরবে মিশে যায়। দেখা মিলে পাহার মেঘের খেলা।
ছবি তোলার সুন্দর পরিবেশ
প্রাকৃতিক দৃশ্য আঁকাবাঁকা রাস্তা মেঘলা আকাশ পাহাড়ের গা ঘেঁষে মেঘের ভেলা চারিদিক সবুজের পাহাড় বুক চিরে নেমে আসা দ্বিগন্ত। বাতাসের নির্মল স্পর্শ। স্থানীয়দের খরকুটো দিয়ে কটেজ তৈরি। এখানে শহরের কোলাহল থেকে দূরে সময় কাটানোর এক অবিরাম শান্তি বিরাজ করে। এবং প্রকৃতির সাথে ক্যামেরাবার ড্রোন দিয়ে নিজেকে আবদ্ধ করা সত্যি এক পরম পাওয়া।
রাজস্থালী ঝিকঝাক পয়েন্ট কিভাবে যাবেন
ঢাকা থেকে রাঙ্গামাটি সদর বাসে যেতে পারবেন অথবা গ্রুপিং ভাবে গেলে মাইক্রো ভাড়া নিয়ে সরাসরি ঝাই ঝামেলা ছাড়া রাজস্থলী পৌঁছাতে পারবেন। এছাড়াও বাসে ঢাকা থেকে রাঙামাটির সদর আসুন। এখান থেকে কাপ্তাই যাবেন। কাপ্তাই থেকে স্থানীয় গাইডের সহায়তায় রাজস্থলী ভিউ পয়েন্ট পৌঁছাতে পারবেন। রাজস্থলী থেকে সরাসরি ফারুয়া সীমান্তমুখী এরিয়া যেতে পারবেন। তবে শর্ত হলো আর্মি অনুমতি ব্যতীত প্রবেশের নিষেধাজ্ঞা জারি আছে।
আরো জানুনঃ তুয়ারী মাইরাং ঝর্ণা খাগড়াছড়ি ভ্রমণ গাইড ২০২৬ যাতায়াত খরচ ও দর্শনীয় স্থান
ঢাকা থেকে রাঙ্গামাটি যেসব বাস চলাচল করে। তার একটি তালিকা নিচে তুলে ধরা হলো। শ্যামলী পরিবহন, এস আলম পরিবহন , ডলফিন পরিবহন, সাউদিয়া পরিবহন, ঈগল পরিবহন এগুলো ঢাকা কলাবাগান ফকিরাপুল ও মতিঝিল থেকে রাঙ্গামাটি প্রতিদিন নিয়মিতভাবে চলাচল করে। নন এসি বাসের ভাড়া ৮৫০-৯০০ টাকা, এবং এসি বাসের ভাড়া জনপ্রতি ১২০০-১৮০০ টাকা। ঢাকা থেকে রাঙামাটির দূরত্ব ৩১০ কিলোমিটার।
রাজস্থালী ঝিকঝাক পয়েন্ট ভ্রমণে গিয়ে কোথায় থাকবেন
রাজস্থানী ভ্রমণে গিয়ে থাকার কোন টেনশন নেই , কারণ এটি একটি পর্যটন এলাকা। এখানে ভালো মানের থাকার আবাসিক হোটেল পাবেন রাঙ্গামাটি শহরে থাকার জন্য বনরুপা বাজার ও পর্যটন এলাকার আশেপাশে থাকতে পারেন। এর মধ্যে অন্যতম হলোঃ পর্যটন হলিডে কমপ্লেক্স কাপ্তাই লেকের সুন্দর পরিবেশে থাকার ভালো ব্যবস্থা। হোটেল মতি মহল, শহরের মধ্যে থাকার বিকল্প একটি ভালো সুবিধা। হোটেল সুফিয়া, তুলনামূলক বাজেটের মধ্যে ভালো হোটেল। আনুমানিক ৮০০ থেকে ১২০০ টাকা বাজেটের মধ্যে হোটেল পাবেন। এছাড়া প্রিমিয়াম মনের হোটেল আছে ২০০০ থেকে ৪ হাজার টাকা পর্যন্ত লাগতে পারে। তবে দরদাম করে নেয়া ভালো।
রাজস্থালী ঝিকঝাক পয়েন্ট ভ্রমনে কোথায় খাবেন
রাজস্থালী ঝিকঝাক ভিউ পয়েন্ট ভ্রমণে খাবারের জন্য কোন টেনশন নেই। রাঙ্গামাটি শহরে ভালো মানের রেস্টুরেন্ট আছে। আপনি চাইলে সেখানে খেতে পারেন। বনের উপর রোডে কুটুম কুটুমবাড়ি রেস্তোরাঁ। স্থানীয়দের পরিচিত রেস্টুরেন্ট পাঁচ জন রেস্টুরেন্ট, এছাড়াও আমাদের রেস্টুরেন্ট রাঙ্গামাটি তো আছেই। খাবারের মধ্যে পাবেন মাছ ভাত ডাল ডিম সবজি গরুর মাংস মুরগি বিরানী ব্যাম্বো চিকেন সহজ স্থানীয় কটেজে দেশীয় মানের খাবার। তবে এ খাবার নিতে হলে অগ্রিম বুকিং দিতে হবে। সাধারণ খাবারের বাজেট ধরন সকালের নাস্তায় ৮০ থেকে ১৫০ টাকা, দুপুরের খাবারে ১৫০ থেকে ২৫০ টাকা, রাত্রির খাবারের জন্য ১৫০ থেকে ৩০০ টাকা টাকা। অন্যান্য হালকা নাস্তায় ১০০ টাকা বাজেট ধরবেন।
রাজস্থলী ঝিকঝাক পয়েন্ট ভ্রমণের সঙ্গে যা নিবেন
এনআইডি কার্ডের ফটোকপি অথবা জাতীয় পরিচয় পত্রের কপি। স্টুডেন্ট হলে অবশ্যই স্টুডেন্ট কপি লাগবে। পর্যাপ্ত পরিমাণ টাকা। পানি ও স্যালাইন। শুকনো খাবার। আরামদায়ক জুতা। ক্যাপ বা ছাতা। সানস্ক্রিন ক্রিম। মশা নিরোধক স্প্রে। প্রয়োজনীয় ওষুধপত্র। মোবাইল ও পাওয়ার ব্যাংক। টর্চলাইট। টিস্যু ও হ্যান্ড হ্যান্ড স্যানিটাইজার। ময়লা রাখার ছোটখাটো ব্যাগ। উন্নত মানের ক্যামেরা ও ড্রোন ইত্যাদি।
জনপ্রতি এক রাত দুই দিনের মধ্যে কত খরচ
ঢাকা থেকে রাঙ্গামাটি যাতায়াত ১৫০০ থেকে ২৫০০ টাকা। রাজস্থলী ঝিকঝাক ভিউ পয়েন্ট ৩০০ থেকে ৭০০ টাকা। খাবার খরচ ৫০০ থেকে ৮০০ টাকা। ৫০০ থেকে ১০০০ টাকা। অন্যান্য খরচ ২০০ থেকে ৩০০ টাকা। সর্বমোট খরচ ৩০০০-৫০০০ টাকা।
আরো দেখুনঃ বার্গি লেক ভ্যালি রাঙ্গামাটির নতুন পর্যটন কেন্দ্রের সম্ভাবনা
সম্ভাব্য সতর্কতা অবলম্বন
ভ্রমণকে আরো আরামদায়ক ও স্বাচ্ছন্দ্যময় করতে কিছু সতর্কতা অবলম্বন করা অবশ্যই জরুরি। আপনি চাইলে নিচে সহজেই জেনে নিতে পারেন। যেমন
পাহাড়ি উঁচু-নিচু পথ সাবধানে হাঁটবেন। বর্ষাকালের রাস্তা পিচ্ছিল থাকে, তাই গ্রিপির জুতা ব্যবহার করুন। সেলফি তুলতে একেবারে পাহাড়ের ধারে যাবেন না। মোটরসাইকেল রাইডের সময় সাবধানে রাইড করুন। একা চলাফেরা করবেন না। যেখানে সেখানে ময়লা আবর্জনা ফেলবেন না। স্থানীয়দের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করবেন। বিশেষ করে বাচ্চাদের বিশেষ যত্ন রাখবেন।
জিজ্ঞাসিত সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর পর্ব
প্রশ্নঃ জিগাক পয়েন্ট কোথায় অবস্থিত? উত্তরঃ ঝিকঝাক পয়েন্ট রাঙ্গামাটি রাজস্থলী উপজেলার পাহাড়ি অঞ্চলে অবস্থিত।
প্রশ্নঃ ঝিকঝাক পয়েন্ট কেন বিখ্যাত? উত্তরঃ আঁকাবাঁকা পাহাড়ি রাস্তা সবুজ পাহাড় ও মনোরম প্রাকৃতিক পরিবেশের জন্য সেরা গন্তব্য।
প্রশ্নঃ ভ্রমণের সেরা সময় কখন? উত্তরঃ শীতকাল ও শুষ্ক মৌসম।
প্রশ্নঃ জনপ্রতি কত খরচ হবে? উত্তরঃ ৩ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা।
প্রশ্নঃ ঢাকা থেকে জিক্সার পয়েন্ট মোট কত কিলোমিটার দূরত্ব? উত্তরঃ ঢাকা থেকে জিগজার মোট ৩৩০ কিলোমিটার।
আশেপাশে দর্শনীয় স্থান
আপনি চাইলে একই খরচে আশেপাশের দর্শনীয় স্থানগুলো দেখতে পারেন। চলুন নিচে জেনে নেওয়া যাক। রাঙ্গামাটি শহর, অপূর্ব সৌন্দর্যের প্রাকৃতিক পরিবেশ। কাপ্তাই হ্রদ যা বাংলাদেশের মধ্যে একটি সেরা লেক। সুভলং ঝরনা। পেদা টিং টিং। রাজবন বিহার। ঝুলন্ত সেতু। সেনাবাহিনী কর্তৃক পরিচালিত পলওয়েল পার্ক। ডিসি বাংলা পার্ক ইত্যাদি। এই জায়গা গুলো ঘুরতে বাড়তি তেমন কোন খরচ হবে না শুধুমাত্র অল্প কিছু টাকা খরচ করলে এ জায়গাগুলো পড়ে নিতে পারেন।
ক্লিক করুনঃ কাপ্তাই হ্রদের নীল জলের উপর পাহাড়ি গ্রাম্যদ্বীপ কাট্রলী সম্পর্কে জানুন
আমাদের শেষ কথা
আজকের আর্টিকেলে রাজস্থলী ঝিকঝাক পয়েন্ট ভ্রমণ গাইড দর্শনীয় স্থান ও খরচ তথ্য সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। আশা করছি বুঝতে পেরেছেন। এরপরে ও যদি আপনাদের কোন প্রশ্ন থাকে। তাহলে কমেন্ট বক্সে জানান। আপনাদের প্রশ্নের সম্পূর্ণ সঠিক উত্তর দিয়ে উপকৃত করা হবে।
আপনাদের কাছে এই আর্টিকেলটি যদি ভালো লেগে থাকে, তাহলে আপনাদের আত্মীয়-স্বজনের নিকট শেয়ার করে দিবেন। এরকম নতুন তথ্যবহুল আতিকের পেতে আমাদের ওয়েবসাইটি ফলো দিয়ে ভিজিট করতে পারেন। কারণ আমরা এ ওয়েবসাইটে প্রতিদিনই নতুন আর্টিকেল প্রকাশ করে থাকি। আপনাদের সুস্বাস্থ্য কামনা করে আজকের মত আমরা এখানে শেষ করছি। আল্লাহ হাফেজ।

.webp)
আপনি সফল ব্লগে নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url