চর হেয়ার (হেয়ার আইল্যান্ড) রাঙ্গাবালী ভ্রমণ গাইড ও খরচ
আর্টিকেলে ঢাকা থেকে চর হেয়ার (হেয়ার আইল্যান্ড) রাঙ্গাবালী যাবার সম্পূর্ণ গাইড: সহজ যাতায়াত, খরচ, এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এক নজরে জানুন।
চর হেয়ার পর্যটকদের কাছে হেয়ার আইল্যান্ড নামে পরিচিত।বাংলাদেশের পটুয়াখালী জেলার রাঙ্গাবালী উপজেলার,বঙ্গোপসাগরের তীরে জেগে ওঠা।একটি প্রাকৃতিক চর দ্বীপ।
পেজ সূচিপত্রঃ চর হেয়ার (হেয়ার আইল্যান্ড) রাঙ্গাবালী ভ্রমণ গাইড ও খরচ ও তথ্য জানুন।
- চর হেয়ার রাঙ্গাবালী
- চর হেয়ারের মূল আকর্ষণ
- চর হেয়ারে যাওয়ার সেরা সময়
- চর হেয়ারে কিভাবে যাবেন
- চর হেয়ারে কোথায় থাকবেন
- চর হেয়ারে কোথায় খাবেন
- আশেপাশের দর্শনীয় স্থান
- উপসংহার
চর হেয়ার রাঙ্গাবালী
চর হেয়ার (CHAR HAIR) নতুন পর্যটন কেন্দ্র।চর হেয়ার নিরিবিলি অপূর্ব সুন্দর একটি দ্বীপ।যাকে স্থানীয়রা কলাগাছির চর বলে ডেকে থাকে।বিস্তৃত বালুকাময় দীপাঞ্চলে সৈকতের গর্জন ঝাউবনে মৃদু বাতাসের খেলা।খোলা নীল আকাশের নিচে শান্ত স্নিগ্ধ পরিবেশ। সব মিলিয়ে চর হেয়ার পর্যটকদের কাছে (হেয়ার আইল্যান্ড) স্বর্গদ্বীপ।
চর হেয়ার বাংলাদেশের দক্ষিণ অঞ্চলীয় একটি পর্যটন কেন্দ্র ।নৌকা ভ্রমণের মাধ্যমে
যেতে হয়।জোয়ার ভাটার প্রভাবে এর আয়তন ও ভৌগোলিক রেখা পরিবর্তন হয়।চর হেয়ার
রাঙ্গাবালীর প্রকৃতিক বৈচিত্রবৈচিত্র ও শান্ত পরিবেশ , পর্যটকদের ভিন্ন অভিজ্ঞতা
উপহার দেয়।
চর হেয়ারের নামকরণ
- চর হেয়ার রাঙ্গাবালী কে বিভিন্ন নামে সময় সাপেক্ষে দেখে থাকে
- চর হেয়ার স্থানীয়দের কাছে বহুল পরিচিতি নাম
- হেয়ার আইল্যান্ড যা আন্তর্জাতিক পর্যটকদের কাছে পরিচিতি নাম
- রাঙ্গাবালী চর জিওগ্রাফিক্যাল বা প্রশাসনিক দিক থেকে বিশেষভাবে পরিস্থিতি লাভ করেছে
- চর হেয়ার রাঙ্গাবালী বর্তমান জনপ্রিয় ডিজিটাল মিডিয়ার প্রচলিত নাম
চর হেয়ারের মূল আকর্ষণ
চর হেয়ার রাঙ্গাবালী মূল আকর্ষণ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ,নির্জনতা ও শান্তি ময়
পরিবেশ , বন্যপ্রাণীর আনাগোনা ,সম্ভাবনাময় পর্যটন কেন্দ্র। যার অবস্থান
রাঙ্গাবালী উপজেলার চর মন্তাজ ইউনিয়নের কাছে। নিচে মুল আকর্ষণের বিস্তারিত
বর্ণনা দেয়া হলো।
বালুকাময় সমুদ্রসৈকত
চর হেয়ার রাঙ্গাবালী বিস্তৃত নরম বালুকাময় সমুদ্র সৈকত। যা পর্যটকদের কাছে একটি জনপ্রিয় আকর্ষণীয় স্থান। নরম বালুর শীতল ছোঁয়া অনুভব করুন । দূরে সমুদ্রের প্রবাহমান জলরাশি , সবুজ প্রকৃতি এবং খোলা নীল আকাশ আর নদীর মোহনা মনোমুগ্ধকর দৃশ্য সৃষ্টি করে।সেইসাথে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের মনোরম দৃশ্য।এখানে আসলে সত্যিই যেন এক, স্বর্গীয় অনুভূতি উপভোগ করা যায়।
আরো পড়ুনঃঢাকা টু পটুয়াখালী লঞ্চ সময়সূচির ও ভাড়া
সবুজ ঝাউবন
বঙ্গোপসাগরের সমুদ্র সৈকতের পাশে,ঘন ঝাউবানের সবুজ পরিবেশ,প্রকৃতিকে আরো শান্ত করে তোলে। ছোট্ট পাখির মিতালী সুর,এবং বিভিন্ন বন্যপ্রাণীর আনাগোনা,সবুজের সঙ্গে সমুদ্রের নীরব মেলবন্ধন। পর্যটকদের মনকে প্রশান্তি দিয়ে থাকে।
প্রাকৃতিক জলরাশি ও নৌপথ
অবিরত বয়ে চলা নীল জলরাশি রাঙ্গাবালী মূল আকর্ষণ।জোয়ার ভাটার সময় নদী ও প্রাকৃতিক জলরাশি পর্যটকদের মুগ্ধ করে। তাছাড়া চর হেয়ারে যাতায়াতের মূল রাস্তা নৌপথ।নৌযাত্রা একটি আরামদায়ক ও অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ভ্রমণ। এটি দর্শনার্থীদের জন্য শান্তি এবং রোমাঞ্চ উভয়ই উপহার দেয়।
নিরিবিলি পরিবেশ
শহর থেকে একেবারে দূরে চর হেয়ার রাঙ্গাবালী একটি সম্পূর্ণ নিরিবিলি নতুন
পর্যটনকেন্দ্র। এখানে আসলে প্রকৃতির সঙ্গে সময় কাটাতে পারবেন। সেই সাথে প্রকৃতির
সৌন্দর্য ফটোগ্রাফির জন্য, এক আদর্শ স্থান হবে।
চর হেয়ারে যাওয়ার সেরা সময়
চর হেয়ার রাঙ্গাবালী ভ্রমণের জন্য সেরা সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।"নভেম্বর থেকে মার্চ মাস" অর্থাৎ শীতকাল এ সময় আবহাওয়া মনোরম থাকে।ঝড় বা অতিরিক্ত পানির চাপ থাকে না।নৌপথে যাতায়াত নিরাপদ ও আরামদায়ক হয়।পরিবেশ শান্ত থাকে। অন্য সময় গেলে ,নৌপথে যাতায়াত ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।
সকালের সূর্যোদয় এর চারটি প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে বেশ ফুটে ওঠে।শান্ত পরিবেশ সবুজ
বনায়ন মনোরম অভিজ্ঞতা এনে দেয়। আপনি যদি চান, প্রাকৃতিক পরিবেশ উপভোগ করতে
পারবেন । তাহলে সকালে যেতে হবে।
আপনার যদি লক্ষ্য থাকে , সূর্যাস্তের স্বর্ণালী দৃশ্য উপভোগ করব।সে সঙ্গে
আরামদায়ক নৌকা ভ্রমণ করব। তাহলে বিকেলের যাত্রা ভালো হবে।
চর হেয়ারে কীভাবে যাবেন
সাগরকন্যা বরিশাল বিভাগের দর্শনীয় পর্যটন স্পট চর হেয়ার।যা সাগরের কিনারায় জেগে ওঠা একটি দ্বীপ। ঢাকা থেকে চর রাঙ্গাবালী যাওয়ার ধাপ উল্লেখ করা হলো। চলুন জেনে যাওয়া যাক।
ঢাকা থেকে পটুয়াখালী
ঢাকা থেকে চর হেয়ার যেতে হলে প্রথমে পটুয়াখালী যেতে হবে। এই রুটে দুভাবে যাওয়া যায় বাসযোগে ও ট্রেন যোগে
বাসযোগে
ঢাকা থেকে সরাসরি পটুয়াখালী যাওয়া যায়। চলাচলকারী বাসগুলো হলো:
- হানিফ এন্টারপ্রাইজ
- গ্রীনলাইন পরিবহন
- সোহাগ পরিবহন
- এস আলম পরিবহন
এই বাসগুলো নিয়মিতভাবে ঢাকা সায়দাবাদ কল্যাণপুর মহাখালী থেকে পটুয়াখালীর
উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়।
বাসের ভাড়া
এসি বাসের ভাড়া ১২০০ - ১৫০০ টাকা
এবং নন এসি বাসের ভাড়া ৮০০ - ১০০০ টাকা
ঢাকা সায়দাবাদ থেকে হানিফ গ্রীন লাইন সোহাগ পরিবহন
এবং কল্যাণপুর মহাখালী থেকে এস আলম পরিবহন ট্রান্সটু বাংলাদেশ
ঢাকা থেকে পটুয়াখালী দূরত্ব ৩৬০ থেকে ৪০০ কিলোমিটার
ঢাকা থেকে পটুয়াখালী যেতে সময় লাগে ৮ থেকে ১০ ঘন্টা
আপনি যদি রাতে বাসে যেতে চান তাহলে সকালে গিয়ে পৌছাবেন
যোগাযোগ করুন: সায়দাবাদ ফোন নাম্বার 01711-000000 01819-000000
মহাখালী ফোন নাম্বার:01911-000000
পটুয়াখালী থেকে চর হেয়ারে নৌপথে যাত্রা
চর হেয়ারে নিয়মিত পটুয়াখালী নৌযান চলাচল করে থাকে। এই ঘাটে ট্রলার ও স্পিডবোট
ভাড়া পাওয়া যায়
ট্রলারে পটুয়াখালী থেকে চর হেয়ার ২০ থেকে ৩০ জনের নিরাপদে যাত্রা করা যায়।
পটুয়াখালী থেকে যেতে ৩০ থেকে ৪৫ মিনিট সময় লাগে
ভাড়া ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা জনপ্রতি
স্পিডবোটে ১০–১৫ জনের দ্রুত গতিতে পৌঁছানো যায়
স্পিডবোটে ২০ থেকে ৩০ মিনিট সময় লাগে
ভাড়া ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা জনপ্রতি
তবে ভাড়ার পরিবর্তন হতে পারে জোয়ার ভাটার কারণে
নৌ চলাচলের সময়সূচী সকাল ৭টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত
সরাসরি ঢাকা সদরঘাট থেকে , রাত পৌনে নয়টায় তিনটা লঞ্চ চর মন্তাজের উদ্দেশ্যে
ছেড়ে যায়। যারা আরামদায়কভাবে সরাসরি যেতে চান। তাদের জন্য এই রুট
সেরা হবে । সকালে চর মন্তাজের নেমে । সেখান থেকে স্পিডবোর্ড , কিংবা ইঞ্জিন চালিত
যেকোন ট্রলারে , পৌঁছাতে পারবেন চর হেয়ারে।
আরো জানুনঃঅপূর্ব সৌন্দর্যে ভরা তারুয়া সমুদ্র সৈকত ভোলাগঞ্জ যাওয়ার উপায় সম্পর্কে জানুন
ঢাকা থেকে চর মন্তাজের ভাড়া
- সোফা ৫০০ - ৬০০ টাকা
- কেবিন ৮৫০ - ১০০০ টাকা
- ডাবল কেবিন ১২০০–১৮০০ টাকা
- ফ্যামিলি কেবিন ১৭০০ - ২৫০০ টাকা
- ভি আই পি কেবিন ২৬০০ - ৫০০০ টাকা
চর হেয়ারে কোথায় থাকবেন
চর হেয়ার (হেয়ার আইল্যান্ড) যা প্রাকৃতিকভাবে তৈরি এখানে কোন স্থায়ী
হোটেল ও রিসোর্ট নেই এজন্য আশেপাশের রাত্রি যাপন করতে হবে
চর হেয়ার শুধুমাত্র প্রকৃতিপ্রেমীদের জন্য । কারণ থাকার কোন রিসোর্ট বা হোটেল অথবা কটেজ নেই। তাই তাবুতে থাকতে পারেন। তবে ভাড়া ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা নিবে । আর আপনি চাইলে নিকটবর্তী হোমেস্টে পারবেন। জনপ্রতি ২০০ থেকে ৩০০ টাকা ভাড়া নিবে। আবার এক রুম কন্ট্রাক্ট নিলে, চারজন থাকা যায় ।এক হাজার টাকা ভাড়া নেবে।
রাঙ্গাবালী সদর
এছাড়া আপনি রাঙ্গাবালী সদরে থাকতে পারেন । এখানে সাধারণ মানুষ হোটেল গেস্ট হাউস পাবেন ।৫০০-১০০০টাকা রুম ভাড়া নিবে।
পটুয়াখালী শহর
আপনি যদি চান তাহলে পটুয়াখালী শহরে থাকতে পারেন। এখানে ভালো মানের আবাসিক হোটেল
আছে। পরিবার-পরিজন নিয়ে থাকার উপযোগী। পরিষ্কার নিরাপদ পরিবেশ পাবেন।
রুম ভাড়া ১২০০-৩০০০ টাকা
যারা পরিবার নিয়ে যাবেন। তারা পটুয়াখালী শহরে থাকায় সবচেয়ে ভালো হবে।
চর হেয়ারে কোথায় খাবেন
চর হেয়ারে ঘুরতে গেলে খাবার বা রেস্টুরেন্ট পাবেন না। এজন্য খাবারের অগ্রিম
পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে।
রাঙ্গাবালী উপজেলা
তাই আপনি চাইলে রাঙ্গাবালী উপজেলায় দুপুরের খাবার খেতে পারেন। এখানে দুপুরের
খাবারের জন্য সাধারণ মানুষ হোটেল পাওয়া যায়।
এ হোটেলে যা থাকছে
ভাত , ডাল , সবজি , মাছ , ডিম , মুরগি
খাবার খরচ একবেলা জনপ্রতি ১২০ থেকে ২৫০ টাকা পর্যন্ত বাজেটে রাখতে হবে।
পটুয়াখালী শহর
এছাড়াও আপনি চাইলে পটুয়াখালী শহরে খেতে পারেন । এ জায়গায় বিভিন্ন মনের
রেস্টুরেন্ট আছে । পরিবেশবান্ধব খাবার পাবেন ।
একবেলা জনপ্রতি খাবারের খরচ আসবে ২০০ - ৪০০ টাকা
স্পেশাল আইটেমের জন্য থাকছে ৩০০ - ৬০০ টাকা
আপনি চাইলে স্থানীয় খাবারও খেতে পারেন। হোমস্টেতে খাবারের জন্য আগে থেকে অর্ডার দিতে হবে।
ভাত, ডিম, ডাল, খিচুড়ি, সামুদ্রিক মাছ, হাঁস, মুরগি ইত্যাদি।
আরো দেখুনঃকুয়াকাটা সাগর সৈকত গ্রামীণ সৌন্দর্য হোক পর্যটনের প্রাণকেন্দ্র
ভ্রমণে সঙ্গে যা নিবেন
চর হেয়ার ভ্রমণে ,অবশ্যই প্রয়োজনীয় জিনিস সঙ্গে নিতে হবে। কারণ এই জায়গাটি
নির্জন । চলুন কি কি জিনিস নেওয়া নেওয়া যায়। জেনে নেওয়া যাক।
- পানির বোতল
- শুকনো খাবার হালকা নাস্তা
- এনআইডি কার্ডের ফটোকপি
- নগদ টাকা
- মোবাইলে ফুল চার্জ
- আনন্দ পোশাক
- সানগ্লাস ও টুপি
- আরামদায়ক জুতা
- প্রয়োজনীয় ওষুধপত্র
- সানস্ক্রিন ক্রিম
- ক্যামেরা
- টর্চ লাইট
- পলিথিন বা ওয়াটার প্রুফ ব্যাগ।
নিরাপত্তা ও সতর্কতা অবলম্বন
- নৌযানে ওঠার সময় লাইভ জ্যাকেট ব্যবহার করবেন।
- আবহাওয়ার সঙ্গে যোগাযোগ রেখে রওনা দিবেন।
- শিশু এবং বয়স্কদের পাশে বসবেন।
- দলবেঁধে ভ্রমণ করবেন ।
- “অতিরিক্ত মানুষ নৌযানে উঠবেন না”
- মূল্যবান জিনিসপত্র নিরাপদে রাখুন।
- সন্ধ্যার পর চর এলাকায় অবস্থান না করাই ভালো।
চর হেয়ার রাঙ্গাবালী একদিনের মোট খরচ
ঢাকা থেকে পটুয়াখালী যাতায়াত নন এসি ৮০০- ১০০০ টাকা ও এসি ১২০০ থেকে ১৫০০
টাকা।
গড় ধরা হল ৯০০ -১২০০ টাকা।
পটুয়াখালী থেকে রাঙ্গাবালী চর ট্রলারে ৩০০-৫০০ টাকা এবং স্পিডবোটে ৫০০ থেকে ৭০০
টাকা।
গড় ধরা হলো ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা।
সকাল দুপুর রাতের খাবার।
গড় ধরা হলো ২০০ - ৪০০ টাকা।
অন্যান্য খরচ গড় ১০০- ২০০ টাকা।
মোট জন প্রতি খরচ হলো ১৬০০ - ২৪০০ টাকা।
মাঝারি খরচ প্রতি জন হবে ১৮০০–২২০০ টাকা।
প্রশ্নোত্তর পর্ব
- প্রশ্নঃ চর হেয়ারে কি বিদ্যুতের সুবিধা আছে?
- উত্তরঃ না, এখনো বিদ্যুতের ব্যবস্থা করা হয়নি।
- প্রশ্নঃ চর হেয়ারে নিরাপত্তার জন্য পুলিশ বাহিনী আছে কি?
- উত্তরঃস্থানীয় পর্যটন পুলিশ নেই তবে কোস্ট গার্ডের ও প্রশাসনের নজরদারি আছে।
- প্রশ্নঃএখানে রাত কাটানো কতটা নিরাপদ।
- উত্তরঃদিনের আলোতে ভ্রমণ শেষ করে ফিরে আসা নিরাপদ।
- প্রশ্নঃচর হেয়ারে গাইড নেওয়া কি দরকার।
- উত্তরঃঅবশ্যক না তবে প্রথমবার গেলে স্থানীয় গাইড বা নৌকা মাঝির সাহায্য নিলে ভ্রমণ নিরাপদ হবে।
- প্রশ্নঃথাকা এবং খাওয়ার জন্য সেরা স্থান কোন জায়গা।
- উত্তরঃপটুয়াখালী শহর ও রাঙ্গাবালী বাজার।
আশেপাশের দর্শনীয় স্থান
চর হেয়ারের আশেপাশে দর্শনীয় স্থান ভ্রমণে স্মরণীয়।চলুন নিচে কি কি
দর্শনীয় স্থান আছে।জেনে নেওয়া যাক
রাঙ্গাবালী সমুদ্র সৈকতঃ বিশাল বালুকাময় চর ঝাউবান অশান্ত পরিবেশ উপভোগ করা
যায়।সকাল আটটা থেকে দশটার মধ্যে পৌঁছাতে হবে।
চর মন্তাজ ঘাটঃ নৌপথের প্রবেশদ্বার নদিয়া উপকূলীয় জীবন উপভোগ করা যায়।
পটুয়াখালী শহরের সৈকতঃ শহরের কাছে হওয়ায়,খুব সহজে এ সমুদ্র সৈকত দেখা যায়।
স্থানীয় গ্রাম ও জেলেদের জীবনঃ নৌকা ও মাছ ধরার দৃশ্য স্থানীয় সাংস্কৃতিক জীবনধারা।ভ্রমণের সঙ্গে শিক্ষনীয় অভিজ্ঞতা যোগ করে।
ক্লিক করুনঃলালদিয়া সমুদ্র সৈকত বরগুনা ভ্রমণ গাইড এবং খরচ সম্পর্কে জানুন
উপসংহার
চর হেয়ার রাঙ্গাবালী বাংলাদেশের একটি প্রাকৃতির শান্ত চরাঞ্চল পর্যটন কেন্দ্র।
যা প্রকৃতিপ্রেমীদের জন্য আদর্শ স্থান। যা অদ্বিতীয় সত্যি মনে রাখার মত। সঠিক
পরিকল্পনা নিরাপত্তা ও প্রস্তুতি নিয়ে ভ্রমণ করলে, অভিজ্ঞতা সম্পন্ন পর্যটন
কেন্দ্রটি, সম্পূর্ণ উপভোগ করতে পারবেন।
আর্টিকেলটি যদি আপনাদের কাছে ভালো লেগে থাকে। তাহলে বেশি করে শেয়ার করে দিবেন। আমাদের ওয়েবসাইটটি ফলো দিয়ে রাখবেন।কারণ আমরা এই ওয়েবসাইটে প্রতিদিনই সুন্দর ও ভালো মানের, নতুন আর্টিকেল প্রকাশ করে থাকি। এতক্ষণ আমাদের সঙ্গে থাকার জন্য, আপনাদের অসংখ্য ধন্যবাদ। আজকের মত এখানে শেষ করছি। আল্লাহ হাফেজ।

.webp)
.webp)
আপনি সফল ব্লগে নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url