নতুন ফ্রিল্যান্সারদের জন্য সেরা মার্কেটপ্লেস কোনটি

 এই আর্টিকেলে নতুন ফ্রিল্যান্সারদের জন্য সেরা মার্কেটপ্লেস কোনটি। এ বিষয় বিস্তারিত প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত আলোচনা করা হবে, আমাদের সঙ্গে থাকুন।


নতুন-ফ্রিল্যান্সারদের-জন্য-সেরা-মার্কেটপ্লেস
নতুন ফ্রিল্যান্সারদের নিয়ে বিভিন্ন চিন্তাভাবনা আসে। কিভাবে অনলাইনের মাধ্যমে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্টিত করবো জানতে চান তাহলে মনযোগ সহকারে পোষ্টটি পড়ুন ।বর্তমান সময়ে অনলাইনের মাধ্যমে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের দিন দিন চাহিদা বেড়ে চলেছে। ব্যবসা প্রতিষ্ঠান চালানোর জন্য মানুষ এখন অনলাইনকে গুরুত্বপূর্ণ ও প্রয়োজনীয় দিক হিসেবে বিবেচনা করছে।। 

পেজ সূচিপত্রঃ নতুন ফ্রিল্যান্সারদের জন্য সেরা মার্কেটপ্লেস কোনটি

নতুন ফ্রিল্যান্সারদের জন্য সেরা মার্কেটপ্লেস

নতুন নতুন ফ্রিল্যান্সার দিন দিন হুরহুর করে বেড়েই চলেছে অনলাইন মার্কেটপ্লেসে।বর্তমান সময়ে অনলাইনের ব্যবসা গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে কাজ করছে। এমন এক সময় আসবে যে অনলাইন ব্যবসার মাধ্যমে মানুষ সবকিছু লেনদেন করবে। সেরা মার্কেটপ্লেস বা ইন্টারন্যাশনাল মার্কেটপ্লেস কি তা জানার জন্যে ভাবছেন ফ্রিল্যান্সিং যাত্রা শুরু করবেন ।তাহলে জেনে নিন কোন কোন মার্কেট প্লেসে ব্যবসা করতে পারবে।

জীবনে নতুন ক্যারিয়ার গড়ার জন্য বেকার জীবন ত্যাগ করে পরিবারকে আর্থিক হেল্প করার জন্য। সেটা আপনার জন্য সঠিক হবে তখনই। একটা কথা মাথায় রাখবেনঅনলাইনে টাকা আয় করা যতটা সহজ মনে হয়। আসলে ততটা সহজ নয় । তাই আমি আপনাদেরকে এমন একটা ইনকামের লাইন দেখিয়ে দেবো। যেটা ক্যারিয়ার গড়তে সক্ষম হবে।

প্রতি মাসে যদি মনে করেন ডলার ইনকাম করব, তাহলে আপনার ধারণা ভুল। আসলে ভুল নয় আপনাকে অনেক পরিমানে কষ্ট করতে হবে। কথায় আছে নাই কষ্ট ছাড়া কেষ্ট মেলে না। ব্যাপারটা তাই। যত বেশি কষ্ট করবেন তত বেশি ফলাফল ভোগ করতে পারবেন। আর এটাই হলো ক্যারিয়ার গড়ার অন্যতম মাধ্যম।

আমাদের মধ্যে অনেকে অনেক জায়গায় ফ্রিল্যান্সিং শিখে। সবাইকে সার্থকতা অর্জন করতে পারে পারে না রে ভাই। অনেক ধৈর্যের মাধ্যমে তা অর্জন করতে হয়। যেসব মার্কেটপ্লেসের তা অর্জন করবেন, সঠিক ধারণা রাখতে হবে তাহলে আপনি একজন সফল ফ্রিল্যান্সার হতে পারবেন।
    তাই চলুন জানি মার্কেটপ্লেস গুলো কি কি। বর্তমান সময়ে প্রায় ১২ মিলিয়নেরও অধিক নিবন্ধিত ফ্রিল্যান্সার নিয়ে পৃথিবীর সবচাইতে বড় অনলাইন ইনকামের রাস্তা হচ্ছে মার্কেটপ্লেস এর আপ ওয়ার্ক। এখান থেকে অতি সহজে অনেকে আর্থিক উপার্জন করতে পারে। অনেকে ক্যারিয়ার গঠন করা শুরু করে। এই ইনকামগুলো করতে হলে আপনাকে অনেক সময় এবং ফ্ল্যান্সিং বিষয়ে আপনাকে অনেক ধারণা রাখতে হবে।

    আরো পড়ুনঃ 


    যেসব মার্কেটপ্লেস আছে সহজে ইনকাম করা যায় । সে সম্পর্কে বিষয়বস্তু বিস্তারিত বর্ণনা করা হলো ।

    নতুন ফ্রিল্যান্সারদের জন্য সেরা মার্কেটপ্লেস  হিসাবে যারা ফ্রিল্যান্সিং পেশা বেছে নিয়েছেন। তাদের মধ্যে অনেকে আমরা নতুন। যার কারণে বুঝতে পারছি না যে কোন মার্কেট পেলে সে কাজ করব। ভালো মানের ইনকাম ভালো মানের ব্যান্ড তৈরি করে বা একটা ব্যবসায়ীক সাঈড তৈরি করে ক্লাইন্টের পরিষেবা প্রদান করা এটি একটি ভালো মানের মুনাফা অর্জন করবেন।

    এখানে ভালো ফলাফলের জন্য পুজির অবস্থানের চাইতে দক্ষতার বিকাশ বেশি থাকতে হবে। এখানে ব্যবসার পুঁজির চাইতে দক্ষতার বিকাশ অতীব জরুরী। আপনি যদি এই পোস্টটি মনোযোগ সহকারে পড়েন। আজ আমরা বলব ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস সম্পর্কে। 

    আজকে আমরা জানবো নতুন ফ্রান্সের জন্য সেরা মার্কেটপ্লেস কি কি বা ইন্টারন্যাশনাল মার্কেটপ্লেস কোনটি ।

    বর্তমান সময়ে যে কয়েকটি নির্ভরযোগ্য নতুনদের জন্য মার্কেটপ্লেস আছে। অধিকাংশ অভিজ্ঞ ফ্রিল্যান্সারা এগুলোতে কাজ করে থাকে। নতুন ফ্রিল্যান্সারদের জন্য আউটসোর্সিং মার্কেটপ্লেস। নতুন ফ্রিল্যান্সার দের জন্য আউটসোর্সিং মার্কেটপ্লেস এ বাংলাদেশের অবস্থানগত কয়েক বছরের মধ্যে অগ্রগতির স্বর্ণ শিখরে পৌঁছেছে এটা নতুন ফ্রিল্যানস্যার দের জন্য উল্লেখযোগ্য হিসেবে তৈরি হয়েছে।

    প্রধানত আই টি সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট, গ্রাফিক্স ডিজাইন, ডিজিটাল মার্কেটিং কাস্টমার সার্ভিস, ও ডাটা এন্টি বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সার তরুণরা সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। আরো অনেক মাধ্যম রয়েছে মার্কেটপ্লেস এর মধ্যে। সেগুলো সম্পর্কে আলোচনা করা হবে।

    তরুণ ফ্রিল্যান্সার দক্ষ জনশক্তি মার্কেটপ্লেস প্লাটফর্মে

    নতুন ফ্রিল্যান্সার উল্লেখযোগ্য প্ল্যাটফর্ম গুলো হলো আপ ওয়ার্ক , ফ্রিল্যান্সার ফাইবার বাংলাদেশ রয়েছে শীর্ষ নিয়ে স্থানে। বাংলাদেশের মধ্যে একটি জনশক্তি রয়েছে যারা মার্কেটপ্লেস এর মাধ্যমে বাংলাদেশকে প্রথম স্থানে রেখেছেন। নতুন ফ্রিল্যান্সার প্ল্যাটফর্মে জনপ্রিয়তা। অনলাইন মার্কেটিং এর মাধ্যমে যাকে আমরা ডিজিটাল মার্কেটিং বলে চিনি। এর মধ্যে রয়েছে ওয়েব ডেভেলপমেন্ট ফাইবার আপার ওয়ার্ক। এগুলোর মাধ্যমে জনপ্রিয়তা বেড়েছে । আর জনপ্রিয়তা বাড়ার কারণ হলো এখান থেকে বাংলাদেশরা অনেক মুদ্রা আয় করে থাকে। যা পরিবারকে একটি ভালো পজিশনে নিয়ে যেতে সাহায্য করে।
    নতুন-ফ্রিল্যান্সারদের-জন্য-সেরা-মার্কেটপ্লেস

    অভিজ্ঞ এবং তরুণ ফ্রিল্যান্সাররা সরকারি সহযোগিতা পায়। অভিজ্ঞ এবং তরুণ প্লান স্যাররা আর্থিকভাবে উন্নয়ন লাভ করেছে। এই উন্নয়নের মাধ্যমে আমরা একটা নতুন বাংলাদেশে রয়েছে। যার নাম হয়েছে ডিজিটাল বাংলাদেশ। আইটি প্রশিক্ষণ এবং দক্ষতা বৃদ্ধিতে অনলাইন প্রোগ্রামের মাধ্যমে এ খাতকে আরো সমৃদ্ধি করেছে।

    নতুন ফ্রিল্যান্সাররা ও অভিজ্ঞ ফ্রিল্যান্সার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি। ফ্রিল্যান্সারদের আউটসোর্সিং এর মাধ্যমে বাংলাদেশের একটি নতুন নাম পেয়েছে সারা বিশ্বের বুকে ডিজিটাল বাংলাদেশ হিসেবে। এ নামের পেছনে বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সারসা মুখ্য ভূমিকা পালন করে।

    আরো পড়ুন: ডিজিটাল প্রযুক্তি কি ডিজিটাল প্রযুক্তি ১৫টি ব্যবহার সম্পর্কে জানুন।

    লোকাল মার্কেটপ্লেস নতুনের জন্য জানা দরকার

    লোকাল মার্কেটপ্লেস কি। সে সম্পর্কে জানা বা জ্ঞান ধারণা রাখা দ রকা র। ইন্ডাস্ট্রি শব্দটি শোনা মাত্রই উৎপাদন মুখী কতগুলো স্বয়ংসম্পূর্ণ উৎপাদন থেকে উৎপাদিত হয়ে থাকে আরে সম্পূর্ণ উৎপাদনকে প্লান্ট বলে থাকি আর যদি একাধিক প্লান্ট হয়ে থাকে তাদেরকে সমস্ত গত ফার্ম বলে আপনি যখন দেশীয় মার্কেটপ্লেসের ভিতরে কাজ করবেন। 

    যেখানে গেলে আপনি সব রকমের আইটেম কিনতে পারবেন এবং প্ল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস হচ্ছে এমন একটি ওয়েবসাইট যেগুলো প্লানচিং কাজের জন্যই তৈরি। এখানে বিভিন্ন রকমের মানুষ আসা-যাওয়া করে একটা বাজারের মতন। আইটেম কিনতে পাওয়া যায়। আমরা লোকাল মার্কেটপ্লেস বলে থাকি এখানে বিভিন্ন রকমের পণ্য কেনাবেচা করে থাকি। একাই প্ল্যাটফর্মের মধ্যে হয়ে থাকে। আমরা সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম বলি। ধীরে ধীরে অনলাইনে জগতে প্রবেশ করে। তরুণদের জন্য ইন্টারন্যাশনাল মার্কেটপ্লেস।

    তরুণ ফ্রিল্যান্সারদের জন্য ইন্টারন্যাশনাল মার্কেটপ্লেস একটি কঠিনতম জায়গা

    একজন দক্ষ ফিলোস্যার বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসে দরকার। এটা তরুণদের জন্য খুবই কষ্টকর হয়ে যায়। মূলত একটি বাজারে কাস্টমারের কাছে পণ্য বিক্রি করতে বিভিন্ন ব রকমের দোকানদার রয়েছে এখান থেকে মাত্র একটি পণ্য কিনবে। তাহলে আপনার পণ্ যটি আপনি কিভাবে বিক্রি করবেন। আন্তর্জাতিক মার্কেটপ্লেস। একইভাবে বিভিন্ন অনলাইনের মাধ্যমে বাজার রয়েছে দারাজ আলিবাবা অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং ইন্টারন্যাশনাল মার্কেটপ্লেস।এখান থেকে আপনার পন্যকে বিক্রি করতে হবে। এটাকে ইন্টারন্যাশনাল মার্কেটপ্লেস বলে।তরুণদের জন্য কোনটি মার্কেট প্লেস ভালো সেই বিষয়ে আলোচনা করা হলো ।

    ঘরে বসে ব্যবসা করার জন্য এটা একটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে কাজ করছে। আরে মার্কেটপ্লেস পরিচালনা করার জন্য ফ্রিল্যান্সাররা প্রতিবছর হুড়হড় করে ঢুকতে আছে এই জগতে। অনলাইন ব্যবসা করার জন্য ফ্রিল্যান্সারদের অনেকগুলো মার্কেটপ্লেস রয়েছে।
    নতুন ফ্রিল্যান্সারদের জন্য সেরা মার্কেটপ্লেস কোনটি।

    নতুন ফ্রিল্যান্সারদের জন্য সেরা মার্কেটপ্লেস কোনটি। এ বিষয়ে এখন আমরা আলোচনা করব। নতুন ফ্রিল্যান্সারদের জন্য আপ ওয়ার্ক মার্কেটপ্লেস।

     নতুন ফ্রিল্যান্সারদের জন্য আপ ওয়ার্ক মার্কেটিং 

    এটা অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি মার্কেটপ্লেস সর্বপ্রথম প্ল্যাটফর্ম হচ্ছে আপ ওয়ার্ক। বিশ্বের যত মার্কেটে ফ্রিল্যান্সার কাজ করে থাকে। প্রথমে তারা এসেক্টরে এসে কাজ শুরু করে। ক্লায়েন্টদের নিহতম নির্ভরতম প্রতিষ্ঠান হচ্ছে আপ ওয়ার্ক। মাইক্রোসফট থেকে শুরু করে বিভিন্ন রকমের নামিদামি প্রতিষ্ঠানগুলো এ কোম্পানিতে এসে কাজ করিয়ে নেয়। অন্যান্য কাজের তুলনায় আপ ওয়ার্ক ভালো দক্ষতা থাকলে কাজ পাওয়া যায়।

    আরো পড়ুন: Fiver-এ নতুনদের জন্য কোন কাজের চাহিদা বেশি 

    এ সেক্টরে কাজ অনেক বেশি থাকে।। যেসব কাজগুলো থাকে সেগুলো হল। ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, ডিজাইন, কন্টেন রাইটিং, ইঞ্জিনিয়ার এবং আর্কিটেকচার পেয়ে শুরু করে সমস্ত কাজ এখানে পাওয়া যায়। আপ ওয়ার্কে একজন ফ্রিল্যান্সার মূলত দুই ধরনের কাজ পেয়ে থাকেন। একটি হচ্ছে ঘন্টা ভিত্তিক আরেকটি হচ্ছে মূল্য ভিত্তিক। তার মানে হলো আপনি যদি কাজ করান সে সে অনুযায়ী রেট নিবে। মূল্যভিত্তিক হলো আপনাকে কাজ কমপ্লিট করে দিয়ে যে মূল্যটা নেয় সেটাই দিতে হবে। ক্লাইন্ট আপনাকে মূল্য পরিষদের আগে অর্ধেক জমা দিবে তারপরে কাজের শেষে আপনাকে ফুল পেমেন্ট করবে।

     নতুন ফ্রিল্যান্সারদের জন্য ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটিং 

    আমরা যারা নতুন ফ্রিল্যান্সার আছি তাদের জন্য প্ল্যান্সিং মারকেটিং শিখা অত্যন্ত জরুরি। ভালো পরিমাণে আয়ের সুযোগ রয়েছে এই ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটিংয়ে। এখানে অতিরিক্ত পুঁজির দরকার হয় না শুধু মেধা আর দক্ষতা থাকলেই হয়। বর্তমান সমাজের যদি আপনি এখন কোন একটা ব্যবসা করতে চান তাহলে আপনাকে অনেকপূজির দরকার হতে পারে । কিন্তু যদি আপনার দক্ষতা বেশি থাকে এ মার্কেটপ্লেসে । আপনি যদি ভালো হয় লক্ষ্য করেন তাহলে দেখতে পাবেন যে, অনেক প্লান স্যার আছে যে ব্র্যান্ড তৈরি করে নিজস্ব। ব্যবসায়িক সাইট তৈরি করে। ক্লায়েন্টদের সেবা প্রদানের জন্য। এতে করে সে অনেক মুনাফা অর্জন করে এটি একটি। ভালো মাধ্যমেো পুজি ছাড়াই ব্যবসা করা যায় ।

    নতুন ফ্রিল্যান্সিংদের জন্য ফাইবার মার্কেটপ্লেস

    একটি জনপ্রিয় সেক্টর হল এ ফাইবার মার্কেটপ্লেস। কন্টেন রাইটিং, ডিজিটাল মার্কেটিং, গ্রাফিক্স ডিজাইন থেকে শুরু করে অন্যান্য মার্কেট প্লেস এর মত প্রায় সমস্ত সেক্টরে এ কাজ রয়েছ। 

     ফাইবারের মাধ্যমে আমাদের দেশে অনেক সফলতা অর্জন করেছে। তাই বলা যায় যে ফাইবার ছাড়া ইনকাম করা অনেকাংশে অনলাইনে কঠিন হয়ে যায়। সুতরাং ফাইবার হচ্ছে অনলাইন ইনকামের অন্যতম একটি মাধ্যম । ২০১০ সাল থেকে ফাইবারের বাজার বিশেষ একটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে ফ্রিল্যান্সারদের জন্য।

     আমরা যারা নতুন প্ল্যান যারা আছি তাদের জন্য সবচাইতে জনপ্রিয় মার্কেটি হল ফাইবার। প্রথম ৫ ডলার থেকে শুরু হয় কাজ। আর এখান থেকে এই সাইডের উৎপত্তি হয়। নতুন ফ্রিল্যান্সারের জন্য ফ্রিল্যান্সার ডট কম ইনকামের মাধ্যম। আপ ওয়ার্ক এর মত চুক্তিভিত্তিক কাজের মাধ্যমে প্রতিযোগিতা কাজ করছে এই ফ্রিল্যান্সার ডট কম। 

    আরো পড়ুন: টেলিগ্রাম থেকে অনলাইন ইনকাম: বৈধ উপায় ও নতুনদের জন্য গাইড 


    বিশেষ করে আমরা যারা নতুন ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ করছি। তাদের জন্য মোবাইল ডেভেলপমেন্ট গ্রাফিক্স ডিজাইন থেকে শুরু করে, সফটওয়্যার এর কাজ করে থাকে। 

     নতুনদের জন্য চমকপ্রদ হয়ে থাকে। সব ফ্রিল্যান্সার। তাদের নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সব কাজ জমা দিয়ে দেয়। একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ পুরস্কার ঘোষণা করে এই কাজগুলো ছেড়ে দেয় মার্কেটের মধ্যে। এখান থেকে ক্ল্যানরা কাজ পছন্দ করে পেমেন্টের মাধ্যমে। ফ্রিলান স্যারদের পুরস্কার দিয়ে থাকেন ।

    পিপুল অফ আওয়ার নতুনদের জন্য মার্কেটপ্লেস

    নতুন ফ্রিল্যান্সারদের জন্য আই ইনকামের দিক দিয়ে পিপুল অফ আওয়ার ।এই সাইটটিও অনেক অবদান রাখছে অনলাইনের মাধ্যমে। এই সাইডে ভিডিও এডিটিং, সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট এবং গ্রাফিক্স ডিজাইনের মত সাপোর্টে সব ধরনের কাজ করে থাকেন।

    পাশাপাশি মার্কেটটিতে কাজ বিট করে কাজ সেল করো ভালো মানের ইনকাম করা যায়। সার্ভিস সেল দক্ষতা নিজের অভিজ্ঞতার উপরে পোস্ট করা যায়। এ পোষ্টের মাধ্যমে নিজের উপরে কাঙ্খিত মূল্যের নির্ধারণ করে। ২০০৭ সাল থেকে আন্তর্জাতিক মার্কেটপ্লেস এ কাজ করে থাকে পিপুল আওয়ার.কম।

    নতুন ফ্রিল্যান্সারদের জন্য গুরু ডট কম

    নতুন ফ্রিল্যান্সারদের জন্য গুরু ডট কম এই সাইটটি বেশি কাজ পেয়ে থাকে। প্রোগ্রামিং, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, ইঞ্জিনিয়ারিং অফ আর্কিটেকচার, সেলস এন্ড মার্কেটিং গ্রাফিক্স ডিজাইন। আর্টিকেল রাইটিং এই জাতীয় কাজের চাহিদা অনেক বেশি থাকে। এর সাথে থাকে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন। বা এসিও কাজের চাহিদা বেশি। অন্যান্য যেগুলো সাইড রয়েছে ।সেসব সাইডের তুলনায় এই সাইডে কাজ অনেক বেশি পেয়ে থাকে।

    এই সাইডে আপনি ফ্রিল্যান্সার গুরুপ হিসেবে কাজ করতে পারেন। সাধারণত বড় বড় প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন প্রজেক্ট এর উপরে এইখানে কাজ পাওয়া যায়। বন্ধুবান্ধবেরা একসঙ্গে মোটা অংকের টাকা ইনকাম করতে পারে এস সেক্টর থেকে। পেন্সিলভেনিয়া পিটসবার্গে এই সাইটটি ১৯৯৮ সালে মুন লাইট ডট কম নামে কাজ শুরু করে।

    নতুন ফ্রিল্যান্সার জন্য টপটাল

    এটা এমন একটি অনলাইন কাজ যেখানে অভিজ্ঞ তারা বেশি পেয়ে থাকে। নতুনদের জন্য এ টপ টাল মার্কেট প্লেসে কাজ করা অত্যন্ত কঠিন। তবে এখানে কাজ করতে পারলে অধিক পরিমাণে মুনাফা পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তবে এখানে যেসব ফ্রিল্যান্সাররা কাজ করে তাদের মধ্যে অধিকাংশ অভিজ্ঞ ব্যক্তি।

    এখানে বড় বড় কোম্পানি অভিজ্ঞ ফ্রিল্যান্সার দ্বারা কাজ করিয়ে নেয়। এখনকার ফ্রিল্যান্সার জায়গাটা যারা কাজ করে , ৯০% ই মানুষ আমেরিকান । এখানে অফিস এপ্লিকেশন করার পরে আপনাকে আপ্রুভ জমা দিতে হবে। আরে একটু খাওয়া পর্যন্ত আপনাকে অপেক্ষা করতে হবে। অ্যাপ্রুভ হয়ে গেলে আপনি কাজের জন্য এপ্লাই করতে পারবেন।

    নতুন ফ্রিল্যান্সারদের জন্য সিম্পলী হায়ার প্ল্যাটফর্ম বা মার্কেট প্লেস

    নতুন ফ্রিল্যান্সারদের জন্য, প্ল্যাটফর্ম তাদের জন্য তৈরি করা হয় না, তবে এখানে অনলাইনে অনেক কাজ পাওয়া যায়। তবে এখানে নতুন কাজের যদি এপ্লাই হয় নোটিফিকেশনের মাধ্যমে তা ইউজারদেরকে জানিয়ে দেওয়া হয়। আর সিম্পলি হায়ার এর মধ্যে, আপনি আপনার জব খুঁজে নিতে পারেন।

    যে পদ্ধতিতে বাংলাদেশ থেকে ফ্রিল্যান্সিং টাকা উঠানো হয়

    বর্তমান সময়ে ফ্রিল্যান্সিং করে টাকা উঠানোর জন্য অনেক মাধ্যম রয়েছে। বিশ্ব এ যে বড় মাধ্যম রয়েছে তার মধ্যে পেনিয়ার অন্যতম, এছাড়াও রয়েছেস স্টাইপ সিস্টেম । তবে বাংলাদেশের জন্য অল্প পরিমাণ টাকা উঠানোর জন্য খুব সীমিত পরিমান সাইটগুলো রয়েছে। নিচের সেসব সাইট সম্পর্কে বর্ণনা করা হলো । 

    টাকা উঠানোর জন্য পেনিয়ার সাইড

    বাংলাদেশের যেসব ফ্রিল্যান্সারা বাইরের দেশে কাজ করে থাকে। তাদের যে অনলাইনে টাকা উঠানোর মাধ্যম গুলো রয়েছে তার মধ্যে পেনিয়ার হলো অন্যতম। একসময়ের মান খুব ভাল ছিল কিন্তু বর্তমান সময়ে চার্জসহ টাকার রেট কম দেয়ার কারণে। এটা বর্তমানে প্রায় ব্যবহার খুব কম হয়। ব্যাপারটা এখন বেড়ে গেছে নতুন প্ল্যানচার এর মাধ্যমে এর ব্যবহার বৃদ্ধি করার কারণে।

    টাকা উঠানোর আরেকটি মাধ্যম হলো জুম

    যদি কোন ফ্রিল্যান্সার জুমের মাধ্যমে টাকা উঠায়। তাহলে প্রতি 1000 ডলারের প্রেমের নিতে চাইলে আপনাকে ৪.৯৯ ডলার চার্জ দিতে হবে। এর চেয়ে বেশি ডলার যদি আপনি পেমেন্ট নিতে চান তাহলে একদম ফ্রিতে বিনা চার্জে আপনাকে দিতে পারবে। ইউএস থেকে যদি পেমেন্ট নেন তাহলে বাংলাদেশ ব্যাংকের যেকোনো ব্যাংক থেকে আপনি টাকা উত্তোলন করতে পারবেন।
    নতুন-ফ্রিল্যান্সারদের-জন্য-সেরা-মার্কেটপ্লেস

    টাকা উঠানোর একটি মাধ্যম হলো ট্রান্সফার ওয়াইজ

    অন্যান্য রেট এর চাইতে ওয়াই জেড ডলারের রেট বেশি দেয়। এখানে টাকা উঠাতে গেলে আপনাকে পেমেন্টের চাইতে বেশি রেট দেয় টাকা উঠাতে পারবেন। সহজ এবং দূরত্ব প্রসেস হওয়ার জন্য বর্তমান অনেক ল্যান্সারে টি ইউজ করে থাকে। ২০১১ সালে এই ট্রান্সফার ওয়াস চালু হয়। ট্রান্সফরমার ওয়াইজ অল্প দিনের মধ্যে পপুলার হয়ে গেছে। কোন ধরনের হিডেন ফি দিতে হবে না চার্জ দিতে হবে না। বিশ্বব্যাপী অনেক পপুলারিটি। ফ্ল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস এর তালিকা।
    আপনি ফ্ল্যান্সিং জগতের বিভিন্ন মার্কেট প্লেসের যেসব international ফ্রিল্যান্সিং কাজ করা হয়। সে সম্পর্কে বিস্তারিত বর্ণনা করা হলো ।

    •  আপ ওয়ার্ক
    •  ফাইবার
    •  ফ্রিল্যান্সার
    • পিপুল পার আওয়ার 
    • নাইন্টিন নাইন ডিজাইন
    •  গুরু
    •  টপ টাল
    •  ওই ওয়ার্ক রিমোটলি
    •  ড্রিবলি
    •  সিম্পলি হার
    •  ক্লিয়ার ভয়েস

     নতুন ফ্রিল্যান্সার দের জন্য স্বাধীন কাজ

    নতুন ফ্রিল্যানস্যারদের জন্য স্বাধীন কাজ হলো ডটকম প্ল্যাটফর্ম এর সাইট।বাংলাদেশীদের জন্য এই সাইটটিতে তৈরি করা হয়েছে। আপনি এই সাইড দিয়ে প্রজেক্ট ভিত্তিক লোকাল কাজ পাবেন। আপনি যদি বাংলাদেশের সাইটে কাজ করতে আগ্রহী হন তাহলে আপনাকে একটি একাউন্ট খুলতে হবে।

    কাজ সম্পন্ন হলে পরে  ঘরে বসে ব্যবসা করার জন্য এটা একটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে কাজ করছে। আরে মার্কেটপ্লেস পরিচালনা করার জন্য ফ্রিল্যান্সাররা প্রতিবছর হুড়হড় করে ঢুকতে আছে এই জগতে। অনলাইন ব্যবসা করার জন্য ফ্রিল্যান্সারদের অনেকগুলো মার্কেটপ্লেস রয়েছে।।যে নতুন ফ্রিল্যান্সার স্যার দের জন্য যেসব মার্কেটপ্লেস এর বর্ণনা দেয়া হলো এগুলো সব ফ্রিল্যান্সার ক্ষেত্রে অতীব প্রয়োজনীয় একটি জিনিস।

    আরো পড়ুন: বিনা ডিপোজিটে অনলাইন ইনকামের ১৫ টি বৈধ উপায় সম্পর্কে জানুন 

    শেষ কথাঃ

    নতুন ফ্রিল্যান্সার দের জন্য সেরা মার্কেটপ্লেস কোনটি বা ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস কি সম্পর্কে সম্পূর্ণ আপডেট তথ্য আপনাদের সুবিধার্থে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি আশা করছি বুঝতে পেরেছেন। কিভাবে টাকা তুলবেন কিভাবে নতুন প্ল্যানস আপডেটের জন্য সাইট করবেন সম্পূর্ণ তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। এরপরও যদি আপনাদের কোন রকমের সমস্যা হয়ে থাকে। তাহলে আমাদেরকে কমেন্ট বক্সে জানাবেন আপনার প্রশ্নের উত্তর দিয়ে উপকৃত হব।

    আপনি আমি আজকের আর্টিকেল সম্পর্কে মনোযোগ সহকারে পড়ে বুঝতে পারলাম যে। যে বিষয়গুলো সম্পর্কে আমরা অজ্ঞ ছিলাম আজকে সে বিষয়গুলো সম্পর্কে ভালোভাবে জানতে পারলাম। এবং একটি ধারণা পেলাম 

    অবশেষে বলা যায় যে, আমরা যারা নতুন ফ্রিল্যান্সার আছি । এই সাইট গুলো আয়ত্ত করে মনোযোগ সহকারে যদি অনলাইনের মাধ্যমে কাজ করা যায়। তাহলে আপনাদের আমাদের সফলতা আসবে অবশ্যই।

    আজকে আর্টিকেলটি যদি আপনাদের কাছে ভালো লেগে থাকে। তাহলে আপনাদের আত্মীয়-স্বজনের নিকট শেয়ার করে দিবেন। এমন নতুন আর্টিকেল পেতে আমাদের ওয়েবসাইটটি প্রতিদিন একবার করে ভিজিট করুন। কারণ আমরা প্রতিদিনই এই ওয়েবসাইটের নতুন আর্টিকেল প্রকাশ করে থাকি। আজকে আর কথা নয়, এ পর্যন্ত শেষ করছি। আপনাদের সুসন্ত কামনা করে। আল্লাহ হাফেজ।

    এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

    পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
    এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
    মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

    আপনি সফল ব্লগে নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

    comment url