ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার সেরা দর্শনীয় স্থানসমূহ ও যাবার উপায়

 ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলা সেরা দর্শনীয় স্থানসমূহ, আপনারা অনেক জায়গায় সার্চ দিয়েছেন, কিন্তু সঠিক তথ্য পাননি,  আজকের এই আর্টিকেলটি সম্পন্ন সঠিক তথ্য দিয়ে ভালুকা উপজেলার সেরা কয়েকটি দর্শনীয় স্থানের বিস্তারিত বর্ণনা করা হবে নিচে জেনে নিতে পারেন।

ময়মনসিংহের-ভালুকা-উপজেলার-সেরা-দর্শনীয়-স্থানসমূহ
ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার দর্শনীয় স্থানের প্রত্যেকটি জায়গায় আকর্ষণীয় করে তুলবে। তবে দর্শনীয় স্থানগুলোর মধ্যে নির্দিষ্ট কিছু জায়গা আছে, যেগুলোর মাধ্যমে আপনি নিজেকে সীমাবদ্ধ রাখতে পারবেন না। এই সমস্ত জায়গাগুলোতে বারবার  আসতে মন চাইবে।

পেজ সূচিপত্রঃ ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার সেরা দর্শনীয় স্থান ও যাওয়ার উপায় জানতে পড়ুন।

ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলা সেরা দর্শনীয় স্থান

ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার সেরা দর্শনের স্থান সম্পর্কে জানার জন্য অনেকে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন, প্রথমে আপনাকে জানানো হবে। ময়মনসিং জেলার ভালুকা উপজেলা প্রথম মডেল থানা এবং দেশের অন্যতম প্রধান বিসিক নগরী একে বাণিজ্যিক  শহর বলা হয়।

এছাড়াও ভালুকা উপজেলায় আছে, অনেক দর্শনীয় স্থান ও পর্যটন কেন্দ্র তার মধ্যে অন্যতম হলো পার্ক ও উদ্যান পার্কের মধ্যে অন্যতম হলো মেঘ মাটি ভিলেজ রিসোর্ট ও গ্রীন অরণ্য পার্ক ড্রিম ওয়ার্ল্ড পার্ক চন্দ্রমল্লিকা রিসোর্ট ইকো রিসোর্ট ইত্যাদি এবং জাতীয় উদ্যানের মধ্যে আছে, কাদিগড় জাতীয় উদ্যান। তো চলুন আর দেরিনা করে এ পর্যটন ও জাতীয় উদ্যান সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক।

আরো পড়ুনঃ বিরুলিয়া জমিদার বাড়ি সাভার ঢাকা যাতায়াত খরচ ও দর্শনীয় স্থান

ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলা কাদিগড় জাতীয় উদ্যান

ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার সেরা দর্শনীয় স্থানসমূহের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ও অন্যতম হল কাদিগড় জাতীয় উদ্যান যা বাংলাদেশের জাতীয় উদ্যানের মধ্যে একটি বলা হয়। এই উদ্যানটি ভালুকা উপজেলার বনাঞ্চল যা ভাওয়াল বা মধুপুরের মতো বিকল্প হতে পারে। এটি বালুকা উপজেলার কাচিনা ইউনিয়নে অবস্থিত।

সময় সাপেক্ষে ধীরে ধীরে গড়ে উঠেছে এই কাদিগড় জাতীয় উদ্যান এই উদ্যানটি ভালুকা উপজেলার সর্বমোট ২১ ভাগ জায়গা জুড়ে বিস্তৃত যা পর্যটক এর জন্য শ্বাদ গ্রহণ করাতে সক্ষম হবে।

এ কাদিগড় উদ্যানে রয়েছে একটি প্রবেশপথ আরেকটি অফিস ভবন দুইটি ইকো

কটেজ একটি বিশ্রামাগার দুটি গোলা ঘর ও একটি ওয়াচ টাওয়ার আরো রয়েছে দুইটি centry পোস্ট ও একটি পিকনিক স্পট এবং লেক উদ্যানের ভিতরে পর্যটকের জন্য ৭০০ মিটার পাকা রাস্তা ব্যবস্থা রয়েছে এবং সলিং রাস্তা রয়েছে ১০০০ মিটার চুন এবং শোরখির পরিমাণ বেশি থাকার জন্য এই মাটির রং লালচে দেখায় এ উদ্যানের প্রধান আকর্ষণ হচ্ছে মাইটালভূতাত্ত্বিকদের মতে মধুপুর ক্লে এই কাদিগড়রের  মাটি।

 এখানে রয়েছে পাহাড়ি গাছগাছালা ঔষধি গাছসমূহ শাল গাছ গজারি গাছ। এই বনের রাজা যা কাদিগড় জাতীয় উদ্যান কে ছায়া আবৃত করে রাখে, আর এই বাগানের মেহগনি গাছের বাগান তৈরি করেছে কাঁঠাল বাগান মেহগনি বাগান আর জীব জন্তুর কথা বলতে গেলে এখানে আছে হনুমান ও বিভিন্ন পাখির সমারহ জাবরায় বিলুপ্তের দিকে যেমন বানর ময়ূর বর্ণ মোরগ বন্য শুকর অনেক জীব এখান থেকে সরকারি খাতায় কোটি টাকা জমা হয়। সরকারি কোষাগারে কারণ এখানে দুইটি দামি গাছ আছে, একটি হচ্ছে মেয়েগুনি আর অপরটি হচ্ছে শালগাছঅজানাকে জানার জন্য কাদিগড় জাতীয় উদ্যান গ্রহণ করা বনের অন্যতম একটি প্রতিচ্ছবি হতে পারে।

আরো পড়ুনঃ খাতিয়া ব্রিজ গাজীপুর ভ্রমণ গাইড যাতায়াত ও খরচ তথ্য 


ময়মনসিংহ জেলার ভালুকা উপজেলা যাওয়ার উপায়

ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলা কাজিগড় জাতীয় উদ্যান যাওয়ার জন্য আপনাকে ঢাকা মহাখালী অথবা সদরঘাট কিংবা গাবতলী আসতে হবে, এখানে এসে ময়মনসিংহ ভাল কাজ আমি যে কোন বাস ধরে ২০০-৩০০ টাকা ভাড়া দিয়ে দুই থেকে তিন ঘন্টা সময় ব্যয় করে চলে আসতে পারেন। ভালুকা এখান থেকে কালুরঘাট কাচিনা রিস্কা করে ২০-৩০ টাকা ভাড়া দিয়ে চলে আসবেন সাতক্ষীরা সখিপুর এখান থেকে এক কিলোমিটার দূরে লোকাল বাস কিংবা মাইক্রো করে গুগল ম্যাপ অনুযায়ী কাচিনা কাদিগড় জাতীয় উদ্যানে পৌঁছে যাবেন।

ভালুকা উপজেলায় অন্যতম দর্শনীয় স্থান মেঘমাটি ভিলেজ রিসোর্ট

ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার সেরা দর্শনীয় স্থানের মধ্যে মেঘ মাটি ভিলেজ রিসোর্ট এটিও আপনাকে মন ছুঁয়ে দিতে পারে, এটা গ্রামের মেঠো পথ আর খোলা হাওয়ায় মনকে প্রফুল্ল করে তুলবে শহরের যান্ত্রিক মন মানসিকতা কে দূর করে, এখানে আসলে গ্রামের সাদা মাঠা মানুষের মত হতে পারবেন।
ময়মনসিংহের-ভালুকা-উপজেলার-সেরা-দর্শনীয়-স্থানসমূহ

বর্তমানে ময়মনসিংহ জেলার ভালুকা উপজেলা এই রিসোর্ট টি ভালোই পরিচিত হয়ে উঠেছে এখানে শহরে বড় হওয়া মানুষগুলোকে একটি সুন্দর গ্রাম দেখতে চাইলে চলে আসতে হবে এই মেঘ মাটি ভিলেজ রিসোর্টে এখানে রয়েছে রাস্তার দুই ধারে সবুজে ঘেরা ধান ক্ষেত এই রিসটে রয়েছে বংশী দিয়ে মাছ ধরার মতো আনন্দ পুকুরে সাঁতার কাটা সুবিধা সে সাথে রয়েছে বিভিন্ন জাতের জানা-অজানা মাছের নাম এবং বিভিন্ন রকমের খেলাধুলার আয়োজন রয়েছে এই রিসোর্টে আরো রয়েছে গাছে ঝুলানো দোলনা পানির উপর কটেজ আর ইনডোর গেমিং এর সুবিধা ফ্যামিলি প্যাকেজ এর ভিতরে সকল প্রকার খাবার ব্যবস্থা রয়েছে

ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার মেঘমাটি ভিলেজ রিসোর্টে যাওয়ার উপায়

ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলা মেঘমাটি  ভিলেজ রিসোটে যার জন্য আপনাকে ময়মনসিংহের ভালুকায় যেতে হবে বাসযোগ্য করে অথবা মাইক্রোতে যোগে যতে পারবেন  ময়মনসিংহ থেকে এক ঘন্টার পথ অতিক্রম করার পর রিসোর্টে যেতে হবে।

ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার চন্দ্রমল্লিকা রিসোর্ট

ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার সেরা দর্শনীয় স্থানের মধ্যে আছে, চন্দ্রমল্লিকা রিসোর্ট এই রিসোর্টে রয়েছে বেশ কয়েকটি পার্ক যার অনুসরণ হিসেবে কাঁঠালিতে রয়েছে অবস্থিত চন্দ্রমল্লিকা হলিডে রিসোর্ট প্রকৃতির পরিবেশে একটি দিন কাটাতে পারেন। পিকনিক করার জন্য সবুজে ঘেরা মনোরম পরিবেশে কাটানোর জন্য এই রিসোর্ট টি খুবই ভালো বেশ কিছু দেখার মত স্থান আছে, তার মধ্যে অন্যতম হলো নানান জাতের ফুল ফল একতলা দুতলা কটেজ সেগুলোর সামনে বিশাল বড় বড় বাগান আর চত্বর লম্বা বারান্দা ঘর সাথে ঘাট বাঁধানো পুকুর এই চন্দ্রমল্লিকা হলিডে পার্কে আছে। সুন্দর একটি সুইমিং পুল খেলাধুলার ব্যবস্থা এই ঘরগুলো তৈরি করা হয়েছে একদম ঘরোয়া পরিবেশের মতো করে সে সাথে বিকেলে হাঁটার জন্য তৈরি করা আছে। বিশাল জায়গা আর দেখার মত অনেক গাছপাখি তার মধ্যে অন্যতম হলো পুকুরের ঘাট খুবই আকর্ষণীয় করে তুলবে।

চন্দ্রমল্লিকা রিসোর্টে যাওয়ার উপায়

চন্দ্রমল্লিকা রিসোর্টে যাওয়ার জন্য আপনাকে ময়মনসিংহে বাসে করে ভালুকায় আসতে হবে এখান থেকে রিস্কা করে অথবা অটো যোগে চলে যেতে পারবেন এই রিসোর্টে সঠিকভাবে প্রচার হলে এই জায়গাটি হবে এক সময়কার আদর্শ জায়গা।

আরো পড়ুনঃ মনিপার্ক ভেড়ামারা কুষ্টিয়া কিভাবে যাবেন ও খরচ 

ভালুকায় তেপান্তর শুটিং স্পট

ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার দর্শনীয় স্থানের মধ্যে আছে, তেপান্তর শুটিং স্পট এটি বেশ জনপ্রিয় একটি জায়গা শুটিংয়ের জন্য এই জায়গাটি ভালকা উপজেলার জমির দেয়া মাস্টার বাড়িতে অবস্থিত, সহজে সৌন্দর্যমন্ডিত জন্য মানুষের কাছে খুবই পরিচিত হয়ে উঠেছে। এই জায়গাটির মূল উদ্দেশ্য হলো কৃত্রিম ব্যবস্থাপনা যা সবাইকে দৃষ্টিনন্দনীয় করেছে।

বড়দের খেলাধুলার জন্য আলাদা ব্যবস্থা আছে এবং ছোটদের জন্য প্লেগ্রাউন্ড ব্যবস্থা আছে, এখানে সুইমিং পুল পার্টি জোন উইন্ডোর গেম সুবিধা সহ বিভিন্ন রিসোর্ট এর মিটিং প্রশিক্ষণ ও বৈঠকের ব্যবস্থা বিভিন্ন ক্যাটাগরি ও সার্ভিসের ব্যবস্থা আছে।

 এবং খাবারের কোন চিন্তা করার দরকার নেই এখানে রয়েছে বিভিন্ন রকমের খাবার এই রিসেটের জায়গা গুলো খুবই সুন্দর এবং শুটিং স্পটগুলো খুবই মনোরম পরিবেশ। তেপান্তর শুটিং স্পটটি সুন্দর এবং অনেক মনোরম পরিবেশে হওয়ার কারণে, সব সময় এই শুটিং স্পটে ভিড় লেগে থাকে

তেপান্তর শুটিং স্পটে যাওয়ার উপায়

ঢাকা থেকে বাসযোগ্য ভালুকা এসে মাস্টার বাড়ি নেমে প্রাইভেট করেও সোজা চলে আসতে পারেন। 

গ্রীন অরণ্য পার্ক 

ভালুকা উপজেলার ভবের বাড়ি ইউনিয়নে থ্রি স্টোর মাত্র কিলোমিটার পূর্বে এই বিশাল গ্রীন অরণ্য পার্ক। 

এ পার্কের দর্শনীয় স্থানের মধ্যে রয়েছে শিশু পার্ক ওর শুটিং স্পট ২০১১ সালে ফেব্রুয়ারিতে পার্টি উদ্বোধন হয়। প্রাকৃতিক পরিবেশে এই পারগুলো তৈরি করা আছে, যা দেখার জন্য হাজারো মানুষের ভিড় হয়ে থাকে এখানে রয়েছে ফিরোজ গুলো এই রাইটগুলো বিশাল জায়গাকে একত্র করার জন্য কৃত্রিম প্রক্রিয়া বৃদ্ধি পেয়েছে, এ পার্কের কনস্ট্রাকশন এখনো শেষ হয়নি এ পার্কে আছে শুটিং স্পট ব্রিজ লেক এবং সাঈদ রেভোমেন্ট ও ছোট ছোট চত্তর, এখানে বন্ধুবান্ধব নিয়ে একসাথে ঘুরতে আসতে পারেন। 

গ্রিন অরণ্য পার্কে যাওয়ার উপায় 

আপনাকে বাসযোগ্য করে উপজেলায় তার মাটি মাস্টার বাড়ি সিড স্টোর বাজারে এ নেমে হবির বাড়ি ইউনিয়নে রিস্কা যোগে চলে যাবেন। 

ড্রিম ওয়াল্ড পার্ক এন্ড রিসোর্ট 

ময়মনসিংহের গুরুত্বপূর্ণ দর্শনীয় স্থানের মধ্যে উপজেলায় আছে। ডিম ওয়াল্ড পার্ক অ্যান্ড রিসোর্ট এখানে রয়েছে৷ পিকনিকের জন্য  খুব সুন্দর একটি জায়গা। 

কনসার্ট সাংস্কৃতি অনুষ্ঠান বেশি করার জন্য কে এই পার্ক টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ স্থান পেয়েছে এখানে রয়েছে দেখার মত ছোট ছোট ফোয়ারা আরো রয়েছে ভোট রাইট ভিডিওজ প্লে ছোট ছোট রাইড এই পুরো পার্কে সাধারণ মানুষের জন্য আকর্ষণীয় করা হয়েছে। 

যাওয়ার উপায় 

ঢাকা থেকে বাসের যোগে ময়মনসিংহে আসতে হবে, এখান থেকে ভালুকা রিস্টোর বাজারে এসে নামতে হবে, এখান থেকে একদিনে ঘুরে ফিরে দেখার মত এই ড্রিম ওয়ার্ল্ড পার্ক রিসোর্ট ঘুরে যেতে পারেন। 

ভালুকার অরণ্য  ইকো রিসোর্ট 

ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলা সেরা দর্শনীয় সমূহের মধ্যে, আরেকটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্থান হলো। অরণ্য ইকো রিসোর্ট সবুজে সমরহ ঘেরা  পার্ক। যা এক অপরূপ সবুজের দৃষ্টান্ত। এই রিসোটে  বড় বড় গাছের মধ্যে দোলনা লেকের পাড়ে বসার জায়গা সন্ধ্যার ডেকোরেশন, ফ্যামিলি বোটিং সিং প্লেগ্রাউন্ড চিল্ড্রেন প্লে জন সুইমিং পুল সাইক্লিন ইত্যাদি সহ লেকের পাশে মাছ ধরার সুবিধা আছে। এখানে আরো ভাসমান আইল্যান্ড আছে। বোটে চড়ে লেকের মাঝে একান্তে সময় কাটানোর যাবে। এই অরণ্য রিসোর্ট খুবই শোভনীয়, যা আপনাকে সারা দিনের ক্লান্তি দূর করে, এক রিফ্রেশ মাইনে ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করবে। এখানে ভলিবল ফুটবল বড়দের জন্য খেলার ব্যবস্থা আছে।

এ পার্কের প্রশংসনীয় দিক লোক হচ্ছে খাবারের ব্যবস্থা ক্যাটারিং এর এক দল লোক এ খাবারের পুরো ব্যবস্থা করে থাকে তাই এখানে খুব ভালো মানের খাবার পাওয়া যায়
ময়মনসিংহের-ভালুকা-উপজেলার-সেরা-দর্শনীয়-স্থানসমূহ

এখানে শুটিংয়ের এরিয়াগুলো খুব ভালোভাবে সাজানো হয়েছে যা দেখলে আপনার মন প্রাণ জুড়িয়ে যাবে আর এসবের এগুলো প্রচার প্রচার প্রসারনের জন্য ময়মনসিংহের শিক্ষিত লোকজন তাহলে এ পর্যটক কেন্দ্রগুলো সারা বাংলাদেশের ছড়িয়ে পড়বে 

অরণ্য ইকোপার্কে যাওয়ার উপায় 

ময়মনসিংহ জেলার ভালুকা উপজেলায় বাসে করে পৌঁছাবেন, এখানে নেমে সিড স্টোরবাজারে গিয়ে ২ কিলোমিটার পূর্বে বিশাল এলাকা জুড়ে এই অরণ্য ইকোপার্ক, মাএ  ৩০ থেকে ৪০ টাকা ভাড়া দিলে রিস্কা পৌঁছে দেবে, অরণ্য ইকোপার্কে।

আরো পড়ুনঃ নাগরিয়াকান্দি গোল্ডেন স্টার পার্ক নরসিংদী ভ্রমণ গাইড 

আমাদের শেষ কথা 

ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলা সেরা দর্শনীয় স্থান ও যাওয়ার উপায় সম্পর্কে উপরে আর্টিকেলে সকল তথ্য তুলে ধরা হলো, আশা করি বুঝতে পেরেছেন। এরপরও যদি কোন কিছু প্রয়োজন হয়ে থাকে কমেন্ট বক্সে জানিয়ে দিবেন, পুনরায় সঠিক তথ্য দিয়ে সেটা পূরণ করা হবে।

আজকের এই আর্টিকেলটি আপনি আপনাদের বন্ধু-বান্ধব এবং আত্মীয়-স্বজনের কাছে পৌঁছে দিবেন যেন তাদের মন ফ্রেশ করার জন্য এসব জায়গাগুলি ঘুরে আসতে পারেন, ধন্যবাদ। 

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

আপনি সফল ব্লগে নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url