বিরুলিয়া জমিদার বাড়ি সাভার ঢাকা যাতায়াত খরচ ও দর্শনীয় স্থান
আজকের এই আর্টিকেলে বিরুলিয়া জমিদার বাড়ি সাভার ঢাকা ভ্রমণের যাতায়াতের সকল রূট এবং স্বল্প খরচ ও দর্শনীয় স্থান, ভ্রমণ তথ্য এক নজরে জেনে নিতে পারেন।
বিরুলিয়া জমিদার বাড়ি সাভার ঢাকার তুরাগ নদীর তীরবর্তী একটি নান্দনিক স্বর্গীয় গ্রাম। পুরনো ঐতিহাসিক কয়েকটি স্থাপনার মধ্যে বিরুলিয়া জমিদার বাড়ি অন্যতম। এখানে দাঁড়ালে অতীতের জমিদারি আমলের স্পষ্টতা অনুভব করা যায়।
পেজ সূচিপত্রঃ বিরুলিয়া জমিদার বাড়ি সাভার ঢাকা ভ্রমণ গাইড যাতায়াত খরচ ও দর্শনীয় স্থান সম্পর্কে জানতে পড়ুন।
- বিরুলিয়া জমিদার বাড়ি
- বিরুলিয়া জমিদার বাড়ির মূল আকর্ষণ
- কিভাবে যাবেন
- কোথায় থাকবেন
- কোথায় খাবেন
- সঙ্গে যা নিবেন
- সতর্কতা অবলম্বন
- আশেপাশে দর্শনীয় স্থান
- আমাদের শেষ কথা
বিরুলিয়া জমিদার বাড়ি
বিরুলিয়া জমিদার বাড়ি ঢাকা সাভারের গোলাপ নগর গ্রাম নামে পরিচিত। যা ঢাকার নিকটবর্তী একটি অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র। এই জমিদার বাড়িটি একসময় এলাকার প্রভাবশালী জমিদারি পারিবারিক আবাসস্থল ছিল। বর্তমানে প্রায় অনেক অংশ ধ্বংসপ্রাপ্ত। তবে এখনো পুরনো স্থাপত্য দিনের সূর্যের সৌন্দর্যতায ফুটে ওঠে।
বিরুলিয়া জমিদার বাড়ির সরকারি নির্দিষ্ট কোন রেকর্ড না থাকায় পুরো এলাকাটি কে কয়েক বিঘায় বিভক্ত করে এই জমিদার বাড়িটি স্থাপন করা হয়। প্রায় ১৮-১৯ শতাব্দীর দিকে সাদুল্লাপুর জমিদার নোলিনি মোহন সাহার ঐতিহাসিক সাতটি দালান ও এই জমিদার বাড়িটি নির্মাণ করা হয়।
যার প্রতিষ্ঠাতা বর্তমান রজনীকান্ত ঘোষের বংশ দ্বারা পরিচালিত হয়ে আসছে। তবে বিরুলিয়া জমিদার বাড়িটি দুই তলা বিশিষ্ট বড় উঠান ও আশেপাশে শান্ত নির্জন পরিবেশ, এবং বিশাল পুকুর সেই সঙ্গে সবুজ বাগান আছে। এছাড়াও সরকারি কর্মচারীদের কোয়ার্টার এবং গুদামঘর দেখা মিলবে।
বর্তমানে এই বিরুলিয়া জমিদার বাড়ির অনেক অংশ ভেঙ্গে যাওয়ায় এর আসল আয়তন বোঝা কঠিন হয়ে পড়েছে। দীর্ঘদিন রক্ষণাবেক্ষণের অভাবের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত অনেক অংশ ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়েছে। কিন্তু ঐতিহাসিক আবহ এখনও টিকে আছে। তবে ধনী জমিদার গন কৃষকদের কাছে কৃষি জমির খাজনা ও ব্রিটিশদের কাছ থেকে ইজারা নিয়ে শাসন ব্যবস্থা চালিয়ে যেতেন।
যাওয়ার সেরা সময় কখনঃ শীতকাল "নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি মাস" সেরা সময়। এসময় আবহাওয়া থাকে ঠান্ডা ও আরামদায়ক। ঘোরাঘুরি হাটা সাইকেলের রাইড এর জন্য সেরা সময়। আকাশ পরিষ্কার থাকে, ফটোগ্রাফি হয় দৃষ্টিনন্দনীয়।
আরো পড়ুনঃউদয়পুর ডেস্টিনেশন ঢাকা ভ্রমণ গাইড ২০২৬ যাতায়াত ও খরচ
দিনের সেরা সময়ঃ বিকাল ৪ টা হতে সূর্যাস্ত পর্যন্ত, তুরাগ নদীর পাড়ে সূর্যাস্ত ঠান্ডা বাতাস ফটোগ্রাফির জন্য গোল্ডেন লাইট। সকাল ছয়টা থেকে নয়টা পর্যন্ত পরিবেশটাকে ঠান্ডা ও শান্ত পাখির ডাক সেই সাথে ফ্রেশ বাতাস, এ সময় ভিড় কম থাকে।
শুক্রবার দিনে গম্ভীর পাওয়া যায়, তবে বিকেলের সময় নদীর পাড়ে রিলাক্স করা যায়। এ সময় আবহাওয়া প্যারোনোমিক থাকে। যা ফটোগ্রাফির জন্য সেরা সময়।
প্রবেশ ফিঃ নেই তবে মাঝ বরাবর স্থানীয় কেউ পার্কিংয়ের ব্যবস্থা করলে ১০- ২০ টাকা চাইতে পারে
বিরুলিয়া জমিদার বাড়ির মূল আকর্ষণ
প্রাচীন স্থাপিত শৈলী
বিরুলিয়া জমিদার বাড়ি মূল আকর্ষণ হল প্রাচীন স্থাপিত শৈলী। পুরনো ইট ও চুন সুড়কি দিয়ে তৈরি ভবন। খিলান যুক্ত দরজা জানালা সঙ্গে ব্রিটিশ আমলের কারুকার্য পর্যটকদের আকৃষ্ট করার জন্য যথেষ্ট দেখলেই মনে হয় ইতিহাস এই কারুকার্যের মধ্যে লুকিয়ে আছে।
ধ্বংসাবশেষ প্রাপ্ত
বিরুলিয়া জমিদার বাড়িটি আংশিক ভাঙ্গা দেওয়াল গুলো তার পুরনো স্মৃতি আজও আঁকড়িয়ে ধরে আছে। কালের বর্তমানে দর্শনার্থীদের কাছে তার সৌন্দর্যকে মেলে ধরেছে যা পুরনো রং ও কারুকার্য দ্বারা হাজারো পর্যটকগণ আকৃষ্ট হয়ে থাকে। এজন্য এই জায়গাটি সিনেম্যাটিক অনুভূতি প্রকাশ পায়। ফটোগ্রাফিদের জন্যএই জায়গাটি সেরা স্থান।
বিশাল উঠান ও পুকুর
বিরুলিয়া জমিদার বাড়ির কেন্দ্রে খোলা জায়গা, যাকে বিশাল উঠান হিসেবে ব্যবহার করা হয়। এ যেখানে সামাজিক অনুষ্ঠান পালিত হয়। বর্তমানেও জায়গাটি শান্ত ওপ্রশস্তময় স্মৃতিচিহ্নের দেখা মেলে, এখানে দর্শনার্থীরা সময় কাটানোর এসে থাকেন। দুপুরের ক্লান্তময় দিনে অনেক পর্যটক এখানে রেস্ট নেয়ার জন্য এসে থাকে। উন্মুক্ত উঠানের সামনে বিশাল পুকুরটিতে অনেক দর্শনার্থী গোসল করে, ক্লান্তি দূর করে থাকে।
আরো দেখুনঃপুরান ঢাকার লালকুঠি ফিরে পাচ্ছে পুরনো জৌলুস
প্রাকৃতিক পরিবেশ
বিরুলিয়া জমিদার বাড়ির পরিবেশ যেন দর্শনার্থীদের প্রবেশের জন্য আহ্বান জানায়। এখানে বিশাল গাছপালার আলো ছায়ার খেলা সেইসঙ্গে খোলা সবুজ ঘাসের মাঠ, গ্রামের নিরিবিলি চারিপাশের পরিবেশ। যা শহরের কোলাহল থেকে মুক্ত। শান্ত স্নিগ্ধ পাখির ডাক নিরিবিলি এই স্থানটি দর্শনার্থীদের কাছে বিশেষ জায়গা করেছে।
ফটোগ্রাফির সেরা স্থান
বিরুলিয়া জমিদার বাড়ি প্রি ওয়েডিং, ট্রাভেলার ব্লগ, শর্ট ভিডিওর জন্য, জনপ্রিয় স্থান। আলো ছায়া খোলা, দারুন এই পরিবেশ প্রতিটি দর্শনার্থীদের কাছে চমৎকার ও রহস্যময়।
ইতিহাসের অনুভূতি
বিরুলিয়া জমিদার বাড়িটি জমিদারি আমলের জীবনযাত্রার ছাপ দেখতে পাওয়া যায়। এবং পুরনো সময়ের রহস্যময় ও উদ্দীপ্ত আলোকিত নিখুত কারু কার্যের উপমা ফুটে উঠে।
কিভাবে যাবেন
ঢাকা থেকে যাওয়ার উপায়
বিরুলিয়া জমিদার বাড়ি ঢাকার কাছে হওয়ায় যাওয়া খুব সহজ। নিচে সবচেয়ে সহজ ও জনপ্রিয় রুট গুলো তুলে ধরলাম
মিরপুর ১০ হয়ে
মিরপুর ১০ এ আলিফ মহনা বাস চলাচল করে, এই বাসে উঠুন। বিরুলিয়া ব্রিজ নেমে পড়ুন। এখান থেকে অটো রিস্কা বা অটো নিয়ে অথবা হেঁটে পৌঁছে জমিদার বাড়ি পৌঁছে যান। জমিদার বাড়িপৌঁছানোর এই রুট একদম সহজ উপায়।
গাবতলী হয়ে
গাবতলী বাস স্ট্যান্ড থেকে সাভারগামী বাসে উঠুন। সাভার ব্রিজ নেমে পড়ুন। এরপর অটো রিস্কা নিয়ে বিরুলিয়া গ্রাম পৌছান। এখানে বিরুলিয়া জমিদার বাড়ি পাবেন।
সাভার হয়ে
সাভার বাস স্ট্যান্ড আন্ধা মার্কেট এর কাছে যাও, সেখান থেকে লেগুনা অটো নিয়ে সরাসরি বিরুলিয়া ব্রিজ পৌঁছান। তারপর জমিদার বাড়ি মাত্র ৬ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।
সংক্ষিপ্ত রুট
ঢাকা-গাবতলী-আমেনা বাজার-সাভার-বিরুলিয়া গ্রাম।
অন্যভাবে ঢাকা-নবীনগর বাইপাস-সাভার-বিরুলিয়া গ্রাম।
ক্লিক করুনঃ লালবাগ কেল্লা ঐতিহাসিক নিদর্শন ঢাকাযাওয়ার উপায় সম্পর্কে জানুন
জনপ্রতি ভাড়াঃ ঢাকা থেকে বিরুলিয়া ব্রিজ বাস ভাড়া ৩০ - ৬০ টাকা। বিরুলিয়া ব্রিজ থেকে জমিদার বাড়ি ২০ - ৫০ টাকা। সর্বমোট যাওয়া-আসা খরচ ১০০ - ২০০ টাকা ।
নিজস্ব বাইকে দুই থেকে তিনজন গেলে খরচ কমে যাবে।
ঢাকা থেকে ২০০ টাকার মধ্যে বিরুলিয়া জমিদার বাড়ি একদিনে যাওয়া আসা সম্ভব।
কোথায় থাকবেন
বিরুলিয়া জমিদার বাড়ি ভ্রমণে ঢাকার সাভার এলাকায় সবচেয়ে ভালো। এখানে কিছু বাজেটের মধ্যেও হোটেল পাবেন। সুবিধাও পাবেন।
বাজেটের মধ্যে হোটেল ৫০০- ১৫০০ টাকা প্রতি রাত। এখান থেকে জমিদার বাড়ি যাওয়া ২০-৩০ মিনিটের ব্যাপার।
গাবতলী অথবা মিরপুর
মিরপুর ১০ এলাকা থেকে যাতায়াত একেবারে সহজ। সুবিধা পাবেন, ঢাকার ভিতরে থাকা বাসস্ট্যান্ডে অটো বাস সহজে পাওয়া যায়। ব্রম্ভারা ৮০০- ২০০০ টাকার মধ্যে হবে। ঢাকার মধ্যে অনেক ভালো হোটেল আছে যেমন হোটেল এফ্রড ইন ২০০০+ ভাড়া হোটেলে ৭১ এখানেও ২০০০ + ভাড়া।
কোথায় খাবেন
বিরুলিয়া জমিদার বাড়ি ঘুরতে গেলে খাওয়ার জন্য খুব দূরে যেতে হবে না। হোটেলের মধ্যে পাবেন
হোটেলের নাম
হৃদয় ওয়ে ক্যাফেঃ বিরুলিয়া জনপ্রিয় ক্যাফে, এখানে খাবারের মধ্যে পাবেন
বার্গার ,পাস্তা, কফি সাজান গোছানো যা ফটো তোলার জন্য ভালো। ফ্যামিলি কেবল সহ ফ্রেন্ড নিয়ে এখানে খেতে পারেন। প্রতিবেলা খাবার ৪০০ - ৬০০ টাকা বাজেটে ধরুন।
বিরুলিয়া ব্রিজ ফুডকোটঃ ফাস্টফুড রেস্টুরেন্ট ২০০ - ৪০০ টাকা বাজেটে ধরুন। এক জায়গায় অনেক দোকান পাবেন।
এখানে থাকছে
- ভাত
- ভর্তা
- ভাজি
- মাছ
- মাংস
- ফাস্টফুট জাতীয় সমস্ত খাবার।
মায়ের দোয়া হোটেলঃ লোকাল দেশিও খাবার সহজ ও স্বাস্থ্য সম্মত খাবার কম দামে পাওয়া যায়।
সঙ্গে যা নিবেন
- মোবাইল চার্জার + পাওয়ার ব্যাংক
- কিছু ক্যাশ টাকা
- জাতীয় পরিচয়পত্র ফটোকপি অথবা স্টুডেন্ট আইডি
- হালকা আরামদায়ক পোশাক
- আরামদায়ক জুতা
- সানগ্লাস
- ক্যাপ
- নিরাপদ পানির বোতল
- শুকনো খাবার
- উন্নত মানের ক্যামেরা
- সেলফি স্টিক জমিদার বাড়ির ভিনটেজ লুক ছবির জন্য পারফেক্ট।
- মশা নিরোধক স্প্রে
- রেনকোট বা ছাতা
- ব্রাশ পেস্ট। ইত্যাদি
সতর্কতা অবলম্বন
বিরুলিয়া জমিদার বাড়ি ভ্রমণে কিছু গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন। আসুন নিচে জেনে নেওয়া যাক কি কি সতর্কতা অবলম্বন করা দরকার।
- ভাঙ্গা ভবনে সাবধানে চলাফেরা করবেন
- ভাঙ্গা সিঁড়িতে ওঠা ঝুঁকিপূর্ণ
- নিরিবিলি জায়গায় সতর্ক থাকুন
- ঝোপঝাড় নির্জন জায়গায় সাপ পোকামাকড় থাকতে পারে
- এসব জায়গায় একা না যাওয়াই ভালো
- তবে বন্ধু বা গ্রুপ মিলে গেলে ভালো হয়
- সন্ধ্যার আগে বের হয়ে যাওয়া ভালো
- মূল্যবান জিনিসপত্র নজরে রাখুন
- আবহাওয়ার খবর সব সময়ের জন্য রাখুন
- যেখানে সেখানে ময়লা ফেলবেন না
- পরিবেশ পরিষ্কার রাখুন
আরো জানুনঃ দ্যা রেজ হাউস ঢাকা ধানমন্ডি পয়সা খরচে ভাঙচুর করুন।
আশেপাশে দর্শনীয় স্থান
বিরুলিয়া জমিদার বাড়ির আশেপাশে দর্শনীয় স্থানের কিছু তথ্য তুলে ধরা হলো
জমিদার বাড়ির মূল ভবনঃ পুরনো ঐতিহাসিক স্থাপনা, ভাঙ্গা দেয়াল ও ভিনন্টেজ ডিজাইন। যা ফটোগ্রাফের জন্য সেরা স্পট।
তুরাগ নদীর পাড়ঃ জমিদার বাড়ির একদম কাছে অবস্থিত। এখান থেকে সূর্যোদয় এবং সূর্যাস্ত সুন্দরভাবে উপভোগ করা যায়। নৌকা ভ্রমণের আলাদা সুযোগ পাবেন।
গ্রাম্য প্রাকৃতিক পরিবেশঃ সবুজ মাঠ ঘাট গাছপালা, নিরিবিলি পরিবেশ সাইকেল চালানোর জন্য পারফেক্ট রাস্তা।
বিরুলিয়া ব্রিজঃ নদীর উপরে সুন্দর ব্রিজ, ছবি তোলার জন্য খুবই ভালো জায়গা। বিকেলের ভিউ অসাধারন।
আমাদের শেষ কথা
প্রিয় পাঠক, আজকের আর্টিকেলে বিরুলিয়া জমিদার বাড়ি সাভার ঢাকা ভ্রমণ গাইড যাতায়াত খরচ ও দর্শনীয় স্থান বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরলাম। আশা করছি বুঝতে পেরেছেন। এরপরও যদি আপনাদের কাছে কোন প্রশ্ন থেকে থাকে তাহলে আমাদেরকে কমেন্ট বক্সে জানাবেন আমরা আপনার প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিয়ে উপকৃত হব।
আর হ্যাঁ, আজকের বিরুলিয়া জমিদার বাড়ি আর্টিকেলটি যদি আপনাদের কাছে পছন্দ হয়। তাহলে আপনাদের আত্মীয় স্বজনের নিকট শেয়ার করে দিবেন। আমাদের ওয়েবসাইটটি ফলো দিয়ে রাখবেন। কারণ আমরা প্রতিদিন এই ওয়েবসাইটে নতুন আর্টিকেল প্রকাশ করে থাকি। এতক্ষণ আমাদের সঙ্গে থাকার জন্য আপনাদের অসংখ্য ধন্যবাদ। আপনাদের সুস্বাস্থ্য কামনা করে আজকের মত এই পর্যন্ত শেষ করছি। আল্লাহ হাফেজ।

.webp)
.webp)
আপনি সফল ব্লগে নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url