যাইতুন তেল চেনার উপায়: পুষ্টিগুণ উপকারিতা ও ব্যবহার বিধি
আজকের আর্টিকেলে আমরা যায়তুন তেল চেনার উপায়, যাইতুন তেল কিভাবে তৈরি হয়, পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা সম্পর্কে সঠিক তথ্য জানতে, এই পোস্টটি এক নজরে দেখুন।
যাইতুন তেল মুলত যাইতুন গাছের ফল থেকে উৎপাদন করা হয়। যাইতুন তেলের অনেক
উপকারিতা s সহ এই তেল চেনার যায় এবং কি কি পুষ্টিগুণ আছে, আজকের আঁটিকেলে সমস্ত
তথ্য নিয়ে থাকছে বিস্তারিত বর্ণনা। আমাদের সঙ্গে থাকুন।
পেজ সূচিপত্রঃ যাইতুন তেল চেনার উপায়: পুষ্টিগুণ উপকারিতা ও ব্যবহার বিধি সম্পর্কে জানুন।
যায়তুন তেল চেনার উপায়
যাইতুন তেল (Extra Virgin Olive Oil) চেনার উপায় হলো, আপনাকে প্রথমে জায়তুন গাছ সম্পর্কে জানতে হবে। এই
জাইতুন গাছ সম্পর্কে কুরআন শরীফে ঐশি বাণীর বর্ণনা করা আছে। তাহলে বুঝতে পারছেন
যাইতুন তেলের উপকারিতা কত। নিম্নের জায়তুন তেল চিনা কয়েকটি উল্লেখযোগ্য দিক
বর্ণনা করা হলো।
আমরা যাইতুন তেল চিনবো কয়েকটি উপায় তার মধ্যে অন্যতম চলুন জেনে নেওয়া যাক,
ফ্রিজ টেস্টঃ ফ্রিজের নরমালে রাখুন, যদি জমে যায়, তাহলে বুঝন, এটি খাঁটি
এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল।
ঘ্রাণঃ খাটে যায়তুন তেলে নিজস্ব সুবাস থাকে, যা জলপাইয়ের কাচা ফলের মত ঘ্রাণ
বের হয়।
স্বাদ ও গলা জ্বালাপোড়াঃ যায়তুন তেল মুখে নিলে একটু তেতো ও ঝাঁঝালো অনুভূতি
হয়। গিলে খেলে গলার ভেতরে ঝাঁজ লাগে। তবে খুব বেশি গাঢ় বা একদম বর্ণহীন তেল
এড়িয়ে চলুন।
রং পরীক্ষাঃ ভালো মানের যায়তুন তেলের রঙ হালকা সবুজ থেকে সোনালী হলুদ হয়।
বোতলের লেভেলের মোড়কঃলেবেলে "Extra Virgin Olive Oil"
লেখা আছে কিনা যাচাই করুন, এবং এর উৎপত্তি বা দেশের নাম (যেমন: স্পেন, ইতালি,
গ্রিস) পরিষ্কারভাবে উল্লেখ আছে কিনা সেটাও দেখে নিন। নিচে আরও বিস্তারিত জেনে
নিতে পারেন।
যাইতুন গাছের পরিচয়
যাইতুন গাছ একটি চিরহরিৎ গাছ। যাইতুন গাছটি ৮ থেকে ১৫ মিটার, এবং পাতা
দৈর্ঘ্য ১ থেকে ৩ সেন্টিমিটার লম্বা হয়। যাইতুন গাছের প্রস্থ ১ থেকে
২.৫ সেন্টিমিটার হয়। যাইতুন এর ফল ১ থেকে ২ সেন্টিমিটার হয়ে থাকে।
যাইতুন গাছ গুলো উপসাগরে এলাকায়, মরক্কো সমুদ্র এলাকায়, লেবানন সিরিয়ায়
তুরস্কের সামগ্রিক এলাকায় দিকে বশি দেখা যায়। যাইতুন গাছের ফলকে জায়তুন ফল
বলা হয়। জায়তুন ফল থেকে যায়তুন তেল তৈরি করা হয়। নিম্নে যায়তুন তেল
সম্পর্কে আরো বিস্তারিত আলোকপাত করা হলো।
জয়তুন তেল সম্পর্কে আল্লাহর ঐশী বাণী
"আল্লাহ আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর নূর। তাঁর নূরের উপমা যেন একটি তাক, যাতে একটি
প্রদীপ আছে; প্রদীপটি একটি কাচের পাত্রে রক্ষিত। কাচের পাত্রটি যেন উজ্জ্বল
নক্ষত্র, যা প্রজ্জ্বলিত হয় বরকতময় যায়তুন গাছের তেল দ্বারা, যা পূর্বমুখীও
নয় এবং পশ্চিমমুখীও নয়। এর তেল যেন আগুন স্পর্শ না করতেই আলো বিকিরণ করতে
উদ্যত হয়। নূরের ওপর নূর! (সূরা আন-নূর, আয়াত: ৩৫)
এছাড়াও সূরা আত তিনের বর্ণনায়"শপথ আঞ্জীর (ডুমুর) ও যায়তুনের, এবং সিনাই পর্বতের, এবং এই নিরাপদ নগরীর
(মক্কা)।" (সূরা আত-তীন, আয়াত: ১-৩)
হাদিস শরীফে এসেছে, হযরত উমর ইবনুল খাত্তাব (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ
(সা.) ইরশাদ করেছেন: "তোমরা যায়তুন তেল খাও এবং তা শরীরে মালিশ কর। কারণ এটি একটি
বরকতময় গাছের তেল।" (সুনান আত-তিরমিজী ও ইবনে মাজাহ)
জয়তুন ফল ও জলপাই এর পার্থক্য
যাইতুন ফল ও জলপাইয়ের পার্থক্য আমরা সহজে বুঝতে পারি না। এই দুইটি ফল একই
মনে করি। এখন আমরা জলপাই এবং যাইতুন চেনার উপায়গুলো কি, সে বিষয়ে বলছি। জলপাই
ফল থেকে অলিভ অয়েল তেল তৈরি হয়। এই ফলটি বাংলাদেশে পাওয়া যায়। কিন্তু
যাইতুন তেল বাংলাদেশে পাওয়া খুবই কঠিন সাধ্য বিষয়। সহজেই তা পাওয়া যায় না।
বাইরের দেশ থেকে আমদানি করা লাগে। এ তেলের দাম আকাশচুম্বি, সবাই এ তেল ব্যবহার
করতে পারেনা। কিন্তু বাংলাদেশের জলপাই তেল সব জায়গায় পাওয়া যায়। এক্ষেত্রে
জাইতুন আর জলপাই বা অলিভ অয়েল তেলের পার্থক্য বুঝতে পারা সহজ হয়ে গেল।
যায়তুন তেলের পরিচয় কি
জায়তুন তেল মুলত বাইরের দেশের তেল। এ তেল আমাদের দেশে উৎপাদন হয় না। এটি লিকুইড
গোল নামেও পরিচিত লাভ করেছে। কারণ এর দাম অনেক, এটি আরবীয় উপসাগরে বা
মরক্কো দিকে তৈরি হয়। এজন্য দামও বেশি। বাংলাদেশে এই তেলের ব্যবহার তেমন
হয় না। তবে আরবের লেবাননের মানুষ রান্না করে এবং তেল খায়। আমরা বাংলাদেশিরা
মাঝে মধ্যে শীতকালীন সময়ে শরীরে মাখার জন্য ব্যবহার করে থাকে।
যাইতুন তেল চিনা কয়েকটি উপায়
পিওর জায়তুন তেল সুগন্ধিযুক্ত
আপনাকে পিওর জায়তুন তেল চিনতে হলে এর ঘ্রাণ বুঝতে হবে। এই যাইতুন তেলটি সুঘ্রানে
পরিপূর্ণ থাকবে। আর অন্যান্য যে তেল গুলা আছে, এ তেলে কোন সুঘ্রাণ থাকবে না, এটাই
হল ভেজাল যুক্ত তেল, অরজিনাল নয়। চিনার মূল কারণ এ তেল অর্গানিক তেল সুঘ্রাণ
দিবে।
এটি প্লাস্টিক কিংবা পুড়া টাইপের তেল হলে, কোন সুঘ্রাণ দিবেনা। এটা হচ্ছে তেল
চেনার অন্যতম প্রধান উপায়।
যাইতুন তেল আঠা যুক্ত হবে না
জয়তুন তেল চেনার মাধ্যম হলো ঘনত্ব মাঝারি, খুব বেশি ভারী নয়, ত্বকে মালিশ করার
কিছুক্ষণ পরেই এটি ত্বকের গভীরে চলে যায়, এবং আঠাযুক্ত হয়না। যদি চুলে ও শরিলে
মাখলে আঠা যুক্ত হয়না, বরং ওপরের অংশ পিচ্ছিল ও মসৃণ থাকে। যদি বেশি আঠা যুক্ত
হয়। এক্ষেত্রে বোঝা যাবে যে আসল নাকি ডুবলি কেট।
যায়তুন তেল পাতলা হবে
যায়তুন তেল ভারি হবে না এ তেল পাতলা হবে। কোন আঠা যুক্ত হবে না
যায়তুন তেল। যেমন শরীরে বা রান্না করার কাজে এ তেল টি যত নাড়াচাড়া করা যাবে।
ততই পাতলা হবে এটা হল চেনার আরেকটি উপায়।
খেলে গলায় তিতা ভাব হয়
জয়তুন তেল খেলে গলার মধ্যে একটু তিতা ভাব আসবে ।এটা হচ্ছে জয়তুন তেল চেনার
আরেকটি উপায় । নকল তেল খেয়ে দেখবেন।যেটি আসল হবে, সেটি গলার মধ্যে গেলে একটু
তিতা তিতা ভাব আসবে।
যাইতুন তেলের গুনাগুন বা কার্যকারিতা
জায়তুন তেলের কার্যকারিতা সম্পর্কে বলতে গেলে ,অনেক কিছুই রয়েছে তো চলন জেনে
নেই জয়তুন তেলের গুনাগুন ও কার্যকারিতা সম্পর্কে চলুন কয়েকটি সঠিক তথ্য জেনে
নেওয়া যাক,
- হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়
- শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও প্রদাহনাশক হিসেবে কাজ করে
- ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সহায়ক ভূমিকা রাখে
- হজমশক্তি বৃদ্ধি ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূরীকরণ
- ত্বক ও চেহারার বিশেষ যত্ন নেওয়া যায়
হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়
যায়তুন তেলে প্রচুর পরিমাণে
মনো-আনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি এসিড (বিশেষ করে অলিসিক এসিড)
থাকে, যা রক্তের ক্ষতিকর কোলেস্টেরল (এল এল ডি) কমায় এবং ভালো কোলেস্টেরল (এইচ ডি
এল) বাড়াতে সাহায্য করে।
যার কারণে রক্তের ধমনিকে নমনীয় রাখে এবং রক্ত জমাট বাঁধতে দেয় না,
ফলে হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি বহুগুণে কমে যায়। যা শরীরকে সুস্থ ও
সাবলীল রাখবে সাহায্য করবে।
কলেস্টরেল কমায় জয়তুন তেল
যাইতুন তেল খেলে এবং শরীরের মাখলে যে ব্যাড ক্লোস্টার রেল আছে ।এটা কমিয়ে
সঠিকভাবে শরীরকে ফিট করতে সাহায্য করে। একটি সুস্থ শরীরকে অসুস্থ করার জন্য ব্যাড
কোলেস্টরেল যথেষ্ট। এটি অনেক ধরনের অসুখ শরীরে বয়ে নিয়ে আসে। এজন্য যতটুকু
সম্ভব এই অলিভ অয়েল যায়তুন তেল খান। যাই বলেন না কেন রান্না করে খেলে
আপনার শরীরের কোলেস্টের বাড়বে না।
পাকস্থলী পরিষ্কার করার প্রধান উপায়
যায়তুন তেল ব্যবহার করার মাধ্যমে বা রান্না করে খাওয়ার মাধ্যমে আপনার পাকস্থলী
সম্পূর্ণভাবে পরিষ্কার হয়ে যায়। এই তেলের এটি একটি অন্যতম গুণাগুণ পেটের ভিতর
যদি অন্য কোন সমস্যাও থেকে থাকে। তাহলেও সেটা দূর করতে সাহায্য করে। এই যায়তুন
তেল এটি হচ্ছে আরেকটি অন্যতম শরীর ফিট রাখার উপায়।
শরীরের এসিড কমায় যাইতুন তেল
জয়তুন তেল শরীরের অতিরিক্ত অ্যাসিড কে কমিয়ে দিয়ে শরীরকে সুস্থ রাখতে
সাহায্য করে
কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে জয়তুন তেল
জাইতুন তেলব্যবহার করার রান্নার কাজেমাধ্যমে আপনার শরীরের যে সমস্ত
কোষ্ঠকাঠিন্যের শরীর শুকিয়ে যাওয়া বা পায়খানা কষা হয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে জইতুন
তেল ব্যবহার করে খেলে আপনার কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়ে যাবে।
যকৃত পরিষ্কার রাখে যায়তুন তেল
যকৃত পরিষ্কার রাখার জন্য জায়তুন তেলের যে ভূমিকা রয়েছে সেটা বলাই বাহুল্য
কারণে তেলের আরো যেগুলো উপকার রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম হলো যকৃত পরিষ্কার রাখা
এয়ারটেল টি যকৃত পরিষ্কার রাখার জন্য এতটাই কার্যকারী যে ভেষজ ওষুধের মত কাজ করে
থাকে।
গর্ভবতী মায়েদের পেটের দাগ দূর করে
সন্তান প্রসবের পর পেটের যে গর্ভকালীন দাগ হয়ে থাকে এই দাগ চিরতরে দূর করে দেয়
এই তেল বাচ্চা প্রসবের পর পর ব্যবহার করলে পরে আপনার গর্ভকালীন যে দাগ থাকে সে
দাগগুলো পেটের দূর হয়ে যায়।
যাইতুন তেল বয়স্ক প্রতিছবি দূর করে
জাতুন তেল ব্যবহার করার মাধ্যমে বয়স্কের যে ছবি চামড়ার যেই জড়ো হয়ে যাওয়া
একটি নিয়মিত মাখলে আপনার শরীরের চামড়া জড়াটা থাকবে না বয়সে যে ছাপটা সেটা আর
থাকবে না এটা হচ্ছে অন্যতম আরেকটি জায়তুন তেলের গুন
মেয়েদের রূপ বর্ধন জাইতুন তেল
মেয়েদের রূপের পরিচর্যা করার জন্য জয়তুন তেলের গুরুত্ব অনেক বেশি এইতেল
মেয়েদের রূপচর্চার জন্য ব্যবহার করা হয় এটা একটি কার্যকারী তেল রূপচর্চার
জন্য।
যাইতুন তেলের প্রকারভেদ
সমুদ্রে উপকূলীয় এলাকায় জায়তুন তেলকে ৩ ভাগে ভাগ করেছে। তার মধ্যে অন্যতম হলো
১. এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল
২. ভার্জিন অলিভ অয়েল
৩. রিফাইন্ড বা পিওর অলিভ অয়েল
এক্সট্রা ভিনেগার নিম্নে এ সম্পর্কে আলোচনা করা হলো
এক্সট্রা ভার্জিন ওয়েলের গুনাগুন
এক্সট্রা ভার্জিনএর গুনাগুন বলতে গেলে বোঝায় যে সরাসরি ফল থেকে যে তেল তৈরি হয়।
সেটাই এর মধ্যে কোন ভেজাল বা অন্য কোন সিস্টেম চালু থাকে না। এটাকে এক্সট্রা
ভার্জিনযায়তুন তেল বলা হয়।
ভার্জিন এক্সট্রা ভার্জিন জয়তুন তেল
ভার্জিন এক্সট্রা ভার্জিন মানে এর মধ্যে একটু এসিডের পরিমাণ থাকে। এটা একবারে
সরাসরি ফল থেকে তৈরি হয়ে কয়েক পরিমাণ এসিড থাকে। এক থেকে দুই পার্সেন্ট এখানে
তেমন কোন সমস্যা নেই, এটা হচ্ছে, ভার্জিন এক্সট্রা ভার্জিন।
রেফারিং পিওর ভার্জিন
যায়তুন তেল তৃতীয় নম্বর ধাপ এ ধাপে এসিডের পরিমাণ থাকে তিন থেকে চার পার্সেন্ট
এটা আপনার শরীরের কোনো ক্ষতি করবে না জাস্ট তেলের ডিফারেন্স করার জন্য এটি
ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
যায়তুন তেলের ধর্মীয় গ্রন্থের স্বীকৃতি
জাইতুন তেল ধর্মীয় স্বীকৃতি প্রদান করেছে। ইসলাম ধর্মের জয়তুন তেল সম্পর্কে
কোরআনেও বর্ণনা করা হয়েছে"তোমরা যাইতুন তেল খাও এবং ব্যবহার করো" ইবনে মাজার
শরীফের ৩৩২০ নম্বর হাদিসে বলা হয়েছে "তোমরা জয়তুন তেল খাও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর
হবে"।
চুলে জাইতুন তেল ব্যবহার
যাইত্তুন তেল চুলে ব্যবহার করলে চুলের গোড়া মজবুত এবং খোকশী দূর হয়, চুল ভাঙ্গা
থেকে রক্ষা পায়, পাকা চুলগুলিতে যায়তুন তেল ব্যবহার করলে পাকা চুল গুলো কাঁচা
হয়। বয়সের পার্থক্য তারতম্য করে জয়তুন তেল। যাদের শরীরে বয়সের দাগ পড়ে গেছে,
তারা জাইতুন তেল ব্যবহার করলে বয়সের ছাপটি দূর হয়ে যায় । এই তেল মাথায়
ব্যবহার করলে মাথা ঠান্ডা রাখে।
যাইতুন তেল ব্যবহারের নিয়ম নীতি
যাইতুন তেল ব্যবহারের নিয়ম নীতি সম্পর্কে বর্ণনা করা হল। এক শতাধিক এরও বেশি
সময় ধরে যাইতুন তেল ব্যবহার হয়ে আসছে। এর এতটাই পুষ্টিগুণ স্কিনের যেকোনো
সমস্যার জন্য সমাধান বয়ে নিয়ে আসে।
রান্নাবান্নার কাজে ব্যবহার
রান্নাবান্নার কাজে যাইতেন তেল ব্যবহারের জন্য কি পরিমান তেল ব্যবহার করতে হবে
সেটা এখন বলবো অন্যান্য যে তেল গুলো ব্যবহার করা যায় ওই তেলে তুলনায় যায়তুন
তেল অনেকটাই কম ব্যবহার করতে হয় চার ভাগের এক ভাগ তেল ব্যবহার করলে আপনার রান্না
সম্পূর্ণ হয়ে যাবে ।
মাথার চুলে ব্যবহার
মাথার চুলের তেল ব্যবহার করার জন্য আপনি অন্য যে তেল গুলো ব্যবহার করে থাকেন
এখানেও আপনার অনেকটাই তেল কম লাগে মাথার খুব সিঁদুর করে মাথা ঠান্ডা রাখে এবং
মাথায় যদি আগে কোন ব্যথা থাকে সেগুলো ভালো হয়ে যায় চুল ভাঙ্গা চুল পড়ে যাওয়া
বা চুল পেকে যাওয়া
দূর করার জন্য জায়তুন তেল ব্যবহার করা হয় ।
শরীরে মাখার জন্য জয়তুন তেলের ব্যবহার
শরীরের মাখার জন্য জয়তুন তেলের ব্যবহার কেউ যদি মনে করে যে গোসলের আধা ঘন্টা
পূর্বে শরীরের সুন্দর করে যায়তুন তেল মাখার পরে গোসল সেরে নিলে পরে শরীরের শীতল
ভাব আসবে শরীরকে স্বাস্থ্য উজ্জ্বল দেখাবে এবং মনের ভেতরে আনন্দের ভাব চলে আসবে।
চুলে হিয়ার মাক্স তৈরি করা
যায়তুন তেল দিয়ে হিয়ার মাক্স তৈরি কিভাবে যায়তুন তেল দিয়ে হেয়ার ম্যাক্স
তৈরি করতে হয়। সে বিষয়ে এখন জানব, প্রথমে চার চামচ তেল একটি বাটিতে ঢেলে নিতে
হবে। এরপরে তেলটিকে হালকা উষ্ণ গরম করতে হবে। গরম করার পরে আবার ঠান্ডা
করতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে, যেন ঠান্ডা হয়। এরপরে মাথার অল্প অল্প করে চুলে
লাগিয়ে নিতে হবে। চুল যদি বেশি হয় সে ক্ষেত্রে আরো বেশি তেলের দরকার। এভাবে
মাথায় তেলগুলো লাগিয়ে দিলে আপনার চুলের হেয়ার ম্যাক্স তৈরি হবে।
উপসংহার
যাইতুন তেল চেনার উপায়, এ বিষয়ে আমরা উপর থেকে জানতে পারলাম যে যাইতুন তেল
ব্যবহার করার নিয়ম। যাইতুন তেলটি ব্যবহারের মাধ্যমে আপনার শরীরের উজ্জ্বলতা
ফিরিয়ে আনে। এই তেল এটা সর্বজনীন ব্যবহার করতে পারবেন, তেলের কোন পার্শ্ব
প্রতিক্রিয়া নেই। যায়তুন তেল সম্পর্কে আপনাদের যদি কোন প্রশ্ন থেকে থাকেন তাহলে
আমাদেরকে কমেন্ট বক্সে নক করবেন আমরা আপনাদের প্রশ্নের সঠিক জবাব দিয়ে উপকৃত
হবো।
যায়তুন তেল চেনার উপায় সম্পর্কেও আমরা জানতে পারলাম, আমাদের
শরীরের যায়তুন তেল ব্যবহারে যেকোন সমস্যার প্রায় সমাধান নিয়ে আসে, যার
কারণে তেলের কার্য ক্ষমতাও অনেক বেশি। তাই এর দামও আকাশচুম্বি। এরকম সুন্দর
সুন্দর আর্টিকেল পেতে আমাদের ওয়েবসাইটে ভিজিট করুন। আমাদের সুস্বাস্থ্য বিষয়ক
আর্টিকেলগুলো এই ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়। আজকের মত এখানেই শেষ করছি।
আল্লাহ হাফেজ।

.webp)
.webp)
আপনি সফল ব্লগে নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url