গ্রীনভ্যালি পার্ক লালপুর নাটোর যাতায়াত ও খরচ
প্রিয় পাঠক, এই আর্টিকেলে গ্রিন ভ্যালি পার্ক লালপুর নাটোর ভ্রমণ গাইড নিরাপদ যাতায়াত, ও স্বল্প খরচে ভ্রমণ, দেখার স্থান সম্পর্কে সঠিক টিপস, এক নজরে জানুন।
গ্রীন ভ্যালি পার্ক লালপুর নাটোর দৃষ্টিনন্দনীয় বিনোদন পার্ক। এটি একটি কৃত্রিমভাবে তৈরি করা পার্ক। এই পার্কে সবুজের গালিচা বিছানো ইকো পার্ক। যা রাজশাহীর নাটোর জেলা লালপুর ইউনিয়নে অবস্থিত।
পেজ সূচিপত্রঃ গ্রীন ভ্যালি পার্ক: লালপুর নাটোর ভ্রমণ গাইড যাতায়াত ও খরচ সম্পর্কে জানতে পড়ুন।
- গ্রীন ভ্যালি পার্ক লালপুর নাটোর
- গ্রীন ভ্যালি পার্কে যা দেখবেন
- যাওয়ার সেরা সময়
- নাটোর গ্রিন ভ্যালিতে প্রবেশ ফি
- গ্রীন ভ্যালিতে যাওয়ার উপায়
- লালপুর নাটোর কোথায় থাকবেন
- গ্রীন ভ্যালি পার্ক ভ্রমণে কোথায় খাবেন
- ভ্রমণে সঙ্গে যা নিবেন
- নিরাপত্তা ও সতর্কতা
- সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর পর্ব
- আমাদের শেষ কথা
গ্রীন ভ্যালি পার্ক লালপুর নাটোর
গ্রীন ভ্যালি পার্ক (Green vallel park) লালপুর নাটোরের বিস্তৃত প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ঘেরা এই বিনোদন কেন্দ্র। প্রাকৃতিক মনোরম পরিবেশে ১২৩ বিঘা বা ৩০ একর জায়গা জুড়ে এ পার্কের সৌন্দর্য বেষ্টিত। সবুজ কৃত্রিম ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য গড়ে ওঠা এই পার্কে আছে লেক ও জলাভূমি। এর সাথে বিভিন্ন রাইট আছে, যা ছোট বড় সকলের জন্য জনপ্রিয় ও মনোরঞ্জন বিনোদন সামগ্রী। নান্দনিক সৌন্দর্য ও খোলা প্রকৃতির মধ্যে পথ চলা। যা মনের গহীনে সৌন্দর্যের সাড়া যোগায়। গ্রিন ভ্যালি পার্ক বিভিন্ন রকমের সুবিধা সহ আরামদায়ক সময় কাটানোর সেরা স্থান। এখানে সিজনালি প্রচুর পর্যটকদের ভিড় জমে।
গ্রীন ভ্যালি পার্ক লালপুর উপজেলা সদর থেকে মাত্র দুই কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। ঢাকা থেকে সহজে নাটোর লালপুর গ্রিন ভ্যালি পার্কে পৌঁছানো যায়। তার জন্য দুটি রুট পদ্ধতি অবলম্বন করতে পারেন একটি হচ্ছে বাস অন্যটি ট্রেন।
গ্রিন ভ্যালি পার্কে যা দেখবেন
নাটোর গ্রিন ভ্যালি পার্ক লালপুর যা বাংলাদেশের একটি অন্যতম নতুন পর্যটন কেন্দ্রের সূচনা। এ পার্কে যে সমস্ত বিনোদন কেন্দ্রগুলো রয়েছেন তা সত্যি ভিন্ন রকমের আনন্দ দেয়। এ পার্কের সৌন্দর্যগুলো স্পষ্টভাবে বর্ণনা করে দিলাম ।আসুন জেনে নেওয়া যাক
প্রাকৃতিক সবুজ পরিবেশের দৃশ্য
গ্রীন ভ্যালি পার্ক নাটোরের সবুজ প্রাকৃতিক মনোরম ও নান্দনিক পরিবেশে তৈরি এই বিনোদন কেন্দ্র। যার সৌন্দর্য বিশাল খোলা নীল আকাশ নিচে ছোট বড় সবুজ গাছপালা। এখানে আছে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নির্মল স্নিগ্ধ বাতাস বিভিন্ন রাইডের সৌন্দর্য ভরা এ পার্ক। যে কোন প্রকৃতি প্রেমে পর্যটকদের কাছে সেরা গন্তব্য।
লেক ও জলাভূমি
গ্রীন ভ্যালি পার্ক লেকে সৌন্দর্য এতটাই রোমাঞ্চকর যেকোনো দর্শনার্থীদের কাছে খুবই জনপ্রিয়। স্বচ্ছ পানির এই লেকটি উপরে বসে প্রকৃতিক ছবি তোলা ও আরামদায়ক অনুভূতি পাওয়া যায়। এ পার্কের মুগ্ধ পয়েন্ট প্রতিটি সেরা আকর্ষণ তৈরি করেছে। এ বিশাল পার্কের সুন্দর্য দ্বিগুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছে এই লেক ও পিকনিক স্পটে এই জায়গাটি।
আরো পড়ুনঃ মোমো ইন পার্ক এন্ড রিসোর্ট বগুড়া ভ্রমণ গাইড: টিকিট রাইড রিসোর্ট যাতায়াত ও খরচ
বিনোদনা ও আকর্ষণীয় স্থান
গ্রীন ভ্যালি পার্ক পর্যটকদের মনোরঞ্জনের জন্য তৈরি করা আছে বিভিন্ন রাইড। আসুন এখানে কি কি রাইটগুলো আছে, দেখে নিই
রাইডগুলোর নাম
- মিনি ট্রেন
- বুলেট ট্রেন
- নাগরদোলা
- মরিঙ্গ রাউন্ড
- প্রাইরেট শিপ
- Honey swuing
- স্পিড বোর্ড
এছাড়াও ওয়েভপুল যা বড়দের জন্য মজার বিনোদন অভিজ্ঞতা
নান্দনিক সৌন্দর্য
গ্রীন ভ্যালি পার্ক নতুন সেতু ভাস্কর্য ড্রাগন পথ ও থিমেটিক এলাকা। যেসব দর্শনার্থী ছবি তুলতে পছন্দ করেন, তাদের জন্য সেরা ব্যাকড্রাপ। বর্তমানে এ পার্কের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও নতুন ভাস্কর্য দেখে পর্যটকগণ মুগ্ধ হয়ে প্রচুর পরিমাণে ভিড় জমিয়েছে। এই সৌন্দর্য সারাদেশ ব্যাপী ব্যাপকভাবে সাড়া ফেলেছে।
প্রকৃতি ও পথ চলা
গ্রীন ভ্যালিতে প্রাকৃতির নিরিবিলির মধ্যে পথ চলা মন ছুঁয়ে যায়। এ পার্কে ঢুকলে চারিদিকের বিস্তৃত সবুজ ঘাসের গালিচা আর রঙিন ফুলের বাগান এ জায়গাটি যেন একটি জীবন্ত ক্যানভাস। হিমেল বাতাসের ছোঁয়া কিচিরমিচির পাখির ডাক এই গগন মুখরিত হয়। রাস্তার পাশে লেকের সৌন্দর্য অসম্ভব ভালো এলাকার সৃষ্টি হয়।
পার্কের ভেতরে প্রবেশে সাথে সাথে সবুজ ঘাসের উপর দিয়ে হেঁটে যাওয়া বসার স্থান। প্রকৃতি যেন বলে একটু ধীরে হাঁটুন । কারণ সবুজের মধ্যে হাঁটলে মন মানসিকতা প্রশান্তি পাওয়াটা নিশ্চিত হয়।
ফটোগ্রাফির সেরা স্থান
গ্রীন ভ্যালি পার্ক লালপুর নাটোর মূলত ছোট্ট টিলা আবার কোথাও খোলা মাঠ ছায়েঘেরা বসার জায়গা সব মিলিয়ে সব ও মন দুটোই আরাম আয়েশে পরিপূর্ণ হয়। বিকেলের রৌদ্র ও সন্ধ্যার নরম আলো পার্কের সৌন্দর্য অনেক গুণ বাড়িয়ে দেয়। এখানে ফটোগ্রাফি করা যেকোনো পর্যটক এর কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।
যাওয়ার সেরা সময়
গ্রীন ভ্যালি পার্ক লালপুর নাটোর ভ্রমণের সেরা সময় অক্টোবর থেকে ফেব্রুয়ারি মাস এ সময় আবহাওয়া থাকে আরামদায়ক ও মনোরম। ছবি তোলার জন্য সেরা সময়। ইউটিউব ব্লগারদের জন্য এই জায়গাটি সৌন্দর্য বাস্তব ভাবে ফুটে উঠে।
দিনের সেরা সময়
প্রবেশের সময় সকাল ৮ টা - দুপুর ১০টা
বিকাল ৪টা - সন্ধ্যা পর্যন্ত
নাটোর গ্রীন ভ্যালিতে প্রবেশ ফি
গ্রিন ভ্যালি লালপুর নাটোর পার্কের মধ্যে প্রবেশ ফি সাধারণভাবে খুবই কম।
জনপ্রতি প্রবেশ ফি প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য ৬০ টাকা।
পার্কের মধ্যে বিভিন্ন রাইডের আলাদাভাবে টিকিট ক্রয় করতে হয়।
পাঁচ বছরের নিচে বাচ্চাদের জন্য প্রবেশ একদম ফ্রি।
গ্রীন ভ্যালিতে যাওয়ার উপায়
নাটোর গ্রিন ভ্যালিতে যাওয়ার জন্য বেশ কয়েকটি সহজ উপায় আছে। আসুন জেনে নেওয়া যাক
বাসে
ঢাকা গাবতলী ও মহাখালী বাসস্ট্যান্ড থেকে সকাল বিকেল বাস পাওয়া যায়।
বাসের নাম
- সুপার সনি ট্রাভেল
- ঈশ্বরদী ট্রাভেল
- শ্যামলী
- এনা
ট্রাভেল বাঘা চারঘাট চলাচল করে এই বাসগুলো অনলাইনে টিকিট ক্রয় করা যায়। আবার আপনি চাইলে কাউন্টার থেকেও ক্রয় করতে পারেন।
বাসের ভাড়া
জনপ্রতি নন এসি বাসের ভাড়া ৭০০ - ৯০০ টাকা
এসি বাসের ভাড়া ৯০০ - ১৪০০ টাকা
ঢাকা থেকে ঈশ্বরদী বাঘা রুট হয়ে গ্রিন ভ্যালি পার্কে পৌঁছানো যায়। বাঘা চারঘাট নামক স্থানে নেমে সেখান থেকে সিএনজি পা অটো রিক্সায় লালপুর এসে পার্কের নাম যেকোনো চালককে জিজ্ঞেস করলে আপনাকে পৌঁছে দেবে।
বাস ছাড়ার সময় সকাল ছয়টা থেকে আটটা পর্যন্ত। এবং সকাল ৯ টা থেকে ৩ টা পর্যন্ত অনেক বাস পাওয়া যায়।
ঢাকা থেকে বাঘা পৌঁছাতে সময় লাগে ৪.৫ ঘন্টা
অটো রিকশা বা ভ্যানে বাঘা থেকে ২০ থেকে ৩০ মিনিটে গ্রীন ভ্যালি পার্কে পৌঁছাতে পারবেন
রাজশাহী থেকে
রাজশাহী থেকে চারঘাট রুটে চলাচলকারী বাসে চড়লে বাঘায় নেমে যেতে হবে। এখান থেকে সিএনজির ব্যবহার নিয়ে লালপুর পর্যন্ত যাওয়া যায়। আর সেখান থেকে যেকোনো ড্রাইভার কে জিজ্ঞেস করলে গ্রীন ভ্যালি পার্কে পৌঁছে দেবে।
জনপ্রতি বাসের ভাড়া নন এসে ২০০ - ৩০০ টাকা
যেতে সময় লাগে ১ ঘন্টা ৩০ মিনিট
নাটোর থেকে
নাটোর টার্মিনাল থেকে বাইপাস রুট হয়ে লালপুর পর্যন্ত যেতে পারবেন। লালপুর নেমে ভ্যান বা রিক্সা চালককে জিজ্ঞেস করলে আপনাকে গ্রীন ভ্যালিতে পৌঁছে দিবে।
ট্রেনে
ঢাকা থেকে রাজশাহী রুটে ট্রেনযোগে আব্দুল্লাপুর স্টেশনে নেমে যেতে হবে। সেখান থেকে সিএনজি ভ্যান রিক্সা পাক পর্যন্ত পৌঁছে দেবে।
ঢাকা থেকে রাজশাহী রোড ছেড়ে আসা ট্রেনের নাম গুলো নেওয়া যাক
ট্রেনের নাম
ঢাকা টু রাজশাহী ট্রেনের সময়সূচী
| ক্রমিক নাম্বার | ট্রেনের নাম | ছাড়ার সময় | পৌঁছানোর সময় |
|---|---|---|---|
| ০১ | সিলসিটি এক্সপ্রেস | সকাল০৭ঃ ৪০ মিনিট | দুপুর ০১ঃ ২০মিনিট |
| ০২ | পদ্মা এক্সপ্রেস | বিকাল ৪টা | রাত্রে ১১ঃ২৫ মিনিট |
| ০৩ | ধুমকেতু এক্সপ্রেস | সকাল ১১ঃ২০মিনিট | বিকাল ০৫টা |
| ০৪ | বনলতা এক্সপ্রেস | সকাল ০৭ টা | সকাল ১১:৩৫ মিনিট |
| ০৫ | মধুমতি এক্সপ্রেস। | সকাল৬ঃ৪০মিনিট | দুপুর ২ টা |
ট্রেনের ছুটির দিন
| ক্রমিক নাম্বার | ট্রেনের নাম | ছুটির দিন |
|---|---|---|
| ০১ | সিল্কসিটি এক্সপ্রেস | রবিবার |
| ০২ | পদ্মা এক্সপ্রেস | মঙ্গলবার |
| ০৩ | ধুমকেতু এক্সপ্রেস | বুধবার |
| ০৪ | বনলতা এক্সপ্রেস | শুক্রবার |
| ০৫ | মধুমতি এক্সপ্রেস | বৃহস্পতিবার |
ঢাকা টু রাজশাহী ট্রেনের ভাড়া
| ক্রমিক নাম্বার | আসন বিভাগ | টিকিটের মূল্য |
|---|---|---|
| ০১ | শোভন চেয়ার | ৪০৫ টাকা |
| ০২ | প্রথম আসন | ৮৯৭ টাকা |
| ০৩ | স্নিগ্ধ | ৭১১ টাকা |
| ০৪ | এসি | ৯২৬ টাকা |
| ০৫ | এসি বার্থ | ১৩৮৬ টাকা |
ঢাকা থেকে নাটোর লালপুর পৌঁছানোর জন্য অনেকগুলো ট্রেনে চলাচল করে। তার মধ্যে লালমনি এক্সপ্রেস ট্রেনটি ঢাকা থেকে রাত ৯ঃ৪৫ এ ছাড়ে এবং ২:৩৫ নাটোরে পৌঁছায়।
ট্রেনে রাজশাহী থেকে নাটোর খুব সস্তায় যাওয়া যায় ৭৫ - ৯৫ টাকা জনপ্রতি ভাড়া।
কমিউটার ট্রেনে খুব সহজে নাটোর পৌঁছাতে পারবেন। প্রতি ঘন্টা পর পর একটি করে ট্রেন পাবেন। ঢাকা থেকে
নাটোর আব্দুল্লাপুর রেলস্টেশন থেকে গ্রীন ভ্যালি পার্ক ১০ থেকে ১২ কিলোমিটার দূরে।
আরো জানুনঃ আক্কাস লেক ভিউ পার্ক চুয়াডাঙ্গা যাতায়াতের যাবতীয় খরচ তথ্য
লালপুর নাটোর কোথায় থাকবেন
গ্রীন মিলে পার্কে তেমন কোন থাকার জায়গা নেই। আপনি চাইলে নাটোর লালপুরে থাকতে পারেন।
তার থেকে মাত্র দুই তিন কিলোমিটার দূরে
লালপুর গেস্ট হাউসঃ সেখানে থাকতে পারেন এখানে ভালো মানের আবাসিক হোটেল পাবেন পরিস্কার পরিচ্ছন্ন
রুম ভাড়া ৮০০-১৫০০ টাকা
স্থানীয় আবাসিক হোটেল লালপুর বাজার এখানেও থাকতে পারেন তবে একরাত থাকার জন্য
জনপ্রতি রুম ভাড়া ৭০০-১২০০ টাকা
এছাড়া আপনি খাবারের জন্য বাজারের পাশে ভালো মানের রেস্তোরাঁ পাবেন
বাঘা
আপনি চাইলে বাঘা আবাসিক হোটেলে থাকতে পারেন। পরিবার দম্পতি নিয়ে থাকার জন্য নিরাপদ। গ্রীন ভ্যালি পার্ক বাঘা সদর থেকে ১২ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।
রুম ভাড়া ১২০০-২০০০ টাকা
নাটোর শহর
আপনি চাইলে নাটোর শহরে থাকতে পারেন, এখানে ভালো মনের হোটেল পাবেন ৩০ কিলোমিটার দূরে এ হোটেলের সুবিধা পরিষ্কার পরিবেশ খাবারের হোটেল কাছে পাবেন।
রুম ভাড়া ১৫০০-৩০০০ টাকা
গ্রীন ভ্যালি পার্ক ভ্রমণে কোথায় খাবেন
গ্রীন ভ্যালি পার্কের কাছাকাছি কিছু রেস্টুরেন্ট আছে। সেগুলো হোটেলে খেতে পারেন। এছাড়াও নাটোর লালপুরে খেতে পারেন। এখানে ভালো মানের হোটেলে এবং রেস্টুরেন্ট পাবেন। আসুন হোটেল গুলোর নাম জেনে নেওয়া যাক,
নাটোর লালপুর
হোটেল অলিভ অয়েল গার্ডেনঃ উন্নত মানের রেস্টুরেন্ট খাবার ও বসার জায়গা সুন্দর
ফুডনেস্ট রেস্টুরেন্টঃ পছন্দের আমন্ত্রণ মূলক খাবার হোটেল।
ওয়ান্স রেস্টুরেন্টঃ ফ্যামেলি ফ্রেন্ডলি খাবার হোটেল।
ড্রিম গ্রিল রেস্টুরেন্টঃ গ্রিল ক্যাজুয়াল খাবার পাওয়া যায়।
জনপ্রতি মোটামুটি = ২৫০ - ৩০০ টাকা দুপুরের খাবার বাজেট ধরুন
গ্রিন ভ্যালি পার্ক খোলার সময়সূচি
গ্রিন ভ্যালি পার্ক সপ্তাহে প্রতিদিনই খোলা থাকে। তবে সময় এবং রিতু অনুযায়ী কিছুটা পরিবর্তন হয়। গ্রীন ভ্যালি পার্কের খোলা ও বন্ধের সময়সূচি জেনে নিই।
খোলাঃ সকাল ৯টা - বিকাল ৫ টা পর্যন্ত কখনো ৬ টা খোলা থাকার কথা শোনা যায়।
যোগাযোগের ঠিকানা
লালপুর উপজেলা,নাটোর জেলা, রাজশাহী বিভাগ,বাংলাদেশ।
পার্ক অফিসারের মোবাইল নাম্বারঃ ০১৩২৮-৭৭১৯১৯
এছাড়াও অন্যান্য নাম্বারঃ ০১৭১২--১৫১৩৮৮/ ০১৭৯২-৯০০৯৯৪
ইমেলঃGreenvalleyparkltd@gmail.com
ভ্রমণে সঙ্গে যা নিবেন
গ্রীন ভ্যালি পার্ক ভ্রমণে সঙ্গে যা নেওয়া উচিত। তার একটি সহজ তালিকা তুলে ধরলাম। আসুন জেনে নেওয়া যাক
- পরিচিতি/এনআইডি কার্ড
- টিকিট বুকিং এর কাগজ
- নগদ টাকা
- পানির বোতল
- সানস্ক্রিন ক্রিম
- ক্যাপ
- স্মার্টফোন বা উন্নত মানের ক্যামেরা
- রাইড করার জন্য আলাদা কাপড়
- আরামদায়ক জুতা বা স্যান্ডেল
- রেনকোট
- প্রয়োজনীয় ওষুধপত্র
- ব্যাকপ্যাক।
আরো দেখুনঃ কুষ্টিয়া টু রাজশাহী ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়া সম্পর্কে জানুন
নিরাপত্তা ও সতর্কতা
- সব সময় নিরাপদ রাস্তা ব্যবহার করা
- শিশু এবং বয়স্কদের প্রবেশের সময় নজরদারি রাখা
- রাইডের সময় লাইভ জ্যাকেট সঙ্গে রাখবেন
- পার্কে বর্জ্য ফেলবেন না
- পার্কের পরিবেশ বজায় রাখুন।
- ভৌগলিক অবস্থা দেখে রওনা দেয়া
- পার্কের মধ্যে লাফালাফি না করা। এজন্য ছোট বাচ্চাদের প্রতি খেয়াল রাখবেন।
সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর পর্ব
প্রশ্নঃ পার্ক কোথায় অবস্থিত
উত্তরঃ নাটোর, লালপুর, রাজশাহী।
প্রশ্নঃ ঢাকা থেকে কিভাবে পার্কে পৌঁছানো যায়
উত্তরঃঢাকা-বাঘা-লালপুর / ট্রেনে ঢাকা-নাটোর-আব্দুল্লাহপুর-লালপুর
প্রশ্নঃ ঢাকা থেকে নাটোর বাসের ভাড়া
উত্তরঃজনপ্রতি = ৭০০ - ১০০০ টাকা
প্রশ্নঃকোথায় থাকা বেশি সুবিধা
উত্তরঃলালপুর ও বাঘা নাটোরে থাকলে সবচেয়ে ভালো
প্রশ্নঃপার্কে দর্শনের জন্য সবচেয়ে ভালো সময় কখন
উত্তরঃসকাল ৯ টা দুপুর ১২টা বিকেল ৩টা - ৫টায়
জন প্রতি এক রাত দুই দিনের খরচ
পরিবহন খরচ = ১৬০০ - ২০০০ টাকা
পার্কে প্রবেশ ফি = ৫০ - ৬০ টাকা
দুই দিনের খাবার = ৫০০ - ৭০০ টাকা
এক রাত থাকা = ১০০০ - ১৫০০ টাকা
ছোটখাটো নাস্তা = ২০০ - ৩০০ টাকা
অন্যান্য খরচ = ২০০ টাকা
মোট খরচ ২৫৫০ - ৪৬০০ টাকা
ক্লিক করুনঃ মানিকগঞ্জ জেলার সেরা পাঁচটি দর্শনীয় স্থান ও ভ্রমণ গাইড
আমাদের শেষ কথা
আমরা আজকের আর্টিকেলে গ্রিন ভ্যালি পার্ক লালপুর নাটোর ভ্রমণ গাইড যাতায়াত ও খরচ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরলাম আশা করছি বুঝতে পেরেছেন। কিভাবে যাবেন, কোথায় থাকবেন, কি খাবেন, জনপ্রতি কত খরচ হবে, ডিটেলস তথ্য প্রকাশ করা হলো। এরপরে যদি আপনাদের মনে কোন প্রশ্ন থেকে থাকে। তাহলে আমাদেরকে কমেন্ট বক্সে জানাবেন। আমরা আপনার প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিয়ে উপস্থিত হবো।
আর হ্যাঁ, এই গ্রিন ভ্যালি পার্ক লালপুর নাটোর আর্টিকেলটি যদি আপনাদের কাছে পছন্দ হয়ে থাকে। তাহলে আপনাদের আত্মীয়-স্বজনের নিকট শেয়ার করে দিবেন। আর প্রতিদিন নতুন আর্টিকেল পেতে আমাদের ওয়েবসাইটটি ফলো দিয়ে রাখুন। এতক্ষণ পর্যন্ত আমাদের সঙ্গে থাকার জন্য ধন্যবাদ। আপনাদের সুস্বাস্থ্য কামনা করে, আজকের মত এখানেই শেষ করছি। আল্লাহ হাফেজ।

.webp)
.webp)
আপনি সফল ব্লগে নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url